Mishary Rashid Alafasy
✓
Mahmoud Khalil Al-Husary
✓
Abdurrahman As-Sudais
✓
Mohamed Siddiq Al-Minshawi
✓
Abdul Basit Abdul Samad
✓
Ali Al-Hudhaify
✓
Ahmed ibn Ali al-Ajamy
✓
Abu Bakr Ash-Shaatree
✓
Muhammad Ayyoub
✓
Abdullah Basfar
✓
Abdullah Al-Juhani
✓
Maher Al Muaiqly
✓
অনুবাদ — Tafsir
অর্থ (শব্দার্থ):
- وَاتَّقُوا = তোমরা ভয় করো, সাবধান হও।
- لَا تَجْزِي = প্রতিদান দেবে না, কোনো উপকারে আসবে না।
- عَدْلٌ = ফিদয়া, বিনিময়, মুক্তিপণ।
- شَفَاعَةٌ = সুপারিশ, কারো পক্ষে কথা বলা।
- يُنصَرُونَ = তাদের সাহায্য করা হবে।
তাফসীর (ব্যাখ্যা):
আল্লাহ তাআলা মুমিনদের উদ্দেশ্যে বলছেন: তোমরা সেই ভয়ংকর দিনটির (কিয়ামতের) আযাব থেকে নিজেদের রক্ষা করো। সেই দিনের এমন ভয়াবহতা ও কঠোরতা থেকে বাঁচার জন্য দুনিয়াতেই তাকওয়া (আল্লাহভীতি) অবলম্বন করো এবং তাঁর আদেশ-নিষেধ মেনে চলো। কেননা সেই দিন এমন হবে যে, কোনো ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির কোনো কাজে আসবে না, সামান্যতম উপকারও করতে পারবে না। কোনো পিতা-মাতা সন্তানের জন্য, কোনো সন্তান পিতা-মাতার জন্য, কোনো বন্ধু বন্ধুর জন্য কিছুই করতে পারবে না। প্রত্যেকেই নিজের অবস্থা নিয়ে ব্যস্ত থাকবে।
সেই দিন কোনো ব্যক্তির কাছ থেকে ফিদয়া বা মুক্তিপণ গ্রহণ করা হবে না, তা যত বড়ই মূল্যবান বা বিশালই হোক না কেন। কেউ যদি সমগ্র পৃথিবীর সম্পদও ফিদয়া হিসেবে দিতে চায়, তা গ্রহণ করা হবে না। আর কোনো ব্যক্তির সুপারিশ (শাফাআত) অন্যকে উপকৃত করবে না। অর্থাৎ, সেখানে এমন কোনো সুপারিশ কার্যকর হবে না যা আল্লাহর অনুমতি ও সন্তুষ্টি ছাড়া হয়। বস্তুত, কাফির ও পাপীদের জন্য কোনো সুপারিশই গ্রহণযোগ্য হবে না। আর তাদের কোনো সাহায্যকারীও থাকবে না, যে তাদেরকে আল্লাহর আযাব থেকে রক্ষা করতে পারবে বা তাদের পক্ষে সুপারিশ করতে পারবে। সেদিন সকল ক্ষমতা একমাত্র আল্লাহর হাতে, এবং তিনি ছাড়া আর কারো কোনো কর্তৃত্ব থাকবে না।
শিক্ষা ও উপদেশ:
- কিয়ামতের দিনটি এতই ভয়াবহ যে, সেদিন কেউ কারো উপকারে আসতে পারবে না। তাই আমাদের উচিত দুনিয়াতেই নিজের আমল ঠিক করা, কারণ সেদিন কেবল নিজের আমলই কাজে দেবে।
- আল্লাহর আদেশ-নিষেধ মেনে চলা এবং গুনাহ থেকে বেঁচে থাকাই হলো কিয়ামতের আযাব থেকে রক্ষা পাওয়ার একমাত্র উপায়। তাকওয়াই হলো সেই ঢাল, যা আমাদেরকে সেই ভয়ংকর দিনের বিপদ থেকে রক্ষা করবে।
- দুনিয়ার কোনো সম্পদ, ক্ষমতা বা পদমর্যাদা আখিরাতে মুক্তিপণ হিসেবে কাজে দেবে না। তাই আমাদের উচিত দুনিয়ার মোহে বিভ্রান্ত না হয়ে আখিরাতের প্রস্তুতি নেওয়া।
- আখিরাতে কোনো সুপারিশ বা সাহায্য কার্যকর হবে না, যদি আল্লাহ তাআলা নিজেই কাউকে অনুমতি না দেন। তাই আমাদের উচিত আল্লাহর সাথে সম্পর্ক মজবুত করা এবং তাঁরই সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা করা।
- এই আয়াত থেকে আমরা শিখি যে, ইসলাম আমাদেরকে দায়িত্বশীল হতে শেখায়। প্রত্যেক ব্যক্তি নিজের আমলের জন্য দায়ী, এবং কেউ কারো গুনাহের বোঝা বহন করবে না। তাই আমাদের উচিত নিজের আমল নিজে সংশোধন করা এবং আল্লাহর রহমতের উপর ভরসা রেখে ভালো কাজ করা।
📜 আয়াত 121-125 — সূরা আল-বাকারা
অনুবাদ — আল-বাকারা 123
সূরা আল-বাকারা আয়াত 123 - পড়ুন, শুনুন, অনুবাদ, বাংলা : তোমরা ভয় কর সেদিনকে, যে দিন এক ব্যক্তি থেকে অন্য…সূরা আয়াত 123/286 — সূরা আল-বাকারা البقرة (মাদানী). পড়ুন শুনুন অনুবাদ (বাংলা). শুনুন: সূরা আল-বাকারা শুনুন, সূরা আল-বাকারা অনুবাদ, সূরা আল-বাকারা mp3, সূরা আল-বাকারা pdf. আয়াত 121–125. বাংলা অর্থ: हिन्दी.
সূরা আল-বাকারা
পবিত্র কুরআন
Monday, September 28, 2026
আপনার নেক দোয়ায় আমাদের ভুলে যাবেন না


