যে ব্যক্তি পরকালে আল্লাহর কাছে ঈমান, তাওহীদ ও সৎকর্ম নিয়ে উপস্থিত হবে—অর্থাৎ যে ব্যক্তি আল্লাহকে এক বলে চিনেছে, তাঁর ইবাদতে কাউকে শরিক করেনি এবং নেক আমল করেছে—তার জন্য আল্লাহর কাছে রয়েছে তার আমলের চেয়েও উত্তম প্রতিদান। এটি হলো জান্নাত, যা কোনো চোখ দেখেনি, কোনো কান শোনেনি এবং কোনো মানুষের কল্পনাতেও আসেনি। আর যারা এভাবে ঈমান ও সৎকর্ম নিয়ে আসবে, তারা সেই মহাভয়ংকর দিনের আতঙ্ক থেকে সম্পূর্ণ নিরাপদ থাকবে। কিয়ামতের দিন যখন মানুষ আতঙ্কে ছুটোছুটি করবে, তখন আল্লাহ তাদের অন্তরে শান্তি দান করবেন এবং তারা কোনো ভয়-ভীতি অনুভব করবে না।
শিক্ষা ও উপকারিতা:
ঈমান ও সৎকর্মের প্রতিদান আল্লাহর পক্ষ থেকে অকল্পনীয়ভাবে উত্তম হবে—এ কথা জানলে মুমিনের অন্তরে আশা ও উৎসাহ জন্মে।
কিয়ামতের ভয়াবহতা থেকে নিরাপত্তা পাওয়া মুমিনের জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ সাফল্য; এটি পেতে হলে দুনিয়ায় আল্লাহর আনুগত্য করা জরুরি।
এই আয়াত মুমিনকে সান্ত্বনা দেয় যে, দুনিয়ার কষ্ট-ক্লেশ যতই হোক না কেন, আখিরাতে রয়েছে চিরস্থায়ী শান্তি ও নিরাপত্তা।
ইসলামের শিক্ষা হলো—ভালো কাজের প্রতিদান শুধু সমান নয়, বরং আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তার চেয়ে বহুগুণ বেশি দেন, যা তাঁর অসীম দয়া ও করুণার পরিচায়ক।
যেদিন সিঙ্গায় ফুৎকার দেওয়া হবে, অতঃপর আল্লাহ যাদেরকে ইচ্ছা করবেন, তারা ব্যতীত নভোমন্ডলে ও ভূমন্ডলে যারা আছে, তারা সবাই ভীতবিহ্বল হয়ে পড়বে এবং সকলেই তাঁর কাছে আসবে বিনীত অবস্থায়।
তুমি পর্বতমালাকে দেখে অচল মনে কর, অথচ সেদিন এগুলো মেঘমালার মত চলমান হবে। এটা আল্লাহর কারিগরী, যিনি সবকিছুকে করেছেন সুসংহত। তোমরা যা কিছু করছ, তিনি তা অবগত আছেন।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।