আল্লাহ তাদের জন্য তৈরী করে রেখেছেন কানন-কুঞ্জ, যার তলদেশে প্রবাহিত রয়েছে প্রস্রবণ। তারা তাতে বাস করবে অনন্তকাল। এটাই হল বিরাট কৃতকার্যতা।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
ख़ुदा ने उनके वास्ते (बेहश्त) के वह (हरे भरे) बाग़ तैयार कर रखे हैं जिनके (दरख्तों के) नीचे नहरे जारी हैं (और ये) इसमें हमेशा रहेंगें यही तो बड़ी कामयाबी हैं
আল্লাহ তাআলা তাদের জন্য (যারা তাঁর রাসূলের সাথে ঈমান এনেছে এবং আল্লাহর পথে জীবন উৎসর্গ করেছে) কিয়ামতের দিন এমন জান্নাত প্রস্তুত করে রেখেছেন, যার নিচ দিয়ে নদীসমূহ প্রবাহিত হবে। সেই জান্নাতের শীতল ছায়া, মনোরম পরিবেশ এবং অফুরন্ত নেয়ামতের মধ্যে তারা চিরকাল অবস্থান করবে—সেখানে তাদের কোনো মৃত্যু নেই, কোনো ক্লান্তি নেই, কোনো দুঃখ-কষ্ট নেই। এটাই সেই চিরন্তন সাফল্য, যার তুলনা পৃথিবীর কোনো সাফল্যের সাথে হতে পারে না। দুনিয়ার সব সম্পদ, ক্ষমতা ও আনন্দ ক্ষণস্থায়ী, কিন্তু এই সাফল্য চিরস্থায়ী এবং এর মোকাবিলায় দুনিয়ার সব কিছু নগণ্য।
শিক্ষা ও ফজিলত:
আল্লাহর পথে ত্যাগ ও সংগ্রামের প্রতিদান কখনো বিনষ্ট হয় না; বরং আল্লাহ তা সংরক্ষণ করেন এবং আখিরাতে তার চেয়ে উত্তম প্রতিদান দেন।
মুমিনের প্রকৃত লক্ষ্য হওয়া উচিত আখিরাতের সাফল্য, যা চিরস্থায়ী এবং কোনো দুঃখ-কষ্টমুক্ত।
জান্নাতের নেয়ামতের বর্ণনা শুনে মুমিনের অন্তরে আল্লাহর প্রতি ভালোবাসা ও আকাঙ্ক্ষা জাগ্রত হয়, যা তাকে দুনিয়ার পরীক্ষায় ধৈর্য ও ইখলাসের সাথে অটল থাকতে সাহায্য করে।
এই আয়াত প্রমাণ করে যে, আল্লাহ তাঁর বান্দাদের প্রতি অত্যন্ত দয়ালু—তারা সামান্য আমলের বিনিময়েও তাকে অসীম পুরস্কার দান করেন, যা তাঁর রহমতেরই পরিচয়।
কিন্তু রসূল এবং সেসব লোক যারা ঈমান এনেছে, তাঁর সাথে তারা যুদ্ধ করেছে নিজেদের জান ও মালের দ্বারা। তাদেরই জন্য নির্ধারিত রয়েছে কল্যাণসমূহ এবং তারাই মুক্তির লক্ষ্যে উপনীত হয়েছে।
আর ছলনাকারী বেদুঈন লোকেরা এলো, যাতে তাদের অব্যাহতি লাভ হতে পারে এবং নিবৃত্ত থাকতে পারে তাদেরই যারা আল্লাহ ও রসূলের সাথে মিথ্যা বলে ছিল। এবার তাদের উপর শীগ্রই আসবে বেদনাদায়ক আযাব যারা কাফের।
দূর্বল, রুগ্ন, ব্যয়ভার বহনে অসমর্থ লোকদের জন্য কোন অপরাধ নেই, যখন তারা মনের দিক থেকে পবিত্র হবে আল্লাহ ও রসূলের সাথে। নেককারদের উপর অভিযোগের কোন পথ নেই। আর আল্লাহ হচ্ছেন ক্ষমাকারী দয়ালু।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।