Afamanit taba`a Ridwaanal laahi kamam baaa`a bisakhatim minal laahi wa maawaahu Jahannam; wa bi`sal maseer
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
যে লোক আল্লাহর ইচ্ছার অনুগত, সে কি ঐ লোকের সমান হতে পারে, যে আল্লাহর রোষ অর্জন করেছে? বস্তুতঃ তার ঠিকানা হল দোযখ। আর তা কতইনা নিকৃষ্ট অবস্থান!
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
भला जो शख्स ख़ुदा की ख़ुशनूदी का पाबन्द हो क्या वह उस शख्स के बराबर हो सकता है जो ख़ुदा के गज़ब में गिरफ्तार हो और जिसका ठिकाना जहन्नुम है और वह क्या बुरा ठिकाना है
بَاءَ – ফিরে এলো, বহন করলো (এখানে অর্থ: নিজের উপর চাপিয়ে নিলো)।
سَخَطٍ – ক্রোধ, অসন্তুষ্টি, গজব।
مَأْوَاهُ – তার আশ্রয়স্থল, আবাসস্থল।
بِئْسَ الْمَصِيرُ – কতই না নিকৃষ্ট এই প্রত্যাবর্তনস্থল/পরিণতি।
তাফসীর (ব্যাখ্যা):
এই আয়াতে আল্লাহ তাআলা দুটি ভিন্ন পথের অনুসারীদের মধ্যে তুলনা করেছেন। প্রশ্নটি হলো: যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য তার জীবনকে সাজায়—তার প্রতিটি কাজ, চিন্তা ও আকাঙ্ক্ষাকে আল্লাহর পছন্দের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে চলে—সে কি সেই ব্যক্তির সমান হতে পারে, যে আল্লাহর ক্রোধ নিজের উপর চাপিয়ে নিয়েছে? অর্থাৎ, যে ব্যক্তি নিজের পাপাচার, অবাধ্যতা এবং কুফরির মাধ্যমে আল্লাহর অসন্তুষ্টি অর্জন করেছে এবং নিজের জন্য জাহান্নামের আগুন নিশ্চিত করেছে?
উত্তরটি স্পষ্ট: এই দু'জন কখনো সমান হতে পারে না। প্রথম ব্যক্তির পরিণতি হলো জান্নাত এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি, আর দ্বিতীয় ব্যক্তির পরিণতি হলো জাহান্নাম—যা অত্যন্ত নিকৃষ্ট আবাসস্থল। এই আয়াতটি মূলত মুমিন ও কাফির, অনুগত ও অবাধ্য—এই দুই শ্রেণির মানুষের মধ্যে পার্থক্যকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছে। যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির পথ বেছে নেয়, সে সফলকাম; আর যে ব্যক্তি আল্লাহর ক্রোধ অর্জন করে, সে চরম ক্ষতিগ্রস্ত।
শিক্ষা ও উপকারিতা:
মানুষের জীবনের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন—তা যেকোনো মূল্যে হলেও।
আল্লাহর সন্তুষ্টি ও অসন্তুষ্টির মধ্যে কোনো তুলনা নেই; এ দুটি পথের পরিণতি সম্পূর্ণ ভিন্ন।
এই আয়াত মুমিনকে সান্ত্বনা দেয় যে, দুনিয়ায় কাফির বা পাপীদের আধিপত্য দেখে হতাশ হওয়ার কিছু নেই; আসল সাফল্য আখিরাতে।
এটি মানুষের মধ্যে আল্লাহর ভয় ও পরকালের চেতনা জাগ্রত করে, যাতে সে পাপ থেকে দূরে থাকে এবং নেক কাজে অগ্রসর হয়।
ইসলামের দৃষ্টিতে মানুষের মর্যাদা তার ঈমান ও আমলের উপর নির্ভরশীল, বংশ, ধন-সম্পদ বা সামাজিক অবস্থানের উপর নয়।
যদি আল্লাহ তোমাদের সহায়তা করেন, তাহলে কেউ তোমাদের উপর পরাক্রান্ত হতে পারবে না। আর যদি তিনি তোমাদের সাহায্য না করেন, তবে এমন কে আছে, যে তোমাদের সাহায্য করতে পারে? আর আল্লাহর ওপরই মুসলমানগনের ভরসা করা উচিত।
আর কোন বিষয় গোপন করে রাখা নবীর কাজ নয়। আর যে লোক গোপন করবে সে কিয়ামতের দিন সেই গোপন বস্তু নিয়ে আসবে। অতঃপর পরিপূর্ণভাবে পাবে প্রত্যেকে, যা সে অর্জন করেছে। আর তাদের প্রতি কোন অন্যায় করা হবে না।
আল্লাহ ঈমানদারদের উপর অনুগ্রহ করেছেন যে, তাদের মাঝে তাদের নিজেদের মধ্য থেকে নবী পাঠিয়েছেন। তিনি তাদের জন্য তাঁর আয়াতসমূহ পাঠ করেন। তাদেরকে পরিশোধন করেন এবং তাদেরকে কিতাব ও কাজের কথা শিক্ষা দেন। বস্তুতঃ তারা ছিল পূর্ব থেকেই পথভ্রষ্ট।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।