Hattaaa izas tai`asar Rusulu wa zannooo annahum qad kuziboo jaaa`ahum nas runaa fanujjiya man nashaaa`u wa laa yuraddu baasunna `anil qawmil mujrimeen
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
এমনকি যখন পয়গম্বরগণ নৈরাশ্যে পতিত হয়ে যেতেন, এমনকি এরূপ ধারণা করতে শুরু করতেন যে, তাদের অনুমান বুঝি মিথ্যায় পরিণত হওয়ার উপক্রম হয়েছিল, তখন তাদের কাছে আমার সাহায্য পৌছে। অতঃপর আমি যাদের চেয়েছি তারা উদ্ধার পেয়েছে। আমার শাস্তি অপরাধী সম্প্রদায় থেকে প্রতিহত হয় না।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
पहले के पैग़म्बरो ने तबलीग़े रिसालत यहाँ वक कि जब (क़ौम के ईमान लाने से) पैग़म्बर मायूस हो गए और उन लोगों ने समझ लिया कि वह झुठलाए गए तो उनके पास हमारी (ख़ास) मदद आ पहुँची तो जिसे हमने चाहा नजात दी और हमारा अज़ाब गुनेहगार लोगों के सर से तो टाला नहीं जाता
اسْتَيْأَسَ — সম্পূর্ণরূপে নিরাশ হওয়া, আশা ছিন্ন করা।
ظَنُّوا — এখানে অর্থ নিশ্চিত হওয়া বা দৃঢ় বিশ্বাস করা (ইয়াকীন)।
كُذِبُوا — মিথ্যা প্রতিপন্ন হওয়া; অর্থাৎ তাদেরকে মিথ্যাবাদী মনে করা হয়েছে।
بَأْسُنَا — আমাদের শাস্তি বা আযাব।
তাফসীর:
হে প্রিয় নবী! আপনার প্রতি যারা মিথ্যারোপ করেছে, তাদের শাস্তি ত্বরান্বিত করার জন্য আপনি ব্যাকুল হবেন না। কারণ আল্লাহর রীতি হলো, তিনি বান্দাদেরকে পরীক্ষা করার জন্য এবং প্রজ্ঞাময় উদ্দেশ্যে বিপদ-মুসিবত ও শত্রুদের উৎপীড়ন কিছুকাল অব্যাহত রাখেন। পূর্ববর্তী রাসূলগণও এই একই পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছেন। তাঁদের প্রতি ঈমান আনা হয়নি, বরং তাদেরকে মিথ্যাবাদী বলা হয়েছে এবং তাদের অনুসারীদের উপর অত্যাচার চালানো হয়েছে। রাসূলগণ যখন সম্পূর্ণরূপে নিরাশ হয়ে যান যে, তাদের সম্প্রদায় আর ঈমান আনবে না, এবং তারা নিশ্চিত হয়ে যান যে, তাদেরকে সত্যিই মিথ্যাবাদী সাব্যস্ত করা হয়েছে — অর্থাৎ কাফিররা তাদেরকে মিথ্যাবাদী বলেই মনে করেছে এবং তাদের ধমককে গুরুত্ব দেয়নি — ঠিক সেই চরম সংকটময় মুহূর্তে আল্লাহর সাহায্য এসে পৌঁছায়। তখন আল্লাহ তাঁর ইচ্ছানুযায়ী রাসূলগণ ও তাদের বিশ্বস্ত অনুসারীদেরকে শাস্তি থেকে রক্ষা করেন এবং কাফির ও অপরাধীদের উপর তাঁর আযাব নেমে আসে। আল্লাহর শাস্তি যখন কোনো অপরাধী সম্প্রদায়ের উপর এসে পড়ে, তখন তা কখনো ফিরিয়ে নেওয়া যায় না বা কেউ তা প্রতিরোধ করতে পারে না।
শিক্ষা ও উপদেশ:
ধৈর্যের পুরস্কার: বিপদ-সংকট যতই দীর্ঘ হোক না কেন, আল্লাহর সাহায্য অবশ্যই আসবে — তবে তা আল্লাহর নির্ধারিত সময়েই আসে। রাসূলগণও ধৈর্য ধারণ করেছেন, তাই আমাদের উচিত ধৈর্য ও দৃঢ়তা অবলম্বন করা।
আশা কখনো হারানো যাবে না: এমনকি রাসূলগণ যখন মানুষের পক্ষ থেকে নিরাশ হয়ে যান, তখনও আল্লাহর রহমত ও সাহায্য তাদের ছাড়িয়ে যায় না। বান্দার উচিত আল্লাহর রহমত থেকে কখনো নিরাশ না হওয়া।
শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আল্লাহর উপর ভরসা: সবচেয়ে কঠিন সময়ে আল্লাহর সাহায্য আসে। তাই জীবনের প্রতিটি সংকটে আল্লাহর উপর পূর্ণ ভরসা রাখা এবং তাঁর কাছেই সাহায্য প্রার্থনা করা।
অপরাধের পরিণাম অনিবার্য: যারা সীমালঙ্ঘন করে এবং আল্লাহর রাসূলদের অবিশ্বাস করে, তাদের জন্য আল্লাহর শাস্তি অবশ্যম্ভাবী। কোনো শক্তি তা প্রতিরোধ করতে পারবে না। এটি আমাদেরকে গুনাহ ও অন্যায় থেকে দূরে থাকার শিক্ষা দেয়।
সত্যের জয় অবশ্যম্ভাবী: ইতিহাস সাক্ষী — সত্য ও ন্যায়ের পথে থাকা মানুষদের উপর আল্লাহর সাহায্য নেমে আসে এবং মিথ্যা ও অন্যায়ের পতন ঘটে। এটি মুমিনের হৃদয়ে আশা ও সাহস সঞ্চার করে।
এমনকি যখন পয়গম্বরগণ নৈরাশ্যে পতিত হয়ে যেতেন, এমনকি এরূপ ধারণা করতে শুরু করতেন যে, তাদের অনুমান বুঝি মিথ্যায় পরিণত হওয়ার উপক্রম হয়েছিল, তখন তাদের কাছে আমার সাহায্য পৌছে। অতঃপর আমি যাদের চেয়েছি তারা উদ্ধার পেয়েছে। আমার শাস্তি অপরাধী সম্প্রদায় থেকে প্রতিহত হয় না।
আপনার পূর্বে আমি যতজনকে রসূল করে পাঠিয়েছি, তারা সবাই পুরুষই ছিল জনপদবাসীদের মধ্য থেকে। আমি তাঁদের কাছে ওহী প্রেরণ করতাম। তারা কি দেশ-বিদেশ ভ্রমণ করে না, যাতে দেখে নিত কিরূপ পরিণতি হয়েছে তাদের যারা পূর্বে ছিল ? সংযমকারীদের জন্যে পরকালের আবাসই উত্তম। তারা কি এখনও বোঝে না?
এমনকি যখন পয়গম্বরগণ নৈরাশ্যে পতিত হয়ে যেতেন, এমনকি এরূপ ধারণা করতে শুরু করতেন যে, তাদের অনুমান বুঝি মিথ্যায় পরিণত হওয়ার উপক্রম হয়েছিল, তখন তাদের কাছে আমার সাহায্য পৌছে। অতঃপর আমি যাদের চেয়েছি তারা উদ্ধার পেয়েছে। আমার শাস্তি অপরাধী সম্প্রদায় থেকে প্রতিহত হয় না।
তাদের কাহিনীতে বুদ্ধিমানদের জন্য রয়েছে প্রচুর শিক্ষণীয় বিষয়, এটা কোন মনগড়া কথা নয়, কিন্তু যারা বিশ্বাস স্থাপন করে তাদের জন্যে পূর্বেকার কালামের সমর্থন এবং প্রত্যেক বস্তুর বিবরণ রহমত ও হেদায়েত।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।