Wa maa zalamnaahum wa laakin zalamooo anfusahum famaaa aghnat `anhum aalihatuhumul latee yad`oona min doonil laahi min shai`il lammaa jaaa`a amru Rabbika wa maa zaadoohum ghaira tatbeeb
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
আমি কিন্তু তাদের প্রতি জুলুম করি নাই বরং তারা নিজেরাই নিজের উপর অবিচার করেছে। ফলে আল্লাহকে বাদ দিয়ে তারা যেসব মাবুদকে ডাকতো আপনার পালনকর্তার হুকুম যখন এসে পড়ল, তখন কেউ কোন কাজে আসল না। তারা শুধু বিপর্যয়ই বৃদ্ধি করল।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
और हमने किसी तरह उन पर ज़ल्म नहीं किया बल्कि उन लोगों ने आप अपने ऊपर (नाफरमानी करके) ज़ुल्म किया फिर जब तुम्हारे परवरदिगार का (अज़ाब का) हुक्म आ पहुँचा तो न उसके वह माबूद ही काम आए जिन्हें ख़ुदा को छोड़कर पुकारा करते थें और न उन माबूदों ने हलाक करने के सिवा कुछ फायदा ही पहुँचाया बल्कि उन्हीं की परसतिश की बदौलत अज़ाब आया
আমি কিন্তু তাদের প্রতি জুলুম করি নাই বরং তারা নিজেরাই নিজের উপর অবিচার করেছে। ফলে আল্লাহকে বাদ দিয়ে তারা যেসব মাবুদকে ডাকতো আপনার পালনকর্তার হুকুম যখন এসে পড়ল, তখন কেউ কোন কাজে আসল না। তারা শুধু বিপর্যয়ই বৃদ্ধি করল।
📜
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
ظَلَمُوا أَنفُسَهُمْ — তারা নিজেদের উপর অত্যাচার করেছে।
أَغْنَتْ — কোনো উপকারে আসা, দূর করা, প্রতিরোধ করা।
تَتْبِيبٍ — ধ্বংস, ক্ষতি, ক্ষয়-ক্ষতি।
তাফসীর:
আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করছেন যে, তিনি কোনো জাতিকে বিনা কারণে বা অন্যায়ভাবে ধ্বংস করেননি। পূর্ববর্তী সম্প্রদায়গুলোকে যে শাস্তি দেওয়া হয়েছিল, তা সম্পূর্ণ ন্যায়সংগত ছিল। বস্তুত তারা নিজেরাই নিজেদের উপর অত্যাচার করেছিল। কারণ, তারা শিরক করেছিল, আল্লাহর সাথে অন্যান্য উপাস্যকে শরিক করেছিল এবং পৃথিবীতে ফাসাদ ও অশান্তি সৃষ্টি করেছিল। এই শিরক ও অন্যায়ের ফলেই তারা নিজেদেরকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়েছিল।
যখন তাদের উপর আল্লাহর আযাব নেমে আসলো — অর্থাৎ রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর প্রভুর পক্ষ থেকে ধ্বংসের আদেশ কার্যকর হলো — তখন তারা যেসব মাবুদকে ডাকত, আল্লাহকে বাদ দিয়ে যাদের কাছে তারা সাহায্য প্রার্থনা করত, সেই সব মূর্তি ও উপাস্য তাদের কোনো কাজেই আসলো না। তারা তাদের থেকে সামান্যতম শাস্তিও দূর করতে পারলো না, কোনো বিপদ থেকে রক্ষা করতে পারলো না। বরং এই মাবুদগুলো তাদের জন্য ধ্বংস ও ক্ষতিই বাড়িয়ে দিল। কারণ, এই মিথ্যা উপাস্যদের পূজা করাই ছিল তাদের পতনের মূল কারণ। সুতরাং এই উপাস্যগুলো তাদের কোনো উপকার তো করলই না, বরং তাদের ক্ষতিই বৃদ্ধি করল।
শিক্ষা ও উপদেশ:
আল্লাহ সম্পূর্ণ ন্যায়পরায়ণ। তিনি কাউকে অন্যায়ভাবে শাস্তি দেন না। প্রতিটি শাস্তি বান্দার নিজের কৃতকর্মেরই ফল।
শিরক ও কুফরির পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ। এটি মানুষকে নিজের হাতে নিজেকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যায়।
আল্লাহ ছাড়া অন্য কোনো উপাস্য বা শক্তি বিপদের সময় কোনো কাজে আসে না। প্রকৃত সাহায্য একমাত্র আল্লাহর কাছ থেকেই আসে।
যে জিনিস মানুষকে আল্লাহ থেকে দূরে সরিয়ে দেয়, তা বাহ্যিক যত সুন্দরই হোক না কেন, প্রকৃতপক্ষে তা মানুষের জন্য ক্ষতির কারণ।
তাওহিদের উপর অবিচল থাকা এবং শিরক থেকে দূরে থাকা প্রতিটি মুমিনের জন্য অপরিহার্য কর্তব্য। কারণ, তাওহিদই মুক্তির পথ এবং শিরকই ধ্বংসের কারণ।
আমি কিন্তু তাদের প্রতি জুলুম করি নাই বরং তারা নিজেরাই নিজের উপর অবিচার করেছে। ফলে আল্লাহকে বাদ দিয়ে তারা যেসব মাবুদকে ডাকতো আপনার পালনকর্তার হুকুম যখন এসে পড়ল, তখন কেউ কোন কাজে আসল না। তারা শুধু বিপর্যয়ই বৃদ্ধি করল।
নিশ্চয় ইহার মধ্যে নিদর্শন রয়েছে এমন প্রতিটি মানুষের জন্য যে আখেরাতের আযাবকে ভয় করে। উহা এমন একদিন, যে দিন সব মানুষেই সমবেত হবে, সেদিনটি যে হাযিরের দিন।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।