Uzina lillazeena yuqaataloona bi annahum zulimoo; wa innal laaha `alaa nasrihim la Qaderr
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
যুদ্ধে অনুমতি দেয়া হল তাদেরকে যাদের সাথে কাফেররা যুদ্ধ করে; কারণ তাদের প্রতি অত্যাচার করা হয়েছে। আল্লাহ তাদেরকে সাহায্য করতে অবশ্যই সক্ষম।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
जिन (मुसलमानों) से (कुफ्फ़ार) लड़ते थे चूँकि वह (बहुत) सताए गए उस वजह से उन्हें भी (जिहाद) की इजाज़त दे दी गई और खुदा तो उन लोगों की मदद पर यक़ीनन क़ादिर (वत वाना) है
যুদ্ধে অনুমতি দেয়া হল তাদেরকে যাদের সাথে কাফেররা যুদ্ধ করে; কারণ তাদের প্রতি অত্যাচার করা হয়েছে। আল্লাহ তাদেরকে সাহায্য করতে অবশ্যই সক্ষম।
📜
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
أُذِنَ — অনুমতি দেওয়া হলো।
يُقَاتَلُونَ — যাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা হচ্ছে (অর্থাৎ মুসলিমরা)।
ظُلِمُوا — তাদের ওপর অত্যাচার/জুলুম করা হয়েছে।
لَقَدِيرٌ — নিশ্চয়ই সর্বশক্তিমান।
তাফসীর (ব্যাখ্যা):
ইসলামের প্রাথমিক যুগে মুসলিমদেরকে কাফিরদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছিল এবং তাদেরকে ধৈর্য ধারণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু মক্কায় মুশরিকদের অত্যাচার যখন চরমে পৌঁছে গেল এবং রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মদিনায় হিজরত করার পর ইসলামের জন্য একটি শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি হলো, তখন আল্লাহ তাআলা মুসলিমদেরকে যুদ্ধের অনুমতি দিলেন। এই অনুমতির কারণ হলো—তারা অত্যাচারিত হয়েছে, তাদের ওপর জুলুম করা হয়েছে, তাদেরকে তাদের ঘর-বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে এবং তাদের ধর্ম পালনে বাধা সৃষ্টি করা হয়েছে।
আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করছেন যে, তিনি তাদের সাহায্য করতে সম্পূর্ণ সক্ষম। তিনি চাইলে যুদ্ধ ছাড়াই তাদের শত্রুদের পরাজিত করতে পারতেন, কিন্তু তাঁর প্রজ্ঞা ও হিকমতের কারণে তিনি মুসলিমদেরকে পরীক্ষা করার জন্য যুদ্ধের আদেশ দিয়েছেন, যাতে তারা সত্যের পথে তাদের ঈমান, সাহস ও ত্যাগের প্রমাণ দিতে পারে। এটি ছিল ইসলামের ইতিহাসে জিহাদের প্রথম অনুমতি, যা মুসলিমদের জন্য বিজয় ও শক্তির সূচনা করে।
ফায়দা (শিক্ষা ও উপদেশ):
আল্লাহ তাআলা অত্যাচারিত ও নিপীড়িতদের পক্ষে আছেন এবং তিনি তাদের সাহায্য করার ক্ষমতা রাখেন। তাই মুমিনের উচিত অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো এবং আল্লাহর ওপর ভরসা রাখা।
জুলুমের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ইসলামের একটি মৌলিক শিক্ষা। তবে যুদ্ধের অনুমতি শুধুমাত্র আত্মরক্ষা ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য, অন্যায়ভাবে কাউকে আক্রমণ করার জন্য নয়।
আল্লাহর সাহায্য কখনো কখনো বিলম্বিত হয়, কিন্তু তা কখনো ব্যর্থ হয় না। মুমিনের কর্তব্য ধৈর্য ধারণ করা এবং আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা রাখা।
এই আয়াত থেকে আমরা শিখি যে, দুর্বল অবস্থায় ধৈর্য ও কৌশল অবলম্বন করা এবং শক্তিশালী অবস্থায় ন্যায়ের পক্ষে রুখে দাঁড়ানো—উভয়টিই ইসলামের নির্দেশনা। আল্লাহর বিধান যুগ ও পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রজ্ঞাপূর্ণ।
এগুলোর গোশত ও রক্ত আল্লাহর কাছে পৌঁছে না, কিন্তু পৌঁছে তাঁর কাছে তোমাদের মনের তাকওয়া। এমনিভাবে তিনি এগুলোকে তোমাদের বশ করে দিয়েছেন, যাতে তোমরা আল্লাহর মহত্ত্ব ঘোষণা কর এ কারণে যে, তিনি তোমাদের পথ প্রদর্শন করেছেন। সুতরাং সৎকর্মশীলদের সুসংবাদ শুনিয়ে দিন।
যাদেরকে তাদের ঘর-বাড়ী থেকে অন্যায়ভাবে বহিস্কার করা হয়েছে শুধু এই অপরাধে যে, তারা বলে আমাদের পালনকর্তা আল্লাহ। আল্লাহ যদি মানবজাতির একদলকে অপর দল দ্বারা প্রতিহত না করতেন, তবে (খ্রীষ্টানদের) নির্ঝন গির্জা, এবাদত খানা, (ইহুদীদের) উপাসনালয় এবং মসজিদসমূহ বিধ্বস্ত হয়ে যেত, যেগুলাতে আল্লাহর নাম অধিক স্মরণ করা হয়। আল্লাহ নিশ্চয়ই তাদেরকে সাহায্য করবেন, যারা আল্লাহর সাহায্য করে। নিশ্চয়ই আল্লাহ পরাক্রমশালী শক্তিধর।
তারা এমন লোক যাদেরকে আমি পৃথিবীতে শক্তি-সামর্থ?2470;ান করলে তারা নামায কায়েম করবে, যাকাত দেবে এবং সৎকাজে আদেশ ও অসৎকাজে নিষেধ করবে। প্রত্যেক কর্মের পরিণাম আল্লাহর এখতিয়ারভূক্ত।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।