Wa naadaaa Ashaabun Naari Ashaabal jannati an afeedoo `alainaa minal maaa`i aw mimma razaqakumul laah; qaaloo innal laaha harrama humaa `alal kaafireen
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
দোযখীরা জান্নাতীদেরকে ডেকে বলবেঃ আমাদের উপর সামান্য পানি নিক্ষেপ কর অথবা আল্লাহ তোমাদেরকে যে রুযী দিয়েছেন, তা থেকেই কিছু দাও। তারা বলবেঃ আল্লাহ এই উভয় বস্তু কাফেরদের জন্যে নিষিদ্ধ করেছেন,
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
और दोज़ख वाले अहले बेहिश्त को (लजाजत से) आवाज़ देगें कि हम पर थोड़ा सा पानी ही उंडेल दो या जो (नेअमतों) खुदा ने तुम्हें दी है उसमें से कुछ (दे डालो दो तो अहले बेहिश्त जवाब में) कहेंगें कि ख़ुदा ने तो जन्नत का खाना पानी काफिरों पर कतई हराम कर दिया है
দোযখীরা জান্নাতীদেরকে ডেকে বলবেঃ আমাদের উপর সামান্য পানি নিক্ষেপ কর অথবা আল্লাহ তোমাদেরকে যে রুযী দিয়েছেন, তা থেকেই কিছু দাও। তারা বলবেঃ আল্লাহ এই উভয় বস্তু কাফেরদের জন্যে নিষিদ্ধ করেছেন,
📜
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ ও ব্যাখ্যা:
أَفِيضُوا অর্থ: ঢেলে দাও, প্রবাহিত করো।
مِمَّا رَزَقَكُمُ اللهُ অর্থ: আল্লাহ তোমাদের যে রিজিক (খাদ্য-পানীয়) দিয়েছেন তা থেকে।
حَرَّمَهُمَا অর্থ: তিনি উভয়টি (পানি ও খাদ্য) হারাম করেছেন।
তাফসীর:
আয়াতে বর্ণনা করা হয়েছে যে, জাহান্নামীরা যখন জাহান্নামের কঠিন শাস্তি ও তীব্র পিপাসায় কাতর হবে, তখন তারা জান্নাতবাসীদের কাছে সাহায্য প্রার্থনা করবে। তারা বলবে, “হে জান্নাতবাসীরা! আমাদের উপর সামান্য পানি ঢেলে দাও, অথবা আল্লাহ তোমাদের যে খাদ্য-রিজিক দিয়েছেন তা থেকে আমাদেরকে কিছু দাও।” কিন্তু জান্নাতবাসীরা উত্তরে বলবে, “আল্লাহ উভয় জিনিস (পানি ও খাদ্য) কাফিরদের জন্য হারাম করে দিয়েছেন।” অর্থাৎ, যে সমস্ত মানুষ আল্লাহর একত্ববাদ অস্বীকার করেছে এবং তাঁর রাসূলদেরকে মিথ্যা বলেছে, তাদের জন্য জান্নাতের পানীয় ও খাদ্য সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ। তারা কখনো তা পাবে না। এটি তাদের কুফরি ও পাপেরই ফল।
শিক্ষা ও উপদেশ:
কুফর ও সত্য প্রত্যাখ্যানের পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ। জাহান্নামীরা চিরকালের জন্য আল্লাহর রহমত থেকে বঞ্চিত হবে এবং তাদের কোনো প্রার্থনাই কবুল হবে না।
দুনিয়ার জীবনে আমরা যে নিয়ামত (পানি, খাদ্য) উপভোগ করছি, তা আল্লাহর অশেষ অনুগ্রহ। আমাদের উচিত এ নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করা এবং আল্লাহর অবাধ্যতা থেকে বিরত থাকা।
জান্নাত ও জান্নাতের নিয়ামত কেবল মুমিনদের জন্যই সংরক্ষিত। তাই আমাদের উচিত ঈমান ও সৎকর্মের মাধ্যমে জান্নাত অর্জনের চেষ্টা করা।
এই আয়াত থেকে জানা যায় যে, জান্নাতের অবস্থান জাহান্নামের উপরে। কারণ, জাহান্নামীরা জান্নাতবাসীদেরকে দেখতে পাচ্ছিল এবং তাদের সাথে কথা বলছিল।
দুনিয়ার জীবনে কাফিররা ধন-সম্পদ ও ভোগ-বিলাসে মত্ত থাকলেও আখিরাতে তারা সম্পূর্ণ অসহায় ও লাঞ্ছিত হবে। সেদিন তাদের কোনো সাহায্যকারী থাকবে না।
এরা কি তারাই; যাদের সম্পর্কে তোমরা কসম খেয়ে বলতে যে, আল্লাহ এদের প্রতি অনুগ্রহ করবেন না। প্রবেশ কর জান্নাতে। তোমাদের কোন আশঙ্কা নেই এবং তোমরা দুঃখিত হবে না।
দোযখীরা জান্নাতীদেরকে ডেকে বলবেঃ আমাদের উপর সামান্য পানি নিক্ষেপ কর অথবা আল্লাহ তোমাদেরকে যে রুযী দিয়েছেন, তা থেকেই কিছু দাও। তারা বলবেঃ আল্লাহ এই উভয় বস্তু কাফেরদের জন্যে নিষিদ্ধ করেছেন,
তারা স্বীয় ধর্মকে তামাশা ও খেলা বানিয়ে নিয়েছিল এবং পার্থিব জীবন তাদের কে ধোকায় ফেলে রেখেছিল। অতএব, আমি আজকে তাদেরকে ভুলে যাব; যেমন তারা এ দিনের সাক্ষাৎকে ভুলে গিয়েছিল এবং যেমন তারা আয়াতসমূহকে অবিশ্বাস করত।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।