Mishary Rashid Alafasy
✓
Mahmoud Khalil Al-Husary
✓
Abdurrahman As-Sudais
✓
Mohamed Siddiq Al-Minshawi
✓
Abdul Basit Abdul Samad
✓
Ali Al-Hudhaify
✓
Ahmed ibn Ali al-Ajamy
✓
Abu Bakr Ash-Shaatree
✓
Muhammad Ayyoub
✓
Abdullah Basfar
✓
Abdullah Al-Juhani
✓
Maher Al Muaiqly
✓
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
- اللَّذَانِ — যারা দু’জন (পুরুষ ও নারী)।
- يَأْتِيَانِهَا — তা করে (অর্থাৎ অশ্লীল/ব্যভিচার কাজে লিপ্ত হয়)।
- فَآذُوهُمَا — তাদের দু’জনকে কষ্ট দিন (শাস্তি দিন)।
- تَابَا — তারা তওবা করে (অপরাধ থেকে ফিরে আসে)।
- أَصْلَحَا — নিজেদের কাজ-কর্ম সংশোধন করে নেয়।
- فَأَعْرِضُوا عَنْهُمَا — তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নাও (তাদের বিরক্ত করা বন্ধ করো)।
- تَوَّابًا — তওবা কবুলকারী।
- رَّحِيمًا — পরম দয়ালু।
তাফসীর:
এই আয়াতে আল্লাহ তাআলা মুসলিম সমাজের সেই দুই ব্যক্তির কথা বলেছেন—পুরুষ হোক বা নারী—যারা নারী-পুরুষের মধ্যে অশ্লীল ও ব্যভিচারমূলক কাজে লিপ্ত হয়। তাদের শাস্তি হিসেবে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, তাদেরকে কষ্ট দেওয়া হবে—অর্থাৎ মৌখিকভাবে তিরস্কার করা, ভর্ৎসনা করা, এবং প্রয়োজনে শারীরিকভাবে আঘাত করা বা সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন রাখা, যাতে তারা লজ্জিত হয় এবং এই কাজ থেকে বিরত থাকে।
কিন্তু যদি তারা এই পাপ কাজ থেকে তওবা করে এবং নিজেদের আমল-আখলাক সংশোধন করে নেয়, তাহলে তাদেরকে আর কষ্ট দেওয়া যাবে না, তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে হবে, অর্থাৎ তাদের বিরক্ত করা বন্ধ করতে হবে এবং তাদেরকে সমাজে স্বাভাবিকভাবে মেনে নিতে হবে। কারণ যে ব্যক্তি পাপ থেকে তওবা করে, সে যেন পাপ করেনি। আল্লাহ তাআলা তওবাকারীদের প্রতি অত্যন্ত দয়ালু এবং তাদের তওবা কবুল করেন।
এটি ছিল ইসলামের প্রাথমিক যুগের বিধান। পরবর্তীতে আল্লাহ তাআলা পূর্ণাঙ্গ শাস্তি নির্ধারণ করেন—অবিবাহিত (কুমার/কুমারী) ব্যক্তির জন্য একশো বেত্রাঘাত এবং এক বছরের জন্য নির্বাসন, আর বিবাহিত (মুহসান/মুহসানা) ব্যক্তির জন্য পাথর মেরে হত্যা (রজম)। এই বিধান কুরআন ও সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত।
শিক্ষা ও উপদেশ:
- ইসলাম পাপকে ঘৃণা করে, কিন্তু পাপীকে চিরতরে বর্জন করে না। পাপী যদি তওবা করে, তবে তাকে সুযোগ দেওয়া হয় এবং সমাজে ফিরিয়ে নেওয়া হয়। এটি ইসলামের সহানুভূতিশীল দিক।
- তওবার দরজা সবার জন্য খোলা। আল্লাহ তাআলা চান তাঁর বান্দারা তাঁর কাছে ফিরে আসুক, তিনি তাদেরকে ক্ষমা করবেন। এটি মুমিনের জন্য সবচেয়ে বড় সান্ত্বনা।
- সমাজে অন্যায় ও অশ্লীলতা ছড়িয়ে পড়লে তা প্রতিরোধ করা প্রত্যেক মুসলিমের দায়িত্ব। তবে শাস্তি দেওয়ার ক্ষেত্রে ইসলাম ধাপে ধাপে পদ্ধতি অবলম্বন করেছে এবং পরবর্তীতে স্পষ্ট বিধান দিয়েছে।
- ইসলামের বিধান সময়ের সাথে সাথে পরিপূর্ণতা লাভ করেছে। প্রাথমিক যুগের নমনীয় শাস্তি পরে কঠোর ও সুনির্দিষ্ট হয়েছে, যা সমাজের কল্যাণ ও পবিত্রতা রক্ষার জন্য অপরিহার্য।
- এই আয়াত থেকে আমরা শিখি—ভুল করা মানুষের স্বভাব, কিন্তু ভুলের উপর অটল থাকা উচিত নয়। তওবা ও সংশোধনই হলো প্রকৃত সফলতার পথ।
📜 আয়াত 14-18 — সূরা আন-নিসা
অনুবাদ — আন-নিসা 16
সূরা আন-নিসা আয়াত 16 - পড়ুন, শুনুন, অনুবাদ, বাংলা : তোমাদের মধ্য থেকে যে দু’জন সেই কুকর্মে লিপ্ত হয়, তাদেরকে…সূরা আয়াত 16/176 — সূরা আন-নিসা النساء (মাদানী). পড়ুন শুনুন অনুবাদ (বাংলা). শুনুন: সূরা আন-নিসা শুনুন, সূরা আন-নিসা অনুবাদ, সূরা আন-নিসা mp3, সূরা আন-নিসা pdf. আয়াত 14–18. বাংলা অর্থ: हिन्दी.
সূরা আন-নিসা
পবিত্র কুরআন
Tuesday, September 29, 2026
আপনার নেক দোয়ায় আমাদের ভুলে যাবেন না


