Mishary Rashid Alafasy
✓
Mahmoud Khalil Al-Husary
✓
Abdurrahman As-Sudais
✓
Mohamed Siddiq Al-Minshawi
✓
Abdul Basit Abdul Samad
✓
Ali Al-Hudhaify
✓
Ahmed ibn Ali al-Ajamy
✓
Abu Bakr Ash-Shaatree
✓
Muhammad Ayyoub
✓
Abdullah Basfar
✓
Abdullah Al-Juhani
✓
Maher Al Muaiqly
✓
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
- আর-রাযযাক (الرَّزَّاقُ): যে সমস্ত সৃষ্টিজীবকে রিজিক বা জীবিকা দান করেন, তাদের ভরণ-পোষণের দায়িত্ব নিয়েছেন।
- যুল-কুওয়াতি (ذُو الْقُوَّةِ): যিনি পরিপূর্ণ ক্ষমতা ও শক্তির অধিকারী।
- আল-মাতীন (الْمَتِينُ): অত্যন্ত শক্তিশালী, যাঁকে কেউ পরাজিত করতে পারে না, যাঁর শক্তি অপরিসীম ও অটুট।
তাফসির:
এই আয়াতে আল্লাহ তাআলা তাঁর নিজের পরিচয় দিয়েছেন। তিনি ঘোষণা করছেন যে, একমাত্র তিনিই রিজিকদাতা। আসমান-জমিনের সকল সৃষ্টিজীব—মানুষ, জিন, পশু-পাখি, কীট-পতঙ্গ—সবার রিজিকের ব্যবস্থা তিনিই করেন। কেউ নিজের চেষ্টায় রিজিক অর্জন করে বলে মনে করলেও প্রকৃতপক্ষে রিজিকদাতা একমাত্র আল্লাহ। তিনি প্রতিটি প্রাণীর খাদ্যের ব্যবস্থা করেছেন এবং নির্ধারিত সময়ে তাদের কাছে তা পৌঁছে দেন।
আল্লাহ তাআলা শুধু রিজিকদাতাই নন, তিনি হচ্ছেন যুল-কুওয়াতি আল-মাতীন অর্থাৎ তিনি এমন শক্তির অধিকারী যাঁর শক্তি অত্যন্ত মজবুত, কেউ তাঁকে পরাজিত করতে পারে না, কেউ তাঁর ইচ্ছাকে বাধা দিতে পারে না। তাঁর ক্ষমতার সামনে সকল সৃষ্টি নতজানু। জিন-ইনসান, ফেরেশতা—সবাই তাঁর ক্ষমতার অনুগত। যাঁর হাতে সকল রিজিক, তাঁর কাছেই সকল শক্তি। তিনি যেমন রিজিক দিতে সক্ষম, তেমনি যাকে ইচ্ছা রিজিক সংকুচিতও করতে পারেন।
এই আয়াতের প্রেক্ষাপটে আল্লাহ তাআলা তাঁর নবীকে (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এবং মুমিনদেরকে বলেছেন—তোমরা আমার ইবাদতের জন্য নির্ভীক থাকো, কেননা আমি তোমাদের রিজিকের দায়িত্ব নিয়েছি। তোমরা আমার নির্দেশ পালনে ব্যস্ত থাকো, আর আমার ওপর ভরসা রাখো। আমি তোমাদের ভরণ-পোষণের ব্যবস্থা করব।
শিক্ষা ও উপকারিতা:
- মুমিনের অন্তর থেকে রিজিকের দুশ্চিন্তা দূর হয়ে যায়। যখন সে বিশ্বাস করে যে, রিজিকদাতা একমাত্র আল্লাহ, তখন সে অবৈধ উপায়ে রিজিক অর্জনের চেষ্টা করে না এবং বৈধ উপায়ে সন্তুষ্ট থাকে।
- এই আয়াত মুমিনকে আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা করতে শেখায়। মানুষ যতই শক্তিশালী হোক না কেন, প্রকৃত শক্তির মালিক আল্লাহ। তাই মানুষের কাছে সাহায্য চাওয়ার আগে আল্লাহর কাছে চাওয়া উচিত।
- আল্লাহর ক্ষমতা ও শক্তির কথা স্মরণ করলে মানুষের অন্তরে তাঁর ভয় ও শ্রদ্ধা জন্মে। ফলে মানুষ গুনাহের কাজ থেকে দূরে থাকে এবং নেক কাজে আগ্রহী হয়।
- এই আয়াত থেকে আমরা শিখি যে, দুনিয়ার জীবিকা অর্জনের পাশাপাশি আমাদের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত আল্লাহর ইবাদত ও আনুগত্য। রিজিকের চিন্তা যেন আমাদেরকে আল্লাহর স্মরণ থেকে গাফেল না করে।
- আল্লাহর রিজিকদাতা হওয়ার গুণটি আমাদের শিক্ষা দেয় যে, আমরাও যেন অন্যের প্রতি দয়ালু হই, ক্ষুধার্তকে খাদ্য দিই এবং অভাবীদের সাহায্য করি, যাতে সমাজে ভালোবাসা ও সহমর্মিতা ছড়িয়ে পড়ে।
📜 আয়াত 56-60 — সূরা আজ-জারিয়াত
অনুবাদ — আজ-জারিয়াত 58
সূরা আজ-জারিয়াত আয়াত 58 - পড়ুন, শুনুন, অনুবাদ, বাংলা : আল্লাহ তা’আলাই তো জীবিকাদাতা শক্তির আধার, পরাক্রান্ত।সূরা আয়াত 58/60 — সূরা আজ-জারিয়াত الذاريات (মাক্কী). পড়ুন শুনুন অনুবাদ (বাংলা). শুনুন: সূরা আজ-জারিয়াত শুনুন, সূরা আজ-জারিয়াত অনুবাদ, সূরা আজ-জারিয়াত mp3, সূরা আজ-জারিয়াত pdf. আয়াত 56–60. বাংলা অর্থ: हिन्दी.
সূরা আজ-জারিয়াত
পবিত্র কুরআন
Wednesday, September 30, 2026
আপনার নেক দোয়ায় আমাদের ভুলে যাবেন না


