Wa ya`budoona min doonil laahi maa lam yunazzil bihee sultaananw wa maa laisa lahum bihee `ilm; wa maa lizzaalimeena min naseer
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
তারা আল্লাহর পরিবর্তে এমন কিছুর পূজা করে, যার কোন সনদ নাযিল করা হয়নি এবং সে সম্পর্কে তাদের কোন জ্ঞান নেই। বস্তুতঃ জালেমদের কোন সাহায্যকারী নেই।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
बेशक ये (सब कुछ) खुदा पर आसान है और ये लोग खुदा को छोड़कर उन लोगों की इबादत करते हैं जिनके लिए न तो ख़ुदा ही ने कोई सनद नाज़िल की है और न उस (के हक़ होने) का खुद उन्हें इल्म है और क़यामत में तो ज़ालिमों का कोई मददगार भी नहीं होगा
তারা আল্লাহর পরিবর্তে এমন কিছুর পূজা করে, যার কোন সনদ নাযিল করা হয়নি এবং সে সম্পর্কে তাদের কোন জ্ঞান নেই। বস্তুতঃ জালেমদের কোন সাহায্যকারী নেই।
📜
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
সুলতান: প্রমাণ, দলিল, যুক্তি।
যালিম: এখানে মুশরিক (যারা আল্লাহর সাথে শরিক করে)।
নাসির: সাহায্যকারী, রক্ষাকারী।
তাফসির:
এই আয়াতে আল্লাহ তাআলা মুশরিকদের অবস্থা বর্ণনা করেছেন যারা আল্লাহকে বাদ দিয়ে এমন বস্তুর ইবাদত করে, যার ইবাদতের কোনো বৈধতা আল্লাহর পক্ষ থেকে অবতীর্ণ কোনো কিতাবে প্রমাণিত নয়। অর্থাৎ, তারা এমন মাবুদদের পূজা করে যাদের উপাস্য হওয়ার পক্ষে আল্লাহ কোনো দলিল-প্রমাণ পাঠাননি। তাছাড়া তাদের নিজেদের কাছেও এসব মাবুদ সম্পর্কে কোনো জ্ঞান বা বুদ্ধিভিত্তিক যুক্তি নেই; বরং তারা শুধু অন্ধভাবে পূর্বপুরুষদের অনুসরণ করছে। তারা নিজেরাই জানে না যে, এই পাথর বা মূর্তিগুলো কীভাবে তাদের উপকার বা অপকার করতে পারে। অথচ তারা এগুলোকেই আল্লাহর সাথে শরিক করে রেখেছে।
আল্লাহ তাআলা আরও বলেন, এই যালিমদের (মুশরিকদের) জন্য কোনো সাহায্যকারী নেই। অর্থাৎ, কিয়ামতের দিন বা দুনিয়াতেও যখন তাদের উপর আল্লাহর আযাব আসবে, তখন তাদেরকে রক্ষা করার জন্য কেউ থাকবে না। তাদের উপাস্য দেব-দেবীরাও তাদের কোনো কাজে আসবে না, বরং তারা নিজেরাই তখন তাদের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। সুতরাং তাদের পরিণতি হবে অত্যন্ত ভয়াবহ ও শোচনীয়।
শিক্ষা ও উপদেশ:
ইবাদত একমাত্র আল্লাহর জন্যই সংরক্ষিত। কোনো বস্তু বা ব্যক্তিকে ইবাদতের যোগ্য মনে করার পূর্বশর্ত হলো আল্লাহর পক্ষ থেকে স্পষ্ট দলিল থাকা। দলিল ছাড়া কোনো ইবাদতই গ্রহণযোগ্য নয়।
অন্ধ অনুসরণ ও কুসংস্কার মানুষকে সত্য থেকে দূরে সরিয়ে দেয় এবং শিরকের মতো জঘন্য পাপে নিমজ্জিত করে। তাই সত্য জানার জন্য কুরআন-সুন্নাহর জ্ঞান অর্জন করা প্রত্যেক মুসলিমের কর্তব্য।
আল্লাহর অবাধ্য ও যালিমদের জন্য এ জগতে বা পরকালে কোনো প্রকৃত সাহায্যকারী নেই। যে ব্যক্তি আল্লাহকে ছেড়ে অন্য কিছুর উপর ভরসা করে, সে চরম ক্ষতির সম্মুখীন হবে।
এই আয়াত আমাদেরকে তাওহিদের উপর অটল থাকার এবং শিরক ও কুসংস্কার থেকে দূরে থাকার প্রেরণা দেয়। যে ব্যক্তি একমাত্র আল্লাহর উপর ভরসা করে, আল্লাহই তার জন্য যথেষ্ট এবং তিনিই তাকে সকল বিপদ থেকে রক্ষা করেন।
যখন তাদের কাছে আমার সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ আবৃত্তি করা হয়, তখন তুমি কাফেরদের চোখে মুখে অসন্তোষের লক্ষণ প্রত্যক্ষ করতে পারবে। যারা তাদের কাছে আমার আয়াত সমূহ পাঠ করে, তারা তাদের প্রতি মার মুখো হয়ে উঠে। বলুন, আমি কি তোমাদেরকে তদপেক্ষা মন্দ কিছুর সংবাদ দেব? তা আগুন; আল্লাহ কাফেরদেরকে এর ওয়াদা দিয়েছেন। এটা কতই না নিকৃষ্ট প্রত্যাবর্তনস্থল।
হে লোক সকল! একটি উপমা বর্ণনা করা হলো, অতএব তোমরা তা মনোযোগ দিয়ে শোন; তোমরা আল্লাহর পরিবর্তে যাদের পূজা কর, তারা কখনও একটি মাছি সৃষ্টি করতে পারবে না, যদিও তারা সকলে একত্রিত হয়। আর মাছি যদি তাদের কাছ থেকে কোন কিছু ছিনিয়ে নেয়, তবে তারা তার কাছ থেকে তা উদ্ধার করতে পারবে না, প্রার্থনাকারী ও যার কাছে প্রার্থনা করা হয়, উভয়েই শক্তিহীন।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।