Innal lazeena kafaroo wa maatoo wa hum kuffaarun falany yuqbala min ahadihim mil`ul ardi zahabanw wa lawiftadaa bih; ulaaa `ika lahum `azaabun aleemunw wa maa lahum min naasireen
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
যদি সারা পৃথিবী পরিমাণ স্বর্ণও তার পরিবর্তে দেয়া হয়, তবুও যারা কাফের হয়েছে এবং কাফের অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছে তাদের তওবা কবুল করা হবে না। তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক আযাব! পক্ষান্তরে তাদের কোনই সাহায্যকারী নেই।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
बेशक जिन लोगों ने कुफ़्र इख्तियार किया और कुफ़्र की हालत में मर गये तो अगरचे इतना सोना भी किसी की गुलू ख़लासी (छुटकारा पाने) में दिया जाए कि ज़मीन भर जाए तो भी हरगिज़ न कुबूल किया जाएगा यही लोग हैं जिनके लिए दर्दनाक अज़ाब होगा और उनका कोई मददगार भी न होगा
যদি সারা পৃথিবী পরিমাণ স্বর্ণও তার পরিবর্তে দেয়া হয়, তবুও যারা কাফের হয়েছে এবং কাফের অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছে তাদের তওবা কবুল করা হবে না। তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক আযাব! পক্ষান্তরে তাদের কোনই সাহায্যকারী নেই।
📜
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
مِلْءُ الْأَرْضِ – সমগ্র পৃথিবী পরিমাণ (পৃথিবীর পূর্ব থেকে পশ্চিম পর্যন্ত যা কিছু পূর্ণ করতে পারে)।
ذَهَبًا – স্বর্ণ।
وَإِنِ افْتَدَى بِهِ – যদিও সে এর বিনিময়ে নিজেকে মুক্ত করার চেষ্টা করে।
عَذَابٌ أَلِيمٌ – যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।
نَاصِرِينَ – সাহায্যকারী/উদ্ধারকারী।
তাফসীর:
যারা কুফরী করেছে (অর্থাৎ, রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর নবুওয়াত অস্বীকার করেছে) এবং কুফরী অবস্থাতেই মৃত্যুবরণ করেছে, কিয়ামতের দিন তাদের কারো কাছ থেকে কোনো প্রকার ক্ষতিপূরণ বা ফিদইয়া গ্রহণ করা হবে না। এমনকি যদি তারা সমগ্র পৃথিবী পরিমাণ স্বর্ণও ফিদইয়া হিসেবে পেশ করে, তবুও তা কবুল করা হবে না। কারণ, ঈমান ও তাওহীদের উপর মৃত্যুবরণ করাই হলো মুক্তির একমাত্র পথ; কুফরী অবস্থায় মৃত্যুর পর আর কোনো কাজে আসবে না। এই ধরনের লোকদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি, এবং কিয়ামতের দিন তাদের কোনো সাহায্যকারী থাকবে না, যে তাদেরকে আল্লাহর শাস্তি থেকে রক্ষা করতে পারবে। এই আয়াতটি প্রমাণ করে যে, কুফরী অবস্থায় মৃত্যু হলে কোনো প্রকার বাহ্যিক আমল, ধন-সম্পদ বা ত্যাগই আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না।
শিক্ষা ও উপদেশ:
ঈমানের উপর অটল থাকা এবং কুফরী অবস্থায় মৃত্যুবরণ করা থেকে বেঁচে থাকা প্রতিটি মুমিনের জন্য সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কারণ, মৃত্যুর পর আর কোনো সুযোগ নেই।
আল্লাহর রহমত ও ক্ষমা পাওয়ার একমাত্র পথ হলো ঈমান ও সৎকর্ম। দুনিয়ার কোনো সম্পদ, ক্ষমতা বা বংশমর্যাদা আখিরাতে কোনো কাজে আসবে না।
এই আয়াত আমাদের শেখায় যে, জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে ঈমানকে শক্তিশালী রাখতে হবে এবং মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত তাওবা ও ইস্তিগফার চালিয়ে যেতে হবে, যেন আমরা মুমিন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করতে পারি।
কুফরী ও শিরকের ভয়াবহ পরিণতি সম্পর্কে সতর্ক করে এই আয়াত, যাতে মানুষ দুনিয়ার মোহে পড়ে নিজের আখিরাত ধ্বংস না করে।
আল্লাহর শাস্তি থেকে বাঁচার জন্য কোনো বাহ্যিক উপায় নেই; একমাত্র তাঁরই দিকে ফিরে আসা এবং তাঁর আদেশ-নিষেধ মেনে চলাই হলো প্রকৃত মুক্তির পথ।
যদি সারা পৃথিবী পরিমাণ স্বর্ণও তার পরিবর্তে দেয়া হয়, তবুও যারা কাফের হয়েছে এবং কাফের অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছে তাদের তওবা কবুল করা হবে না। তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক আযাব! পক্ষান্তরে তাদের কোনই সাহায্যকারী নেই।
তওরাত নাযিল হওয়ার পূর্বে ইয়াকুব যেগুলো নিজেদের জন্য হারাম করে নিয়েছিলেন, সেগুলো ব্যতীত সমস্ত আহার্য বস্তুই বনী-ইসরায়ীলদের জন্য হালাল ছিল। তুমি বলে দাও, তোমরা যদি সত্যবাদী হয়ে থাক। তাহলে তওরাত নিয়ে এসো এবং তা পাঠ কর।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।