Wa maa kanal laahu liyu`az zibahum wa anta feehim; wa maa kaanal laahu mu`az zibahum wa hum yastaghfiroon
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
অথচ আল্লাহ কখনই তাদের উপর আযাব নাযিল করবেন না যতক্ষণ আপনি তাদের মাঝে অবস্থান করবেন। তাছাড়া তারা যতক্ষণ ক্ষমা প্রার্থনা করতে থাকবে আল্লাহ কখনও তাদের উপর আযাব দেবেন না।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
हालॉकि जब तक तुम उनके दरमियान मौजूद हो ख़ुदा उन पर अज़ाब नहीं करेगा और अल्लाह ऐसा भी नही कि लोग तो उससे अपने गुनाहो की माफी माँग रहे हैं और ख़ुदा उन पर नाज़िल फरमाए
অথচ আল্লাহ কখনই তাদের উপর আযাব নাযিল করবেন না যতক্ষণ আপনি তাদের মাঝে অবস্থান করবেন। তাছাড়া তারা যতক্ষণ ক্ষমা প্রার্থনা করতে থাকবে আল্লাহ কখনও তাদের উপর আযাব দেবেন না।
📜
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
لِيُعَذِّبَهُمْ — তাদের শাস্তি দিতে।
وَأَنتَ فِيهِمْ — আর আপনি (হে নবী) তাদের মধ্যে বিদ্যমান।
يَسْتَغْفِرُونَ — তারা ক্ষমা প্রার্থনা করে।
তাফসীর:
আল্লাহ তাআলা তাঁর রাসূল ﷺ-কে সান্ত্বনা ও আশ্বাস দিচ্ছেন যে, হে নবী! আপনি যখন মক্কার মুশরিকদের মাঝে জীবিত অবস্থায় বিদ্যমান, তখন আল্লাহ তাদেরকে এমন শাস্তি দেবেন না যা তাদেরকে সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে দেবে। কারণ আপনার উপস্থিতি তাদের জন্য রহমত ও নিরাপত্তার কারণ। আপনার কারণে আল্লাহ তাদের ওপর সামগ্রিক আযাব নাজিল করেন না। আর দ্বিতীয়ত, যদি তারা তওবা ও ইস্তিগফার করে, আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে, তবুও আল্লাহ তাদেরকে শাস্তি দেবেন না। কেননা ইস্তিগফার আযাবকে রহিত করে দেয়। অর্থাৎ, দুটি জিনিস তাদের ওপর থেকে আযাব প্রতিরোধ করছে—একটি হলো রাসূল ﷺ-এর মধ্যে উপস্থিতি, আর অন্যটি হলো তাদের ইস্তিগফার। তবে যখন রাসূল ﷺ মক্কা থেকে হিজরত করবেন এবং তারা ইস্তিগফার বন্ধ করে দেবে, তখন তাদের ওপর আযাব নেমে আসবে, যেমনটি বদর যুদ্ধের দিন ঘটেছিল।
শিক্ষা ও উপকারিতা:
রাসূল ﷺ-এর উপস্থিতি উম্মতের জন্য বিরাট রহমত ও নিরাপত্তার কারণ। তাঁর যুগে উম্মতের ওপর থেকে সাধারণ ধ্বংসাত্মক শাস্তি প্রতিরোধ করা হয়েছে।
ইস্তিগফার (ক্ষমা প্রার্থনা) একটি মহান ইবাদত, যা আল্লাহর আযাব থেকে রক্ষা করে। যে ব্যক্তি আন্তরিকভাবে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চায়, আল্লাহ তার ওপর থেকে বিপদ ও শাস্তি দূর করেন।
আল্লাহ অতি দয়ালু ও ক্ষমাশীল। তিনি বান্দাদের শাস্তি দিতে তাড়াহুড়া করেন না; বরং তাদেরকে তওবা ও ইস্তিগফারের সুযোগ দেন।
এই আয়াত আমাদের শেখায় যে, বিপদ-আপদ থেকে বাঁচার সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো আল্লাহর রাসূলের আদর্শ অনুসরণ করা এবং অধিক পরিমাণে ইস্তিগফার করা।
মুমিনের উচিত সর্বাবস্থায় ইস্তিগফারকে আঁকড়ে ধরা, কারণ এটি কেবল আখিরাতের শাস্তি থেকে নয়, দুনিয়ার বিপদাপদ থেকেও রক্ষা করে।
তাছাড়া তারা যখন বলতে আরম্ভ করে যে, ইয়া আল্লাহ, এই যদি তোমার পক্ষ থেকে (আগত) সত্য দ্বীন হয়ে থাকে, তবে আমাদের উপর আকাশ থেকে প্রস্তর বর্ষণ কর কিংবা আমাদের উপর বেদনাদায়ক আযাব নাযিল কর।
অথচ আল্লাহ কখনই তাদের উপর আযাব নাযিল করবেন না যতক্ষণ আপনি তাদের মাঝে অবস্থান করবেন। তাছাড়া তারা যতক্ষণ ক্ষমা প্রার্থনা করতে থাকবে আল্লাহ কখনও তাদের উপর আযাব দেবেন না।
আর তাদের মধ্যে এমন কি বিষয় রয়েছে, যার ফলে আল্লাহ তাদের উপর আযাব দান করবেন না। অথচ তারা মসজিদে-হারামে যেতে বাধাদান করে, অথচ তাদের সে অধিকার নেই। এর অধিকার তো তাদেরই রয়েছে যারা পরহেযগার। কিন্তু তাদের অধিকাংশই সে বিষয়ে অবহিত নয়।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।