আল-আম্বিয়া · 40/112
অনুবাদ উচ্চারণ — সূরা আল-আম্বিয়া
بَلْ تَأْتِيهِم بَغْتَةً فَتَبْهَتُهُمْ فَلَا يَسْتَطِيعُونَ رَدَّهَا وَلَا هُمْ يُنظَرُونَ ۝٤٠
Bal taateehim baghtatan fatabhatuhum falaa yastatee`oona raddahaa wa laa hum yunzaroon
📖 বাংলা অর্থ
বরং তা আসবে তাদের উপর অতর্কিত ভাবে, অতঃপর তাদেরকে তা হতবুদ্ধি করে দেবে, তখন তারা তা রোধ করতেও পারবে না এবং তাদেরকে অবকাশও দেয়া হবে না।

M Mishary Rashid Alafasy ✓
M Mahmoud Khalil Al-Husary ✓
A Abdurrahman As-Sudais ✓
M Mohamed Siddiq Al-Minshawi ✓
A Abdul Basit Abdul Samad ✓
A Ali Al-Hudhaify ✓
A Ahmed ibn Ali al-Ajamy ✓
A Abu Bakr Ash-Shaatree ✓
M Muhammad Ayyoub ✓
A Abdullah Basfar ✓
A Abdullah Al-Juhani ✓
M Maher Al Muaiqly ✓
0:00
0:00
📜

অনুবাদ — Tafsir

بَلْ تَأْتِيهِم بَغْتَةً فَتَبْهَتُهُمْ فَلَا يَسْتَطِيعُونَ رَدَّهَا وَلَا هُمْ يُنظَرُونَ

معاني الكلمات:

  • بَغْتَةً: হঠাৎ করে, কোনো পূর্বাভাস ছাড়া।
  • فَتَبْهَتُهُمْ: তাদেরকে হতবুদ্ধি করে দেবে, তারা স্তম্ভিত হয়ে যাবে।
  • رَدَّهَا: তা প্রতিরোধ করা বা দূর করা।
  • يُنظَرُونَ: তাদেরকে অবকাশ দেওয়া হবে, সময় দেওয়া হবে।

তাফসির (ব্যাখ্যা):

কাফিররা যখন কেয়ামত বা আযাবের কথা শুনে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করে এবং তা দ্রুত আনার দাবি করে, তখন আল্লাহ তা‘আলা বলেন— প্রকৃত ব্যাপার হলো, এই আযাব বা কেয়ামত তাদের কাছে এমনভাবে আসবে যে, তারা তা সম্পর্কে আগে থেকে কিছুই জানতে পারবে না। এটি হঠাৎ করেই তাদের উপর আপতিত হবে এবং তাদেরকে সম্পূর্ণ হতবুদ্ধি করে দেবে। তারা চিন্তা করার, বুঝে ওঠার বা কোনো ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগই পাবে না। তখন তারা সেই আযাবকে নিজেদের থেকে দূর করার কোনো ক্ষমতাই রাখবে না— না নিজের শক্তি দিয়ে, না অন্য কারো সাহায্য নিয়ে। আর তাদেরকে এতটুকু অবকাশও দেওয়া হবে না যে, তারা তওবা করে নেবে, ক্ষমা চাইবে বা কোনো ওজর-আপত্তি পেশ করবে। অর্থাৎ, আযাব এতটাই আকস্মিক ও চূড়ান্ত হবে যে, সেখানে কোনো রেহাই বা সুযোগের অবকাশই থাকবে না।

ফায়েদা (শিক্ষা ও উপকারিতা):

  1. আল্লাহ তা‘আলার আযাব ও কেয়ামতের আগমন অত্যন্ত আকস্মিক। তাই প্রতিটি মুমিনের উচিত সর্বদা প্রস্তুত থাকা এবং গাফেল না হওয়া।
  2. দুনিয়ার জীবনে আল্লাহর পক্ষ থেকে তওবা ও ক্ষমা প্রার্থনার যে সুযোগ দেওয়া হয়েছে, তা অত্যন্ত মূল্যবান। মৃত্যু বা আযাব আসার আগেই আমাদের এই সুযোগের সদ্ব্যবহার করা উচিত।
  3. আযাব বা বিপদ এলে মানুষের কোনো শক্তিই তা ঠেকাতে পারে না। তাই আমাদের উচিত আল্লাহর উপর ভরসা করা এবং তাঁর আদেশ-নিষেধ মেনে চলা।
  4. কেয়ামত বা আযাব নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করা অত্যন্ত মারাত্মক অপরাধ। এর পরিণাম অত্যন্ত ভয়াবহ।
  5. এই আয়াত আমাদের সতর্ক করে যে, আল্লাহর শাস্তি থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় হলো— দুনিয়ায় থাকতেই ঈমান আনা, তওবা করা এবং সৎকর্ম করা।


📜 আয়াত 38-42 — সূরা আল-আম্বিয়া

38وَيَقُولُونَ مَتَىٰ هَٰذَا الْوَعْدُ إِن كُنتُمْ صَادِقِينَ
এবং তারা বলেঃ যদি তোমরা সত্যবাদী হও তবে এই ওয়াদা কবে পুর্ণ হবে?
39لَوْ يَعْلَمُ الَّذِينَ كَفَرُوا حِينَ لَا يَكُفُّونَ عَن وُجُوهِهِمُ النَّارَ وَلَا عَن ظُهُورِهِمْ وَلَا هُمْ يُنصَرُونَ
যদি কাফেররা ঐ সময়টি জানত, যখন তারা তাদের সম্মুখ ও পৃষ্ঠদেশ থেকে অগ্নি প্রতিরোধ করতে পারবে না এবং তারা সাহায্য প্রাপ্ত হবে না।
40بَلْ تَأْتِيهِم بَغْتَةً فَتَبْهَتُهُمْ فَلَا يَسْتَطِيعُونَ رَدَّهَا وَلَا هُمْ يُنظَرُونَ
বরং তা আসবে তাদের উপর অতর্কিত ভাবে, অতঃপর তাদেরকে তা হতবুদ্ধি করে দেবে, তখন তারা তা রোধ করতেও পারবে না এবং তাদেরকে অবকাশও দেয়া হবে না।
41وَلَقَدِ اسْتُهْزِئَ بِرُسُلٍ مِّن قَبْلِكَ فَحَاقَ بِالَّذِينَ سَخِرُوا مِنْهُم مَّا كَانُوا بِهِ يَسْتَهْزِئُونَ
আপনার পূর্বেও অনেক রাসূলের সাথে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করা হয়েছে। অতঃপর যে বিষয়ে তারা ঠাট্টা করত তা উল্টো ঠাট্টাকারীদের উপরই আপতিত হয়েছে।
42قُلْ مَن يَكْلَؤُكُم بِاللَّيْلِ وَالنَّهَارِ مِنَ الرَّحْمَٰنِ ۗ بَلْ هُمْ عَن ذِكْرِ رَبِّهِم مُّعْرِضُونَ
বলুনঃ ‘রহমান’ থেকে কে তোমাদেরকে হেফাযত করবে রাত্রে ও দিনে। বরং তারা তাদের পালনকর্তার স্মরণ থেকে মুখ ফিরিয়ে রাখে।
আল-আম্বিয়াকুরআন সূচী
112আয়াত
মাক্কীঅবতরণস্থান
40আয়াত

অনুবাদ — আল-আম্বিয়া 40

সূরা আল-আম্বিয়া আয়াত 40 - পড়ুন, শুনুন, অনুবাদ, বাংলা : বরং তা আসবে তাদের উপর অতর্কিত ভাবে, অতঃপর তাদেরকে তা…

সূরা আয়াত 40/112 — সূরা আল-আম্বিয়া الأنبياء (মাক্কী). পড়ুন শুনুন অনুবাদ (বাংলা). শুনুন: সূরা আল-আম্বিয়া শুনুন, সূরা আল-আম্বিয়া অনুবাদ, সূরা আল-আম্বিয়া mp3, সূরা আল-আম্বিয়া pdf. আয়াত 38–42. বাংলা অর্থ: हिन्दी.





পবিত্র কুরআন


Wednesday, September 30, 2026

আপনার নেক দোয়ায় আমাদের ভুলে যাবেন না