Qaalaa Rabbanaa zalamnaaa anfusanaa wa illam taghfir lanaa wa tarhamnaa lanakoonanna minal khaasireen
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
তারা উভয়ে বললঃ হে আমাদের পালনকর্তা আমরা নিজেদের প্রতি জুলম করেছি। যদি আপনি আমাদেরকে ক্ষমা না করেন এবং আমাদের প্রতি অনুগ্রহ না করেন, তবে আমরা অবশ্যই অবশ্যই ধ্বংস হয়ে যাব।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
ये दोनों अर्ज क़रने लगे ऐ हमारे पालने वाले हमने अपना आप नुकसान किया और अगर तू हमें माफ न फरमाएगा और हम पर रहम न करेगा तो हम बिल्कुल घाटे में ही रहेगें
তারা উভয়ে বললঃ হে আমাদের পালনকর্তা আমরা নিজেদের প্রতি জুলম করেছি। যদি আপনি আমাদেরকে ক্ষমা না করেন এবং আমাদের প্রতি অনুগ্রহ না করেন, তবে আমরা অবশ্যই অবশ্যই ধ্বংস হয়ে যাব।
📜
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
ظَلَمْنَا أَنفُسَنَا – আমরা আমাদের নিজেদের প্রতি জুলুম করেছি (নিজেদের ক্ষতি করেছি)।
تَغْفِرْ لَنَا – তুমি আমাদের ক্ষমা করো।
تَرْحَمْنَا – তুমি আমাদের প্রতি দয়া করো।
الْخَاسِرِينَ – ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত।
তাফসীর (ব্যাখ্যা):
আদম (আঃ) ও হাওয়া (আঃ) যখন আল্লাহর নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সেই গাছের ফল খেয়ে ফেললেন, তখনই তারা নিজেদের ভুল বুঝতে পারলেন এবং গভীর অনুতাপে ডুবে গেলেন। তারা আল্লাহর দরবারে কাতর কণ্ঠে বললেন: “হে আমাদের রব! আমরা নিজেদের প্রতি জুলুম করেছি। আমরা আপনার আদেশ লঙ্ঘন করে নিজেদের জানের ক্ষতি করেছি। হে আমাদের পালনকর্তা! যদি আপনি আমাদের ক্ষমা না করেন এবং আমাদের প্রতি দয়া না করেন, তবে আমরা অবশ্যই ক্ষতিগ্রস্তদের দলে শামিল হয়ে যাব—যারা দুনিয়া ও আখিরাত উভয় জায়গায় নিজেদের সৌভাগ্য হারিয়ে ফেলেছে।”
এই দু‘আটি ছিল আল্লাহর পক্ষ থেকে আদম (আঃ)-কে শেখানো তাওবার পদ্ধতি। আল্লাহ তাদের এই তাওবা কবুল করেছিলেন এবং তাদের ক্ষমা করেছিলেন। এতে বোঝা যায়, মানুষ ভুল করলেও আন্তরিক তাওবার মাধ্যমে আল্লাহর রহমত লাভ করতে পারে।
শিক্ষা ও উপকারিতা:
মানুষ মাত্রই ভুল করে, কিন্তু প্রকৃত মুমিনের বৈশিষ্ট্য হলো ভুলের পর সাথে সাথে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা।
নিজের ভুল স্বীকার করা এবং নিজেকে দোষারোপ করা—এটাই আন্তরিক তাওবার প্রথম শর্ত।
আল্লাহ অত্যন্ত ক্ষমাশীল ও দয়ালু। তিনি বান্দার তাওবা কবুল করেন, এমনকি আদম (আঃ)-এর মতো বড় ভুলের পরও।
ক্ষমা ও দয়া না পেলে আখিরাতে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া ছাড়া আর কিছুই থাকবে না—এটা আমাদের সর্বদা স্মরণ রাখা উচিত।
এই আয়াত আমাদের শেখায় যে, বিপদে বা অপরাধবোধে আল্লাহর কাছে যেভাবে ফিরতে হয়, তার সর্বোত্তম উদাহরণ হলো এই দু‘আ—যা কুরআনে সংরক্ষিত আছে।
অতঃপর প্রতারণাপূর্বক তাদেরকে সম্মত করে ফেলল। অনন্তর যখন তারা বৃক্ষ আস্বাদন করল, তখন তাদের লজ্জাস্থান তাদের সামনে খুলে গেল এবং তারা নিজের উপর বেহেশতের পাতা জড়াতে লাগল। তাদের প্রতিপালক তাদেরকে ডেকে বললেনঃ আমি কি তোমাদেরকে এ বৃক্ষ থেকে নিষেধ করিনি এবং বলিনি যে, শয়তান তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু।
তারা উভয়ে বললঃ হে আমাদের পালনকর্তা আমরা নিজেদের প্রতি জুলম করেছি। যদি আপনি আমাদেরকে ক্ষমা না করেন এবং আমাদের প্রতি অনুগ্রহ না করেন, তবে আমরা অবশ্যই অবশ্যই ধ্বংস হয়ে যাব।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।