Man kaana yureedul hayaatad dunyaa zeenatahaa nuwaffi ilaihim a`maa lahum feehaa wa hum feehaa laa yubkhasoon
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
যে ব্যক্তি পার্থিবজীবন ও তার চাকচিক্যই কামনা করে, হয় আমি তাদের দুনিয়াতেই তাদের আমলের প্রতিফল ভোগ করিয়ে দেব এবং তাতে তাদের প্রতি কিছুমাত্র কমতি করা হয় না।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
नेकी करने वालों में से जो शख़्श दुनिया की ज़िन्दगी और उसके रिज़क़ का तालिब हो तो हम उन्हें उनकी कारगुज़ारियों का बदला दुनिया ही में पूरा पूरा भर देते हैं और ये लोग दुनिया में घाटे में नहीं रहेगें
يُرِيدُ الْحَيَاةَ الدُّنْيَا – দুনিয়ার জীবন কামনা করে।
وَزِينَتَهَا – এবং তার সৌন্দর্য ও ভোগ-বিলাস।
نُوَفِّ إِلَيْهِمْ – আমরা তাদেরকে পূর্ণভাবে প্রদান করব।
لَا يُبْخَسُونَ – তাদেরকে কম দেওয়া হবে না।
তাফসির (ব্যাখ্যা):
যে ব্যক্তি তার আমল ও ভালো কাজের মাধ্যমে দুনিয়ার জীবন ও তার সৌন্দর্য, ভোগ-বিলাস এবং পার্থিব সুখ-সমৃদ্ধি কামনা করে এবং আখিরাতের প্রতিদান তার উদ্দেশ্য হয় না, আল্লাহ তাআলা তাকে দুনিয়াতেই তার আমলের প্রতিদান পূর্ণভাবে দিয়ে দেন। অর্থাৎ, তাকে দুনিয়ায় সুস্থতা, নিরাপত্তা, রিজিকের প্রাচুর্য এবং আরাম-আয়েশ দান করা হয়। তার আমলের বিনিময়ে দুনিয়ার কোনো অংশ থেকে তাকে বঞ্চিত করা হয় না; বরং সে দুনিয়ায় যা কিছু পাওয়ার ছিল, তা পূর্ণমাত্রায় পেয়ে যায়। কিন্তু আখিরাতে তার জন্য কোনো সঞ্চয় থাকে না, কারণ সে আখিরাতের নিয়ত করেনি। এই আয়াতটি মূলত সেই সমস্ত লোকদের সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়েছে, যারা ভালো কাজ করে শুধু মানুষের প্রশংসা, দুনিয়ার স্বার্থ বা পার্থিব লাভের জন্য—আল্লাহর সন্তুষ্টি ও আখিরাতের প্রতিদান তাদের লক্ষ্য নয়।
শিক্ষা ও উপকারিতা:
নিয়তের বিশুদ্ধতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আল্লাহ তাআলা প্রতিটি কাজের প্রতিদান নিয়ত অনুযায়ী দেন। তাই প্রতিটি ভালো কাজে আখিরাতের নিয়ত করা মুমিনের কর্তব্য।
যে ব্যক্তি শুধু দুনিয়ার জন্য কাজ করে, সে দুনিয়াতেই তার প্রতিদান পেয়ে যায়; আখিরাতে তার জন্য কোনো অংশ থাকে না। এটি একটি সতর্কবার্তা যে, আখিরাতের চিরস্থায়ী সুখের জন্য আমল করা প্রয়োজন।
ইসলাম শুধু দুনিয়াবিমুখ বা আখিরাতবিমুখ জীবনকে সমর্থন করে না; বরং দুনিয়াকে আখিরাতের জন্য ব্যবহার করতে উৎসাহিত করে। মুমিন দুনিয়ার বৈধ উপকরণ ব্যবহার করে আখিরাতের সফলতা অর্জন করে।
আল্লাহর রহমত অপরিসীম—তিনি দুনিয়ার কাজের প্রতিদানও দুনিয়ায় দেন, কিন্তু মুমিনের জন্য আখিরাতের প্রতিদানই শ্রেষ্ঠ ও স্থায়ী।
এই আয়াত মুমিনকে আখিরাতমুখী হওয়ার প্রেরণা দেয়, যেন সে সব কাজে আল্লাহর সন্তুষ্টি ও জান্নাতের আশা রাখে, আর দুনিয়ার ক্ষণস্থায়ী সৌন্দর্যের মোহে বিভ্রান্ত না হয়।
যে ব্যক্তি পার্থিবজীবন ও তার চাকচিক্যই কামনা করে, হয় আমি তাদের দুনিয়াতেই তাদের আমলের প্রতিফল ভোগ করিয়ে দেব এবং তাতে তাদের প্রতি কিছুমাত্র কমতি করা হয় না।
তারা কি বলে? কোরআন তুমি তৈরী করেছ? তুমি বল, তবে তোমরাও অনুরূপ দশটি সূরা তৈরী করে নিয়ে আস এবং আল্লাহ ছাড়া যাকে পার ডেকে নাও, যদি তোমাদের কথা সত্য হয়ে থাকে।
অতঃপর তারা যদি তোমাদের কথা পুরণ করতে অপারগ হয়; তবে জেনে রাখ, এটি আল্লাহর এলম দ্বারা অবতীর্ণ হয়েছে; আরো একীন করে নাও যে, আল্লাহ ব্যতীত অন্য কোন মাবুদ নেই। অতএব, এখন কি তোমরা আত্নসমর্পন করবে?
যে ব্যক্তি পার্থিবজীবন ও তার চাকচিক্যই কামনা করে, হয় আমি তাদের দুনিয়াতেই তাদের আমলের প্রতিফল ভোগ করিয়ে দেব এবং তাতে তাদের প্রতি কিছুমাত্র কমতি করা হয় না।
আচ্ছা বল তো, যে ব্যক্তি তার প্রভুর সুস্পষ্ট পথে রয়েছে, আর সাথে সাথে আল্লাহর তরফ থেকে একটি সাক্ষীও বর্তমান রয়েছে এবং তার পূর্ববর্তী মূসা (আঃ) এর কিতাবও সাক্ষী যা ছিল পথনির্দেশক ও রহমত স্বরূপ, (তিনি কি অন্যান্যের সমান) অতএব তাঁরা কোরআনের প্রতি ঈমান আনেন। আর ঐসব দলগুলি যে কেউ তা অস্বীকার করে, দোযখই হবে তার ঠিকানা। অতএব, আপনি তাতে কোন সন্দেহে থাকবেন না। নিঃসন্দেহে তা আপনার পালনকর্তার পক্ষ হতে ধ্রুব সত্য; তথাপি অনেকেই তা বিশ্বাস করে না।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।