Qaalal mala ul lazeenas takbaroo min qawmihee lanukhrijannaka yaa Shu`aibu wallazeena aamanoo ma`aka min qaryatinaaa aw lata`oo dunna fee millatinaa; qaala awa law kunnaa kaariheen
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
তার সম্প্রদায়ের দাম্ভিক সর্দাররা বললঃ হে শোয়ায়েব, আমরা অবশ্যই তোমাকে এবং তোমার সাথে বিশ্বাস স্থাপনকারীদেরকে শহর থেকে বের করে দেব অথবা তোমরা আমাদের ধর্মে প্রত্যাবর্তন করবে। শোয়ায়েব বললঃ আমরা অপছন্দ করলেও কি ?
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
तो उनकी क़ौम में से जिन लोगों को (अपनी हशमत (दुनिया पर) बड़ा घमण्ड था कहने लगे कि ऐ शुएब हम तुम्हारे साथ ईमान लाने वालों को अपनी बस्ती से निकाल बाहर कर देगें मगर जबकि तुम भी हमारे उसी मज़हब मिल्लत में लौट कर आ जाओ
اسْتَكْبَرُوا — অহংকার করেছিল, ঈমান আনা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল।
لَنُخْرِجَنَّكَ — আমরা অবশ্যই তোমাকে বের করে দেব।
قَرْيَتِنَا — আমাদের জনপদ/শহর থেকে।
مِلَّة — ধর্ম, বিশ্বাস, আদর্শ।
كَارِهِينَ — ঘৃণাপোষণকারী, অপছন্দকারী, অসন্তুষ্ট।
তাফসীর:
শু‘আইব (আঃ)-এর সম্প্রদায়ের মধ্যে যারা নেতা ও বড় ছিল এবং ঈমান আনা থেকে অহংকারবশত দূরে ছিল, তারা শু‘আইব (আঃ)-কে হুমকি দিয়ে বলল: “হে শু‘আইব! আমরা তোমাকে এবং তোমার সাথে যারা ঈমান এনেছে তাদেরকে আমাদের জনপদ থেকে অবশ্যই বের করে দেব, অথবা তোমাদেরকে আমাদের ধর্মে ফিরে আসতেই হবে।” অর্থাৎ তাদের কাছে দুটি বিকল্প ছিল—হয় নির্বাসন, নয় ধর্মান্তরিত হওয়া।
তাদের এই হুমকির জবাবে শু‘আইব (আঃ) বিস্ময় ও ঘৃণা প্রকাশ করে বললেন: “আমরা কি তোমাদের ধর্মে ফিরে যাব—যদিও আমরা তা ঘৃণা করি?” অর্থাৎ আমরা যখন তোমাদের ধর্ম ও পথকে মিথ্যা ও বাতিল বলে জানি এবং তা আমাদের কাছে ঘৃণ্য, তখন আমরা কীভাবে সেটি গ্রহণ করতে পারি? এই জবাবটি ছিল তাদের প্রতি তীব্র প্রতিবাদ এবং তাদের ধর্মের ব্যাপারে পূর্ণ অসন্তুষ্টির বহিঃপ্রকাশ। শু‘আইব (আঃ) বুঝিয়ে দিলেন যে, সত্যের পথে থাকা মানুষকে কোনো হুমকি বা ভয়-ভীতি সত্য থেকে বিচ্যুত করতে পারে না।
শিক্ষা ও উপকারিতা:
সত্যের পথে থাকা মানুষকে অন্যায় হুমকি ও ভয় দেখানো যুগে যুগে হয়েছে, কিন্তু নবী ও সত্যনিষ্ঠদের এতে দমে যাওয়ার নেই। আল্লাহর ওপর ভরসা রাখলে কোনো শক্তি ক্ষতি করতে পারে না।
ঈমান ও সত্যের মাপকাঠি হলো আল্লাহর সন্তুষ্টি, মানুষের চাপ বা সমাজের রীতি-রীতির ভয় নয়। যে ব্যক্তি সত্যকে উপলব্ধি করেছে, সে মিথ্যার দিকে ফিরে যাওয়াকে ঘৃণা করে।
ধর্মের ব্যাপারে আপস করা যায় না। হুমকি বা লোভ দেখিয়ে কাউকে ধর্ম থেকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা অন্যায়, এবং মুমিনের কর্তব্য হলো এ ধরনের চাপের কাছে মাথা নত না করা।
নবীগণ তাদের উম্মতের কাছে ছিলেন অত্যন্ত দয়ালু ও সহানুভূতিশীল, কিন্তু সত্যের ব্যাপারে ছিলেন অত্যন্ত দৃঢ় ও আপোষহীন। এটিই একজন মুমিনের আদর্শ চরিত্র হওয়া উচিত।
এই আয়াত থেকে আমরা শিখি—অন্যায় ও জুলুমের মুখে নীরব থাকা বা সত্য গোপন করা মুমিনের কাজ নয়; বরং সাহসের সাথে সত্য বলা এবং অন্যায়ের প্রতিবাদ করা প্রতিটি মুমিনের দায়িত্ব।
তার সম্প্রদায়ের দাম্ভিক সর্দাররা বললঃ হে শোয়ায়েব, আমরা অবশ্যই তোমাকে এবং তোমার সাথে বিশ্বাস স্থাপনকারীদেরকে শহর থেকে বের করে দেব অথবা তোমরা আমাদের ধর্মে প্রত্যাবর্তন করবে। শোয়ায়েব বললঃ আমরা অপছন্দ করলেও কি ?
তোমরা পথে ঘাটে এ কারণে বসে থেকো না যে, আল্লাহ বিশ্বাসীদেরকে হুমকি দিবে, আল্লাহর পথে বাধা সৃষ্টি করবে এবং তাতে বক্রতা অনুসন্ধান করবে। স্মরণ কর, যখন তোমরা সংখ্যায় অল্প ছিলে অতঃপর আল্লাহ তোমাদেরকে অধিক করেছেন এবং লক্ষ্য কর কিরূপ অশুভ পরিণতি হয়েছে অনর্থকারীদের।
আর যদি তোমাদের একদল ঐ বিষয়ের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে যা নিয়ে আমি প্রেরিত হয়েছি এবং একদল বিশ্বাস স্থাপন করে যা নিয়ে আমি প্রেরিত হয়েছি এবং একদল বিশ্বাস স্থাপন না করে, তবে ছবর কর যে পর্যন্ত আল্লাহ আমাদের মধ্যে মীমাংসা না করে দেন। তিনিই শ্রেষ্ট মীমাংসাকারী।
তার সম্প্রদায়ের দাম্ভিক সর্দাররা বললঃ হে শোয়ায়েব, আমরা অবশ্যই তোমাকে এবং তোমার সাথে বিশ্বাস স্থাপনকারীদেরকে শহর থেকে বের করে দেব অথবা তোমরা আমাদের ধর্মে প্রত্যাবর্তন করবে। শোয়ায়েব বললঃ আমরা অপছন্দ করলেও কি ?
আমরা আল্লাহর প্রতি মিথ্যা অপবাদকারী হয়ে যাব যদি আমরা তোমাদের ধর্মে প্রত্যাবর্তন করি, অথচ তিনি আমাদেরকে এ থেকে মুক্তি দিয়েছেন। আমাদের কাজ নয় এ ধর্মে প্রত্যাবর্তন করা, কিন্তু আমাদের প্রতি পালক আল্লাহ যদি চান। আমাদের প্রতিপালক প্রত্যেক বস্তুকে স্বীয় জ্ঞান দ্বারা বেষ্টন করে আছেন। আল্লাহর প্রতিই আমরা ভরসা করেছি। হে আমাদের প্রতিপালক আমাদের ও আমাদের সম্প্রদায়ের মধ্যে ফয়সালা করে ছিল যথার্থ ফয়সালা। আপনিই শ্রেষ্টতম ফসলা ফয়সালাকারী।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।