Lillazeena yu`loona min nisaaa`ihim tarabbusu arba`ati ashhurin fain faaa`oo fa innal laaha Ghafoorur Raheem
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
যারা নিজেদের স্ত্রীদের নিকট গমন করবেনা বলে কসম খেয়ে বসে তাদের জন্য চার মাসের অবকাশ রয়েছে অতঃপর যদি পারস্পরিক মিল-মিশ করে নেয়, তবে আল্লাহ ক্ষামাকারী দয়ালু।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
जो लोग अपनी बीवियों के पास जाने से क़सम खायें उन के लिए चार महीने की मोहलत है पस अगर (वह अपनी क़सम से उस मुद्दत में बाज़ आए) और उनकी तरफ तवज्जो करें तो बेशक ख़ुदा बड़ा बख्शने वाला मेहरबान है
যারা নিজেদের স্ত্রীদের নিকট গমন করবেনা বলে কসম খেয়ে বসে তাদের জন্য চার মাসের অবকাশ রয়েছে অতঃপর যদি পারস্পরিক মিল-মিশ করে নেয়, তবে আল্লাহ ক্ষামাকারী দয়ালু।
📜
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
يُؤْلُونَ (ইউলূনা): শপথ করা, বিশেষ করে স্ত্রী থেকে দূরে থাকার শপথ।
تَرَبُّصُ (তারাব্বুস): অপেক্ষা করা, প্রতীক্ষা করা।
فَاءُوا (ফাআউ): ফিরে আসা, শপথ থেকে প্রত্যাবর্তন করা (স্ত্রীর কাছে ফিরে যাওয়া)।
তাফসীর (ব্যাখ্যা):
যে সকল স্বামী তাদের স্ত্রীদের সাথে সহবাস না করার শপথ করে, তাদের জন্য নির্ধারিত সময় হলো চার মাস। এই শপথকে ইসলামী পরিভাষায় ‘ইলা’ বলা হয়। অর্থাৎ, স্বামী যদি শপথ করে যে, সে তার স্ত্রীর সাথে দৈহিক সম্পর্ক স্থাপন করবে না, তাহলে তাকে চার মাস পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। এই চার মাসের মধ্যে সে যদি তার শপথ থেকে ফিরে আসে অর্থাৎ স্ত্রীর সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে এবং কাফফারা (শপথ ভঙ্গের প্রায়শ্চিত্ত) আদায় করে, তবে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করবেন। আল্লাহ ক্ষমাশীল ও দয়ালু, তিনি বান্দার ভুল-ত্রুটি ক্ষমা করেন এবং তাদের প্রতি অশেষ mercy বর্ষণ করেন। এই বিধানের মাধ্যমে ইসলাম স্ত্রীর অধিকার রক্ষা করেছে এবং স্বামীকে চার মাসের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ দিয়েছে— হয় সে স্ত্রীর কাছে ফিরে আসবে, নয়তো তালাক দেবে।
শিক্ষা ও উপকারিতা:
ইসলাম নারীদের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষায় অত্যন্ত যত্নশীল। এই বিধান প্রমাণ করে যে, স্বামী স্ত্রীকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ঝুলিয়ে রাখতে পারবে না; একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তাকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
দাম্পত্য জীবনে সমস্যা দেখা দিলে ইসলাম তাৎক্ষণিক বিচ্ছেদের পরিবর্তে ধৈর্য ও চিন্তাভাবনার অবকাশ দেয়। চার মাসের এই সময়টি সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের একটি সুযোগ।
আল্লাহর দরজা সর্বদা তওবা ও ক্ষমার জন্য উন্মুক্ত। মানুষ ভুল করলেও যদি সে ফিরে আসে এবং সংশোধন হয়, তবে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করেন। এটি আল্লাহর অশেষ রহমতের পরিচয়।
এই বিধান শেখায় যে, শপথ বা প্রতিজ্ঞা ভঙ্গ করলে তার কাফফারা আছে, যা একজন মুমিনকে দায়িত্বশীল হতে শেখায় এবং সমাজে শৃঙ্খলা বজায় রাখে।
আর নিজেদের শপথের জন্য আল্লাহর নামকে লক্ষ্যবস্তু বানিও না মানুষের সাথে কোন আচার আচরণ থেকে পরহেযগারী থেকে এবং মানুষের মাঝে মীমাংসা করে দেয়া থেকে বেঁচে থাকার উদ্দেশ্যে। আল্লাহ সবকিছুই শুনেন ও জানেন।
তোমাদের নিরর্থক শপথের জন্য আল্লাহ তোমাদেরকে ধরবেন না, কিন্তু সেসব কসমের ব্যাপারে ধরবেন, তোমাদের মন যার প্রতিজ্ঞা করেছে। আর আল্লাহ হচ্ছেন ক্ষমাকারী ধৈর্য্যশীল।
যারা নিজেদের স্ত্রীদের নিকট গমন করবেনা বলে কসম খেয়ে বসে তাদের জন্য চার মাসের অবকাশ রয়েছে অতঃপর যদি পারস্পরিক মিল-মিশ করে নেয়, তবে আল্লাহ ক্ষামাকারী দয়ালু।
আর তালাকপ্রাপ্তা নারী নিজেকে অপেক্ষায় রাখবে তিন হায়েয পর্যন্ত। আর যদি সে আল্লাহর প্রতি এবং আখেরাত দিবসের উপর ঈমানদার হয়ে থাকে, তাহলে আল্লাহ যা তার জরায়ুতে সৃষ্টি করেছেন তা লুকিয়ে রাখা জায়েজ নয়। আর যদি সদ্ভাব রেখে চলতে চায়, তাহলে তাদেরকে ফিরিয়ে নেবার অধিকার তাদের স্বামীরা সংরক্ষণ করে। আর পুরুষদের যেমন স্ত্রীদের উপর অধিকার রয়েছে, তেমনি ভাবে স্ত্রীদেরও অধিকার রয়েছে পুরুষদের উপর নিয়ম অনুযায়ী। আর নারীরদের ওপর পুরুষদের শ্রেষ্ঠত্ব রয়েছে। আর আল্লাহ হচ্ছে পরাক্রমশালী, বিজ্ঞ।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।