Wa izaa maaa unzilat Sooratun faminhum mai yaqoolu aiyukum zaadat hu haazihee eemaanaa; fa ammal lazeena aamanoo fazaadat hum eemaananw wa hum yastabshiroon
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
আর যখন কোন সূরা অবতীর্ণ হয়, তখন তাদের কেউ কেউ বলে, এ সূরা তোমাদের মধ্যেকার ঈমান কতটা বৃদ্ধি করলো? অতএব যারা ঈমানদার, এ সূরা তাদের ঈমান বৃদ্ধি করেছে এবং তারা আনন্দিত হয়েছে।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
और जब कोई सूरा नाज़िल किया गया तो उन मुनाफिक़ीन में से (एक दूसरे से) पूछता है कि भला इस सूरे ने तुममें से किसी का ईमान बढ़ा दिया तो जो लोग ईमान ला चुके हैं उनका तो इस सूरे ने ईमान बढ़ा दिया और वह वहां उसकी ख़ुशियाँ मनाते है
আর যখন কোন সূরা অবতীর্ণ হয়, তখন তাদের কেউ কেউ বলে, এ সূরা তোমাদের মধ্যেকার ঈমান কতটা বৃদ্ধি করলো? অতএব যারা ঈমানদার, এ সূরা তাদের ঈমান বৃদ্ধি করেছে এবং তারা আনন্দিত হয়েছে।
📜
অনুবাদ — Tafsir
মূল শব্দের অর্থ:
سُورَةٌ (সূরা): কুরআনের একটি অধ্যায় বা অংশ।
زَادَتْهُ إِيمَانًا (তাকে ঈমান বৃদ্ধি করল): তার বিশ্বাস ও দৃঢ়তা বাড়িয়ে দিল।
يَسْتَبْشِرُونَ (তারা আনন্দিত হয়): তারা খুশি হয় এবং সুসংবাদ গ্রহণ করে।
তাফসীর (ব্যাখ্যা):
যখনই আল্লাহ তাআলা তাঁর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উপর কুরআনের কোনো সূরা নাযিল করেন, তখন মুনাফিকদের মধ্যে কেউ কেউ বিদ্রূপ ও ঠাট্টা-বিদ্রূপের ছলে অন্যদের জিজ্ঞেস করে: “এই সূরাটি তোমাদের মধ্যে কার ঈমান বাড়াল?” তাদের এই প্রশ্নের উদ্দেশ্য ছিল ইসলাম ও মুসলমানদের প্রতি উপহাস করা এবং ঈমানের বিষয়টিকে তুচ্ছ করে দেখানো।
অপরদিকে, যারা প্রকৃত মুমিন, তাদের অবস্থা সম্পূর্ণ ভিন্ন। যখনই কোনো সূরা নাযিল হয়, তারা তা মনোযোগ সহকারে শোনে, এর অর্থ-মর্ম বুঝার চেষ্টা করে এবং তার উপর আমল করে। ফলে তাদের ঈমান আরও দৃঢ় হয়, জ্ঞান বৃদ্ধি পায় এবং আল্লাহর প্রতি তাদের আস্থা ও ভরসা বেড়ে যায়। এই নতুন জ্ঞান ও ঈমানের বৃদ্ধি তাদের অন্তরে এমন আনন্দ ও প্রশান্তি সৃষ্টি করে, যা তারা প্রকাশ্যে ও গোপনে অনুভব করে। তারা এই ওহীকে নিজেদের জন্য রহমত ও কল্যাণের কারণ মনে করে এবং এর মাধ্যমে তাদের পার্থিব ও পারলৌকিক সফলতার পথ আরও সুস্পষ্ট হয়ে ওঠে।
শিক্ষা ও উপকারিতা:
কুরআন মুমিনদের জন্য রহমত ও ঈমান বৃদ্ধির মাধ্যম। প্রতিটি আয়াত ও সূরা তাদের বিশ্বাস ও আমলকে শক্তিশালী করে।
মুনাফিকদের বৈশিষ্ট্য হলো আল্লাহর কালামকে উপহাস করা এবং মুমিনদের ঈমান নিয়ে ঠাট্টা করা। মুমিনদের উচিত তাদের এহেন আচরণে বিচলিত না হয়ে বরং আরও দৃঢ় থাকা।
ঈমানের বৃদ্ধি কুরআন তিলাওয়াত, চিন্তা-গবেষণা এবং তার উপর আমলের মাধ্যমে হয়। তাই প্রতিটি মুমিনের উচিত কুরআনকে জীবনের পথপ্রদর্শক হিসেবে গ্রহণ করা।
কুরআন নাযিল হওয়ার সময় মুমিনদের আনন্দিত হওয়া উচিত, কারণ এটি তাদের জন্য হিদায়াত, নূর এবং কল্যাণের বার্তা নিয়ে আসে। এই আনন্দই তাদের প্রকৃত ঈমানের প্রমাণ।
আর সমস্ত মুমিনের অভিযানে বের হওয়া সঙ্গত নয়। তাই তাদের প্রত্যেক দলের একটি অংশ কেন বের হলো না, যাতে দ্বীনের জ্ঞান লাভ করে এবং সংবাদ দান করে স্বজাতিকে, যখন তারা তাদের কাছে প্রত্যাবর্তন করবে, যেন তারা বাঁচতে পারে।
হে ঈমানদারগণ, তোমাদের নিকটবর্তী কাফেরদের সাথে যুদ্ধ চালিয়ে যাও এবং তারা তোমাদের মধ্যে কঠোরতা অনুভব করুক আর জেনে রাখ, আল্লাহ মুত্তাকীদের সাথে রয়েছেন।
আর যখন কোন সূরা অবতীর্ণ হয়, তখন তাদের কেউ কেউ বলে, এ সূরা তোমাদের মধ্যেকার ঈমান কতটা বৃদ্ধি করলো? অতএব যারা ঈমানদার, এ সূরা তাদের ঈমান বৃদ্ধি করেছে এবং তারা আনন্দিত হয়েছে।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।