Wa barazoo lillaahi jamee`an faqaalad du`afaaa`u lillazeenas takbarooo innaa kunnaa lakum taba`an fahal antum mughnoona `annaa min `azaabil laahi min shai`; qaaloo law hadaanal laahu lahadai naakum sawaaa`un `alainaaa ajazi`naa am sabarnaa maa lanaa mim mahees
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
সবাই আল্লাহর সামনে দন্ডায়মান হবে এবং দুর্বলেরা বড়দেরকে বলবেঃ আমরা তো তোমাদের অনুসারী ছিলাম-অতএব, তোমরা আল্লাহর আযাব থেকে আমাদেরকে কিছুমাত্র রক্ষা করবে কি? তারা বলবেঃ যদি আল্লাহ আমাদেরকে সৎপথ দেখাতেন, তবে আমরা অবশ্যই তোমাদের কে সৎপথ দেখাতাম। এখন তো আমাদের ধৈর্য্যচ্যুত হই কিংবা সবর করি-সবই আমাদের জন্যে সমান আমাদের রেহাই নেই।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
और (क़यामत के दिन) लोग सबके सब ख़ुदा के सामने निकल खड़े होगें जो लोग (दुनिया में कमज़ोर थे बड़ी इज्ज़त रखने वालो से (उस वक्त) क़हेंगें कि हम तो बस तुम्हारे क़दम ब क़दम चलने वाले थे तो क्या (आज) तुम ख़ुदा के अज़ाब से कुछ भी हमारे आड़े आ सकते हो वह जवाब देगें काश ख़ुदा हमारी हिदायत करता तो हम भी तुम्हारी हिदायत करते हम ख्वाह बेक़रारी करें ख्वाह सब्र करे (दोनो) हमारे लिए बराबर है (क्योंकि अज़ाब से) हमें तो अब छुटकारा नहीं
কিয়ামতের দিন সমস্ত সৃষ্টিজীব কবর থেকে বের হয়ে আল্লাহ তা‘আলার সামনে উপস্থিত হবে। সবাই তাঁর সামনে দণ্ডায়মান হবে। তখন যারা দুনিয়ায় দুর্বল ও অনুসারী ছিল, তারা তাদের নেতাদের — যারা অহংকার করে ঈমান আনে নি — বলবে: “আমরা তো দুনিয়ায় তোমাদেরই অনুসরণ করতাম, তোমাদের আদেশ-নিষেধ মেনে চলতাম। আজ তোমরা কি আমাদের থেকে আল্লাহর আযাবের কিছু অংশও দূর করতে পারবে? আমরা তো তোমাদের প্রতিশ্রুতির উপর ভরসা করেছিলাম।”
জবাবে সেই অহংকারী নেতারা বলবে: “আল্লাহ যদি আমাদেরকে হিদায়াতের তাওফীক দিতেন, তবে আমরা তোমাদেরকেও সঠিক পথ দেখাতাম। কিন্তু তিনি আমাদেরকে হিদায়াত দেন নি, ফলে আমরা নিজেরা পথভ্রষ্ট হয়েছি এবং তোমাদেরকেও পথভ্রষ্ট করেছি।” তারপর তারা বলবে: “আজ আমাদের জন্য ধৈর্য ধারণ করা আর অস্থিরতা প্রকাশ করা — উভয়ই সমান। কারণ আমরা আযাব থেকে বাঁচার কোনো পথ পাচ্ছি না, কোনো নিষ্কৃতির স্থান নেই।”
অর্থাৎ, দুনিয়ায় নেতারা যেমন অনুসারীদের পথভ্রষ্ট করেছিল, কিয়ামতে তারা কোনো উপকারে আসবে না। বরং তারা নিজেরাও অসহায়। তাদের অজুহাত — “আল্লাহ আমাদের হিদায়াত দেন নি” — সম্পূর্ণ ভুল, কারণ আল্লাহ তো প্রত্যেককে ভালো-মন্দ বোঝার ক্ষমতা দিয়েছিলেন এবং রাসূল পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু তারা নিজেরা অহংকার করে সত্য গ্রহণ করে নি, তাই আজ তাদের কোনো ওজর গ্রহণযোগ্য হবে না।
শিক্ষা ও উপকারিতা:
কিয়ামতের দিন প্রত্যেককে একা একা আল্লাহর সামনে দাঁড়াতে হবে। সেদিন কোনো নেতা, বড় ভাই বা প্রভাবশালী কেউ কারো কাজে আসবে না।
দুনিয়ায় যারা অন্যকে পথভ্রষ্ট করে, তারা কিয়ামতে নিজেদের অক্ষমতা স্বীকার করবে এবং অনুসারীদের কোনো উপকার করতে পারবে না। তাই আমাদের উচিত কারো অন্ধ অনুসরণ না করা, বরং নিজে সত্য যাচাই করে চলা।
হিদায়াত ও পথভ্রষ্টতা আল্লাহর ইচ্ছায় হয়, কিন্তু আল্লাহ কাউকে জোর করে পথভ্রষ্ট করেন না। তিনি রাসূল ও কিতাব পাঠিয়ে পথ দেখিয়েছেন। যারা অহংকার করে সত্য গ্রহণ করে না, তারাই নিজেদের জন্য ধ্বংস ডেকে আনে।
কিয়ামতের আযাব থেকে বাঁচার কোনো উপায় নেই, যদি না কেউ দুনিয়ায় ঈমান ও আমল করে থাকে। তাই আমাদের উচিত এখনই তাওবা করা, সৎকর্ম করা এবং আল্লাহর রহমত কামনা করা।
এই আয়াত আমাদের সতর্ক করে যে, দুনিয়ার ক্ষমতা, পদমর্যাদা বা নেতৃত্ব কিয়ামতে কোনো কাজে আসবে না। বরং সেদিন প্রত্যেকে নিজের আমল অনুযায়ী ফল পাবে। তাই আমাদের উচিত ক্ষমতা ও প্রভাবকে সৎ কাজে ব্যবহার করা, অন্যকে ভালো পথে ডাকা — যাতে কিয়ামতে আমরা লজ্জিত না হই।
সবাই আল্লাহর সামনে দন্ডায়মান হবে এবং দুর্বলেরা বড়দেরকে বলবেঃ আমরা তো তোমাদের অনুসারী ছিলাম-অতএব, তোমরা আল্লাহর আযাব থেকে আমাদেরকে কিছুমাত্র রক্ষা করবে কি? তারা বলবেঃ যদি আল্লাহ আমাদেরকে সৎপথ দেখাতেন, তবে আমরা অবশ্যই তোমাদের কে সৎপথ দেখাতাম। এখন তো আমাদের ধৈর্য্যচ্যুত হই কিংবা সবর করি-সবই আমাদের জন্যে সমান আমাদের রেহাই নেই।
তুমি কি দেখনি যে, আল্লাহ নভোমন্ডল ও ভুমন্ডল যথাবিধি সৃষ্টি করেছেন? যদি তিনি ইচ্ছা করেন, তবে তোমাদেরকে বিলুপ্তিতে নিয়ে যাবেন এবং নতুন সৃষ্টি আনয়ন করবেন।
সবাই আল্লাহর সামনে দন্ডায়মান হবে এবং দুর্বলেরা বড়দেরকে বলবেঃ আমরা তো তোমাদের অনুসারী ছিলাম-অতএব, তোমরা আল্লাহর আযাব থেকে আমাদেরকে কিছুমাত্র রক্ষা করবে কি? তারা বলবেঃ যদি আল্লাহ আমাদেরকে সৎপথ দেখাতেন, তবে আমরা অবশ্যই তোমাদের কে সৎপথ দেখাতাম। এখন তো আমাদের ধৈর্য্যচ্যুত হই কিংবা সবর করি-সবই আমাদের জন্যে সমান আমাদের রেহাই নেই।
যখন সব কাজের ফায়সলা হয়ে যাবে, তখন শয়তান বলবেঃ নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদেরকে সত্য ওয়াদা দিয়েছিলেন এবং আমি তোমাদের সাথে ওয়াদা করেছি, অতঃপর তা ভঙ্গ করেছি। তোমাদের উপর তো আমার কোন ক্ষমতা ছিল না, কিন্তু এতটুকু যে, আমি তোমাদেরকে ডেকেছি, অতঃপর তোমরা আমার কথা মেনে নিয়েছ। অতএব তোমরা আমাকে ভৎর্সনা করো না এবং নিজেদেরকেই ভৎর্সনা কর। আমি তোমাদের উদ্ধারে সাহায্যকারী নই। এবং তোমরাও আমার উদ্ধারে সাহায্যকারী নও। ইতোপূর্বে তোমরা আমাকে যে আল্লাহর শরীক করেছিলে, আমি তা অস্বীকার করি। নিশ্চয় যারা জালেম তাদের জন্যে রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।
এবং যারা বিশ্বাস স্থাপণ করে এবং সৎকর্ম সম্পাদন করে তাদেরকে এমন উদ্যানে প্রবেশ করানো হবে, যার পাদদেশ দিয়ে নির্ঝরিনী সমূহ প্রবাহিত হবে তারা তাতে পালনকর্তার নির্দেশে অনন্তকাল থাকবে। যেখানে তাদের সম্ভাষণ হবে সালাম।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।