Wala`in sa altahum layaqoolunna innamaa kunnaa nakhoodu wa nal`ab; qul abillaahi wa `Aayaatihee wa Rasoolihee kuntum tastahzi`oon
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
আর যদি তুমি তাদের কাছে জিজ্ঞেস কর, তবে তারা বলবে, আমরা তো কথার কথা বলছিলাম এবং কৌতুক করছিলাম। আপনি বলুন, তোমরা কি আল্লাহর সাথে, তাঁর হুকুম আহকামের সাথে এবং তাঁর রসূলের সাথে ঠাট্টা করছিলে?
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
जिससे तुम डरते हो ख़ुदा उसे ज़रूर ज़ाहिर कर देगा और अगर तुम उनसे पूछो (कि ये हरकत थी) तो ज़रूर यूं ही कहेगें कि हम तो यूं ही बातचीत (दिल्लगी) बाज़ी ही कर रहे थे तुम कहो कि हाए क्या तुम ख़ुदा से और उसकी आयतों से और उसके रसूल से हॅसी कर रहे थे
আর যদি তুমি তাদের কাছে জিজ্ঞেস কর, তবে তারা বলবে, আমরা তো কথার কথা বলছিলাম এবং কৌতুক করছিলাম। আপনি বলুন, তোমরা কি আল্লাহর সাথে, তাঁর হুকুম আহকামের সাথে এবং তাঁর রসূলের সাথে ঠাট্টা করছিলে?
📜
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
নাখূযু (نَخُوضُ): অর্থাৎ আমরা কথা বলছিলাম, গল্প-গুজবে মগ্ন ছিলাম।
নাল‘আবু (نَلْعَبُ): অর্থাৎ আমরা খেলাধুলা ও ঠাট্টা-মশকরা করছিলাম।
তাসতাহযি’ঊন (تَسْتَهْزِئُونَ): অর্থাৎ তোমরা উপহাস ও বিদ্রূপ করছ।
তাফসীর:
হে নবী! আপনি যদি মুনাফিকদের জিজ্ঞেস করেন যে, তারা আপনার ও আপনার সাহাবীদের সম্পর্কে কী অশোভন কথা বলেছে এবং কেন তারা ইসলাম ও মুসলিমদের নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করেছে, তাহলে তারা অজুহাত দেখিয়ে বলবে, “আমরা তো শুধু কথার ছলে আড্ডা দিচ্ছিলাম এবং খেলাধুলা করছিলাম, আমাদের কোনো খারাপ উদ্দেশ্য ছিল না।” তারা মনে করত এই অজুহাতে তাদের অপরাধ ঢাকা পড়ে যাবে।
আল্লাহ তা‘আলা তাদের এই মিথ্যা অজুহাত খণ্ডন করে বলেন, হে নবী! আপনি তাদের জবাবে বলুন, “তোমরা কি আল্লাহ, তাঁর আয়াতসমূহ (কুরআন) এবং তাঁর রাসূলকে নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করছিলে?!” অর্থাৎ তোমাদের এই কাজটি কি খুবই তুচ্ছ ও হাস্যকর মনে হচ্ছে? আল্লাহ, তাঁর কিতাব এবং তাঁর রাসূলের ব্যাপারে উপহাস করা কি কোনো সাধারণ অপরাধ? এটি তো ঈমানের পরিপন্থী ও চরম কুফরি। তোমাদের এই অজুহাত সম্পূর্ণ মিথ্যা ও অগ্রহণযোগ্য, কারণ যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে নিয়ে ঠাট্টা করে, সে প্রকৃতপক্ষে খেলার ছলে হলেও ঈমান থেকে খালি হয়ে যায়।
শিক্ষা ও উপদেশ:
ইসলাম ও এর পবিত্র বিষয়গুলোকে নিয়ে ঠাট্টা-তামাশা করা সম্পূর্ণ হারাম এবং এটি ঈমান নষ্টকারী কাজ। আল্লাহ, তাঁর কিতাব ও রাসূল (সা.)-কে নিয়ে উপহাস করা কুফরির অন্তর্ভুক্ত, চাই তা গুরুত্ব সহকারে হোক বা খেলার ছলে।
মুনাফিক ও কপটচারীদের বৈশিষ্ট্য হলো তারা মুখে ভালো কথা বলে কিন্তু অন্তরে বিদ্বেষ পোষণ করে এবং সুযোগ পেলেই ইসলাম ও মুসলিমদের নিন্দা করে।
ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চাওয়ার পরিবর্তে মিথ্যা অজুহাত দেওয়া একটি নিন্দনীয় চরিত্র। প্রকৃত মুমিনের উচিত ভুল হলে তা স্বীকার করা এবং আল্লাহর কাছে তাওবা করা।
এই আয়াত থেকে আমরা শিখি যে, দ্বীনের কোনো বিষয়কে হালকা করে দেখা বা উপহাস করা মারাত্মক অপরাধ। তাই আমাদের সর্বদা দ্বীনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকতে হবে এবং এমন কোনো কথাবার্তা বা কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে যা ইসলামের মর্যাদাকে ক্ষুণ্ণ করে।
আল্লাহ তা‘আলা তাঁর নবীর মাধ্যমে মুনাফিকদের চেহারা ফাঁস করে দিয়েছেন, যাতে মুমিনরা তাদের থেকে সতর্ক থাকে এবং তাদের কুমন্ত্রণা থেকে দূরে থাকে।
মুনাফেকরা এ ব্যাপারে ভয় করে যে, মুসলমানদের উপর না এমন কোন সূরা নাযিল হয়, যাতে তাদের অন্তরের গোপন বিষয় অবহিত করা হবে। সুতরাং আপনি বলে দিন, ঠাট্টা-বিদ্রপ করতে থাক; আল্লাহ তা অবশ্যই প্রকাশ করবেন যার ব্যাপারে তোমরা ভয় করছ।
আর যদি তুমি তাদের কাছে জিজ্ঞেস কর, তবে তারা বলবে, আমরা তো কথার কথা বলছিলাম এবং কৌতুক করছিলাম। আপনি বলুন, তোমরা কি আল্লাহর সাথে, তাঁর হুকুম আহকামের সাথে এবং তাঁর রসূলের সাথে ঠাট্টা করছিলে?
ছলনা কর না, তোমরা যে কাফের হয়ে গেছ ঈমান প্রকাশ করার পর। তোমাদের মধ্যে কোন কোন লোককে যদি আমি ক্ষমা করে দেইও, তবে অবশ্য কিছু লোককে আযাবও দেব। কারণ, তারা ছিল গোনাহগার।
মুনাফেক নর-নারী সবারই গতিবিধি একরকম; শিখায় মন্দ কথা, ভাল কথা থেকে বারণ করে এবং নিজ মুঠো বন্ধ রাখে। আল্লাহকে ভুলে গেছে তার, কাজেই তিনিও তাদের ভূলে গেছেন নিঃসন্দেহে মুনাফেকরাই নাফরমান।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।