Wa iz qulnad khuloo haazihil qaryata fakuloo minhaa haisu shi`tum raghadanw wadkhulul baaba sujjadanw wa qooloo hittatun naghfir lakum khataayaakum; wa sanazeedul muhsineen
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
আর যখন আমি বললাম, তোমরা প্রবেশ কর এ নগরীতে এবং এতে যেখানে খুশী খেয়ে স্বাচ্ছন্দ্যে বিচরণ করতে থাক এবং দরজার ভিতর দিয়ে প্রবেশ করার সময় সেজদা করে ঢুক, আর বলতে থাক-‘আমাদিগকে ক্ষমা করে দাও’-তাহলে আমি তোমাদের অপরাধ ক্ষমা করব এবং সৎ কর্মশীলদেরকে অতিরিক্ত দানও করব।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
और (वह वक्त भी याद करो) जब हमने तुमसे कहा कि इस गाँव (अरीहा) में जाओ और इसमें जहाँ चाहो फराग़त से खाओ (पियो) और दरवाज़े पर सजदा करते हुए और ज़बान से हित्ता बख्शिश कहते हुए आओ तो हम तुम्हारी ख़ता ये बख्श देगे और हम नेकी करने वालों की नेकी (सवाब) बढ़ा देगें
আর যখন আমি বললাম, তোমরা প্রবেশ কর এ নগরীতে এবং এতে যেখানে খুশী খেয়ে স্বাচ্ছন্দ্যে বিচরণ করতে থাক এবং দরজার ভিতর দিয়ে প্রবেশ করার সময় সেজদা করে ঢুক, আর বলতে থাক-‘আমাদিগকে ক্ষমা করে দাও’-তাহলে আমি তোমাদের অপরাধ ক্ষমা করব এবং সৎ কর্মশীলদেরকে অতিরিক্ত দানও করব।
📜
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
الْقَرْيَةَ — এখানে উদ্দেশ্য হলো ‘বাইতুল মুকাদ্দাস’ (জেরুজালেম) নগরী।
رَغَدًا — প্রশস্ত, আরামদায়ক ও প্রচুর পরিমাণে।
سُجَّدًا — নতশিরে, বিনয়াবনত হয়ে (কেউ কেউ বলেছেন রুকু অবস্থায়)।
حِطَّةٌ — অর্থাৎ ‘হে আমাদের রব! আমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করে দিন’ — এটি একটি দো‘আ।
خَطَايَاكُمْ — তোমাদের গুনাহসমূহ।
الْمُحْسِنِينَ — যারা ভালো কাজ করে, নেককার।
তাফসীর:
আল্লাহ তাআলা বনি ইসরাঈলকে স্মরণ করিয়ে দিচ্ছেন তাঁর সেই অনুগ্রহের কথা, যখন তিনি তাদেরকে বলেছিলেন: ‘তোমরা এই নগরীতে (বাইতুল মুকাদ্দাসে) প্রবেশ করো এবং সেখানে যেখান থেকে ইচ্ছা আরামদায়ক ও প্রশস্তভাবে খাও। তবে প্রবেশের সময় অবশ্যই বিনয়ের সাথে, মাথা নত করে দরজা দিয়ে ঢুকবে এবং মুখে এই দো‘আ বলবে: “হে আমাদের রব! আমাদের পাপ ক্ষমা করে দিন।” আল্লাহ বলেন: যদি তোমরা তা করো, তবে আমি তোমাদের গুনাহ মাফ করে দেব এবং সৎকর্মশীলদেরকে আরও বেশি সওয়াব ও অনুগ্রহ দান করব।’
এখানে মূল শিক্ষা হলো আনুগত্য ও বিনয়ের সাথে আল্লাহর আদেশ পালন করা, এবং পাপ থেকে ক্ষমা চাওয়াই ছিল তাদের জন্য প্রবেশের শর্ত। দুঃখের বিষয়, তারা আদেশ অমান্য করে উল্টো কথা বলেছিল, ফলে তাদের ওপর আযাব নেমে এসেছিল — যা অন্য আয়াতে বর্ণিত হয়েছে।
ফায়দা বা শিক্ষা:
আল্লাহর অনুগ্রহ স্মরণ করলে অন্তরে কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা জন্মে, যা ঈমানকে মজবুত করে।
বিনয় ও নম্রতা আল্লাহর কাছে অত্যন্ত পছন্দনীয় — যে বান্দা তাঁর সামনে মাথা নত করে, আল্লাহ তাকে সম্মানিত করেন।
গুনাহ মাফের সবচেয়ে উত্তম উপায় হলো আন্তরিকভাবে তওবা ও ইস্তিগফার করা; আল্লাহ প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি ক্ষমা করবেন।
ভালো কাজের প্রতিদান আল্লাহ একটির বদলে বহুগুণে দেন, এমনকি নেককারদের জন্য রয়েছে অতিরিক্ত অনুগ্রহ — এটি মুমিনের জন্য বিরাট আশার কথা।
এই আয়াত শেখায় যে, আল্লাহর আদেশ পালনে দেরি বা অহংকার করা উচিত নয়; বরং সাথে সাথে আনুগত্য করাই সফলতার চাবিকাঠি।
আর আমি তোমাদের উপর ছায়া দান করেছি মেঘমালার দ্বারা এবং তোমাদের জন্য খাবার পাঠিয়েছি ’মান্না’ ও সালওয়া’। সেসব পবিত্র বস্তু তোমরা ভক্ষন কর, যা আমি তোমাদেরকে দান করেছি। বস্তুতঃ তারা আমার কোন ক্ষতি করতে পারেনি, বরং নিজেদেরই ক্ষতি সাধন করেছে।
আর যখন আমি বললাম, তোমরা প্রবেশ কর এ নগরীতে এবং এতে যেখানে খুশী খেয়ে স্বাচ্ছন্দ্যে বিচরণ করতে থাক এবং দরজার ভিতর দিয়ে প্রবেশ করার সময় সেজদা করে ঢুক, আর বলতে থাক-‘আমাদিগকে ক্ষমা করে দাও’-তাহলে আমি তোমাদের অপরাধ ক্ষমা করব এবং সৎ কর্মশীলদেরকে অতিরিক্ত দানও করব।
অতঃপর যালেমরা কথা পাল্টে দিয়েছে, যা কিছু তাদেরকে বলে দেয়া হয়েছিল তা থেকে। তারপর আমি অবতীর্ণ করেছি যালেমদের উপর আযাব, আসমান থেকে, নির্দেশ লংঘন করার কারণে।
আর মূসা যখন নিজ জাতির জন্য পানি চাইল, তখন আমি বললাম, স্বীয় যষ্ঠির দ্বারা আঘাত কর পাথরের উপরে। অতঃপর তা থেকে প্রবাহিত হয়ে এল বারটি প্রস্রবণ। তাদের সব গোত্রই চিনে নিল নিজ নিজ ঘাট। আল্লাহর দেয়া রিযিক খাও, পান কর আর দুনিয়ার বুকে দাংগা-হাংগামা করে বেড়িও না।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।