Qaalat Rusuluhum afillaahi shakkun faatiris samaawaati wal ardi yad`ookum liyaghfira lakum min zunoobikum wa yu`akhkhirakum ilaaa ajalim musam maa; qaaloo in antum illaa basharum mislunaa tureedoona an tasuddoonaa `ammaa kaana ya`budu aabaaa`unaa faatoonaa bisul taanim mubeen
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
তাদের পয়গম্বরগণ বলেছিলেনঃ আল্লাহ সম্পর্কে কি সন্দেহ আছে, যিনি নভোমন্ডল ও ভুমন্ডলের স্রষ্টা? তিনি তোমাদেরকে আহবান করেন যাতে তোমাদের কিছু গুনাহ ক্ষমা করেন এবং নির্দিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত তোমাদের সময় দেন। তারা বলতঃ তোমরা তো আমাদের মতই মানুষ! তোমরা আমাদেরকে ঐ উপাস্য থেকে বিরত রাখতে চাও, যার এবাদত আমাদের পিতৃপুরুষগণ করত। অতএব তোমরা কোন সুস্পষ্ট প্রমাণ আনয়ন কর।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
(तब) उनके पैग़म्बरों ने (उनसे) कहा क्या तुम को ख़ुदा के बारे में शक़ है जो सारे आसमान व ज़मीन का पैदा करने वाला (और) वह तुमको अपनी तरफ बुलाता भी है तो इसलिए कि तुम्हारे गुनाह माफ कर दे और एक वक्त मुक़र्रर तक तुमको (दुनिया में चैन से) रहने दे वह लोग बोल उठे कि तुम भी बस हमारे ही से आदमी हो (अच्छा) अब समझे तुम ये चाहते हो कि जिन माबूदों की हमारे बाप दादा परसतिश करते थे तुम हमको उनसे बाज़ रखो अच्छा अगर तुम सच्चे हो तो कोई साफ खुला हुआ सरीही मौजिज़ा हमे ला दिखाओ
فَاطِرِ অর্থ: সৃষ্টিকর্তা, উদ্ভাবক (যিনি পূর্ব কোনো নমুনা ছাড়া সৃষ্টি করেছেন)।
يُؤَخِّرَكُمْ অর্থ: তিনি তোমাদের অবকাশ দেবেন, বিলম্ব করবেন।
أَجَلٍ مُسَمًّى অর্থ: নির্ধারিত সময়, অর্থাৎ মৃত্যুর নির্ধারিত কাল।
سُلْطَانٍ مُبِينٍ অর্থ: স্পষ্ট প্রমাণ, সুস্পষ্ট যুক্তি বা অলৌকিক নিদর্শন।
তাফসির (ব্যাখ্যা):
যখন কাফির সম্প্রদায় তাদের রাসূলদের প্রতি ঈমান আনার ব্যাপারে সন্দেহ ও আপত্তি প্রকাশ করল, তখন রাসূলগণ তাদের উত্তরে বললেন: “আল্লাহ সম্পর্কে কোনো সন্দেহ আছে কি? তিনি তো আসমান ও জমিনের স্রষ্টা, যিনি এগুলোকে পূর্ব কোনো নমুনা ছাড়াই অস্তিত্বে এনেছেন। তিনি তোমাদেরকে তাঁর প্রতি ঈমান আনার এবং তাওবা করার আহ্বান জানাচ্ছেন, যাতে তিনি তোমাদের পূর্বের গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেন এবং তোমাদেরকে নির্ধারিত সময় (মৃত্যু) পর্যন্ত দুনিয়ায় জীবিত রাখেন, তোমাদেরকে আযাব দিয়ে ধ্বংস করে দেন না।”
কিন্তু তাদের সম্প্রদায়ের লোকেরা জেদ ও অহংকারবশত উত্তর দিল: “তোমরা তো আমাদের মতোই সাধারণ মানুষ, আমাদের ওপর তোমাদের কোনো শ্রেষ্ঠত্ব নেই যা তোমাদেরকে রাসূল হওয়ার যোগ্য করে তুলবে। তোমরা তো চাও যে, আমরা আমাদের পূর্বপুরুষদের পূজিত দেব-দেবী ও মূর্তিগুলোর পূজা ছেড়ে দিই। যদি তোমরা সত্যবাদী হও, তবে আমাদের কাছে এমন একটি স্পষ্ট প্রমাণ বা অলৌকিক নিদর্শন উপস্থাপন কর যা তোমাদের সত্যতা প্রমাণ করে।”
শিক্ষা ও উপদেশ:
আল্লাহর অস্তিত্ব ও একত্ব এতটাই সুস্পষ্ট যে, এতে সন্দেহ করার কোনো অবকাশ নেই। আসমান-জমিনের সৃষ্টি, প্রকৃতির নিয়ম-কানুন এবং মানুষের নিজের সৃষ্টি—সবই আল্লাহর অস্তিত্ব ও ক্ষমতার জ্বলন্ত প্রমাণ।
রাসূলগণ ছিলেন সাধারণ মানুষ, কিন্তু আল্লাহ তাদেরকে বিশেষ মর্যাদা ও ওহি দিয়ে সম্মানিত করেছেন। তাদের প্রতি ঈমান আনা এবং তাদের অনুসরণ করাই মানুষের সাফল্যের পথ।
আল্লাহর আহ্বান হলো ক্ষমা ও রহমতের আহ্বান। তিনি বান্দাদের গুনাহ মাফ করার এবং তাদেরকে আরও সময় দেওয়ার জন্য ঈমানের দিকে ডাকেন। এটি আল্লাহর অশেষ করুণার পরিচয়।
পূর্বপুরুষদের অন্ধ অনুসরণ করা এবং সত্য প্রমাণিত হওয়ার পরও তা না মানা—এটি মানুষের বড় ভুল। সত্যকে যুক্তি ও প্রমাণ দিয়ে যাচাই করা উচিত, শুধু রক্তের সম্পর্ক বা ঐতিহ্যের কারণে ভুল পথে অটল থাকা উচিত নয়।
সত্যের দাওয়াত দিতে গিয়ে রাসূলগণ ধৈর্য ও প্রজ্ঞার সাথে মানুষের সন্দেহ ও আপত্তির উত্তর দিয়েছেন। আমাদেরও উচিত দ্বীনের দাওয়াতের ক্ষেত্রে ধৈর্য ধরা এবং সুন্দর পদ্ধতিতে মানুষকে বোঝানোর চেষ্টা করা।
তাদের পয়গম্বরগণ বলেছিলেনঃ আল্লাহ সম্পর্কে কি সন্দেহ আছে, যিনি নভোমন্ডল ও ভুমন্ডলের স্রষ্টা? তিনি তোমাদেরকে আহবান করেন যাতে তোমাদের কিছু গুনাহ ক্ষমা করেন এবং নির্দিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত তোমাদের সময় দেন। তারা বলতঃ তোমরা তো আমাদের মতই মানুষ! তোমরা আমাদেরকে ঐ উপাস্য থেকে বিরত রাখতে চাও, যার এবাদত আমাদের পিতৃপুরুষগণ করত। অতএব তোমরা কোন সুস্পষ্ট প্রমাণ আনয়ন কর।
তোমাদের কাছে কি তোমাদের পূর্ববর্তী কওমে নূহ, আদ ও সামুদের এবং তাদের পরবর্তীদের খবর পৌছেনি? তাদের বিষয়ে আল্লাহ ছাড়া আর কেউ জানে না। তাদের কাছে তাদের পয়গম্বর প্রমানাদি নিয়ে আগমন করেন। অতঃপর তারা নিজেদের হাত নিজেদের মুখে রেখে দিয়েছে এবং বলেছে, যা কিছু সহ তোমাদেরকে প্রেরণ করা হয়েছে, আমরা তা মানি না এবং যে পথের দিকে তোমরা আমাদেরকে দাওয়াত দাও, সে সম্পর্কে আমাদের মনে সন্দেহ আছে, যা আমাদেরকে উৎকন্ঠায় ফেলে রেখেছে।
তাদের পয়গম্বরগণ বলেছিলেনঃ আল্লাহ সম্পর্কে কি সন্দেহ আছে, যিনি নভোমন্ডল ও ভুমন্ডলের স্রষ্টা? তিনি তোমাদেরকে আহবান করেন যাতে তোমাদের কিছু গুনাহ ক্ষমা করেন এবং নির্দিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত তোমাদের সময় দেন। তারা বলতঃ তোমরা তো আমাদের মতই মানুষ! তোমরা আমাদেরকে ঐ উপাস্য থেকে বিরত রাখতে চাও, যার এবাদত আমাদের পিতৃপুরুষগণ করত। অতএব তোমরা কোন সুস্পষ্ট প্রমাণ আনয়ন কর।
তাদের পয়গম্বর তাদেরকে বলেনঃ আমারাও তোমাদের মত মানুষ, কিন্তু আল্লাহ বান্দাদের মধ্য থেকে যার উপরে ইচ্ছা, অনুগ্রহ করেন। আল্লাহর নির্দেশ ব্যতীত তোমাদের কাছে প্রমাণ নিয়ে আসা আমাদের কাজ নয়; ঈমানদারদের আল্লাহর উপর ভরসা করা চাই।
আমাদের আল্লাহর উপর ভরসা না করার কি কারণ থাকতে পারে, অথচ তিনি আমাদেরকে আমাদের পথ বলে দিয়েছেন। তোমরা আমাদেরকে যে পীড়ন করেছ, তজ্জন্যে আমরা সবর করব। ভরসাকারিগণের আল্লাহর উপরই ভরসা করা উচিত।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।