Fasbir `alaa maa yaqooloona wa sabbih bihamdi Rabbika qabla tuloo`ish shamsi wa qabla ghuroobihaa wa min aanaaa`il laili fasbbih wa atraafan nahaari la `allaka tardaa
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
সুতরাং এরা যা বলে সে বিষয়ে ধৈর্য্য ধারণ করুন এবং আপনার পালনকর্তার প্রশংসা পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষনা করুন সূর্যোদয়ের পূর্বে, সূর্যাস্তের পূর্বে এবং পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষনা করুন রাত্রির কিছু অংশ ও দিবাভাগে, সম্ভবতঃ তাতে আপনি সন্তুষ্ট হবেন।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
(ऐ रसूल) जो कुछ ये कुफ्फ़ार बका करते हैं तुम उस पर सब्र करो और आफ़ताब निकलने के क़ब्ल और उसके ग़ुरूब होने के क़ब्ल अपने परवरदिगार की हम्दोसना के साथ तसबीह किया करो और कुछ रात के वक़्तों में और दिन के किनारों में तस्बीह करो ताकि तुम निहाल हो जाओ
آنَاءِ اللَّيْلِ – রাতের বিভিন্ন সময় বা প্রহরগুলো (আনা হলো ‘ইনয়’-এর বহুবচন, অর্থাৎ রাতের কিছু অংশ)।
أَطْرَافَ النَّهَارِ – দিনের দুই প্রান্ত (অর্থাৎ দিনের শুরু ও শেষের দিকের সময়গুলো)।
لَعَلَّكَ تَرْضَى – যাতে তুমি সন্তুষ্ট হয়ে যাও (অর্থাৎ আল্লাহর পক্ষ থেকে যে প্রতিদান ও মর্যাদা দেওয়া হবে তাতে তুমি খুশি হয়ে যাবে)।
তাফসির (ব্যাখ্যা):
হে নবী! যারা তোমাকে মিথ্যা বলছে, তোমার সম্পর্কে অপবাদ ও মন্দ কথা বলছে, তাদের এসব কথার উপর তুমি ধৈর্য ধারণ করো এবং তাদের আচরণে বিচলিত হয়ো না। আর তুমি তোমার রবের প্রশংসার সাথে তাঁর পবিত্রতা ঘোষণা করো (অর্থাৎ নামাজ আদায় করো) — সূর্যোদয়ের আগে (ফজরের নামাজ), সূর্যাস্তের আগে (আসরের নামাজ), রাতের বিভিন্ন প্রহরে (মাগরিব ও এশার নামাজ), এবং দিনের দুই প্রান্তে (যুহর ও মাগরিবের নামাজ)। এইভাবে নামাজের মাধ্যমে তুমি আল্লাহর কাছে সাহায্য ও শক্তি প্রার্থনা করো। কেননা নামাজই হলো ধৈর্য ধারণের সবচেয়ে বড় মাধ্যম। এই নামাজগুলো যথাযথভাবে আদায় করলে আল্লাহ তোমাকে এমন প্রতিদান ও মর্যাদা দেবেন যাতে তুমি সম্পূর্ণ সন্তুষ্ট হয়ে যাবে — দুনিয়াতেও এবং আখিরাতেও।
শিক্ষা ও উপকারিতা:
নবীজি (সা.)-কে যেমন ধৈর্য ধরতে বলা হয়েছে, তেমনি প্রত্যেক মুমিনের উচিত কাফির ও মুনাফিকদের কটু কথার উপর ধৈর্য ধারণ করা এবং প্রতিশোধ নেওয়ার চেয়ে আল্লাহর ওপর ভরসা করা।
নামাজ হলো মুমিনের জন্য ধৈর্য ও সাহসের উৎস। কষ্ট-দুশ্চিন্তায় নামাজের মাধ্যমে আল্লাহর কাছে শক্তি চাওয়া উচিত।
পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের প্রতি ইঙ্গিত করে আল্লাহ আমাদেরকে নিয়মিত নামাজ আদায়ের নির্দেশ দিয়েছেন — ফজর, যুহর, আসর, মাগরিব ও এশা। এতে দিন-রাতের প্রতিটি প্রহরে আল্লাহর স্মরণে থাকা যায়।
নামাজের মাধ্যমে আল্লাহর প্রশংসা ও পবিত্রতা ঘোষণা করা আমাদের অন্তরকে পরিশুদ্ধ করে এবং পার্থিব দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি দেয়।
আল্লাহর ওয়াদা পূর্ণ — যে ব্যক্তি ধৈর্য ধারণ করবে এবং নামাজের মাধ্যমে আল্লাহর সাথে সম্পর্ক মজবুত করবে, আল্লাহ তাকে এমন নেয়ামত দেবেন যাতে সে সম্পূর্ণ সন্তুষ্ট হয়ে যাবে। এটি মুমিনের জন্য এক মহা সুসংবাদ।
সুতরাং এরা যা বলে সে বিষয়ে ধৈর্য্য ধারণ করুন এবং আপনার পালনকর্তার প্রশংসা পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষনা করুন সূর্যোদয়ের পূর্বে, সূর্যাস্তের পূর্বে এবং পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষনা করুন রাত্রির কিছু অংশ ও দিবাভাগে, সম্ভবতঃ তাতে আপনি সন্তুষ্ট হবেন।
আমি এদের পূর্বে অনেক সম্প্রদায়কে ধবংস করেছি। যাদের বাসভুমিতে এরা বিচরণ করে, এটা কি এদেরকে সৎপথ প্রদর্শন করল না? নিশ্চয় এতে বুদ্ধিমানদের জন্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে।
সুতরাং এরা যা বলে সে বিষয়ে ধৈর্য্য ধারণ করুন এবং আপনার পালনকর্তার প্রশংসা পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষনা করুন সূর্যোদয়ের পূর্বে, সূর্যাস্তের পূর্বে এবং পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষনা করুন রাত্রির কিছু অংশ ও দিবাভাগে, সম্ভবতঃ তাতে আপনি সন্তুষ্ট হবেন।
আমি এদের বিভিন্ন প্রকার লোককে পরীক্ষা করার জন্যে পার্থিবজীবনের সৌন্দর্য স্বরূপ ভোগ-বিলাসের যে উপকরণ দিয়েছি, আপনি সেই সব বস্তুর প্রতি দৃষ্টি নিক্ষেপ করবেন না। আপনার পালনকর্তার দেয়া রিযিক উৎকৃষ্ট ও অধিক স্থায়ী।
আপনি আপনার পরিবারের লোকদেরকে নামাযের আদেশ দিন এবং নিজেও এর ওপর অবিচল থাকুন। আমি আপনার কাছে কোন রিযিক চাই না। আমি আপনাকে রিযিক দেই এবং আল্লাহ ভীরুতার পরিণাম শুভ।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।