Shahidal laahu annahoo laa ilaaha illaa Huwa walmalaaa`ikatu wa ulul `ilmi qaaa`imam bilqist; laaa ilaaha illaa Huwal `Azeezul Hakeem
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
আল্লাহ সাক্ষ্য দিয়েছেন যে, তাঁকে ছাড়া আর কোন উপাস্য নেই। ফেরেশতাগণ এবং ন্যায়নিষ্ঠ জ্ঞানীগণও সাক্ষ্য দিয়েছেন যে, তিনি ছাড়া আর কোন ইলাহ নেই। তিনি পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
ज़रूर ख़ुदा और फ़रिश्तों और इल्म वालों ने गवाही दी है कि उसके सिवा कोई माबूद क़ाबिले परसतिश नहीं है और वह ख़ुदा अद्ल व इन्साफ़ के साथ (कारख़ानाए आलम का) सॅभालने वाला है उसके सिवा कोई माबूद नहीं (वही हर चीज़ पर) ग़ालिब और दाना है (सच्चा) दीन तो ख़ुदा के नज़दीक यक़ीनन (बस यही) इस्लाम है
আল্লাহ সাক্ষ্য দিয়েছেন যে, তাঁকে ছাড়া আর কোন উপাস্য নেই। ফেরেশতাগণ এবং ন্যায়নিষ্ঠ জ্ঞানীগণও সাক্ষ্য দিয়েছেন যে, তিনি ছাড়া আর কোন ইলাহ নেই। তিনি পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
📜
অনুবাদ — Tafsir
শব্দের অর্থ:
شَهِدَ اللهُ — আল্লাহ সাক্ষ্য দিয়েছেন, অর্থাৎ তিনি নিজেই ঘোষণা ও প্রকাশ করেছেন।
قَائِمًا بِالْقِسْطِ — ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠাকারী; অর্থাৎ তিনি ন্যায়ের সাথে সমস্ত কিছু পরিচালনা করেন।
الْعَزِيزُ — পরাক্রমশালী, যাঁকে কেউ পরাজিত করতে পারে না।
الْحَكِيمُ — প্রজ্ঞাময়, যাঁর সকল কাজ ও আদেশ নিখুঁত জ্ঞান ও প্রজ্ঞার ভিত্তিতে।
তাফসীর (ব্যাখ্যা):
আল্লাহ তাআলা নিজেই ঘোষণা করেছেন যে, তিনি ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই। তিনি তাঁর একত্বের সাক্ষ্য দিয়েছেন এবং এই সাক্ষ্যে তিনি ফেরেশতাদের এবং জ্ঞানী ব্যক্তিদেরকেও অংশীদার করেছেন। অর্থাৎ, ফেরেশতারা এবং নবী-রাসূলগণ ও ঈমানদার জ্ঞানী ব্যক্তিরা—সবাই এই সত্যের সাক্ষ্য দিয়েছেন যে, আল্লাহই একমাত্র উপাস্য, তিনি ছাড়া আর কোনো ইলাহ নেই। এই সাক্ষ্য দেওয়ার অর্থ হলো, তারা এই বিষয়টি দৃঢ় বিশ্বাসের সাথে স্বীকার করেছেন এবং মানুষের কাছে তা প্রচার করেছেন।
আল্লাহ তাআলা ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠাকারী। তিনি তাঁর সৃষ্টি ও বিধান—সবকিছুতে ন্যায়পরায়ণতা বজায় রাখেন। তাঁর কোনো কাজে জুলুম বা অন্যায় নেই। তিনি তাঁর বান্দাদের প্রতি ন্যায়বিচার করেন এবং তাঁর আইনও ন্যায়ের উপর প্রতিষ্ঠিত।
অতঃপর আল্লাহ তাআলা পুনরায় ঘোষণা করেছেন: "আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই; তিনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।" অর্থাৎ, তিনি এমন পরাক্রমশালী যে, তাঁর ইচ্ছার বিরুদ্ধে কেউ দাঁড়াতে পারে না এবং তিনি এমন প্রজ্ঞাময় যে, তাঁর সকল কাজ, সৃষ্টি ও বিধান অত্যন্ত সুপরিকল্পিত ও নিখুঁত।
শিক্ষা ও উপকারিতা:
তাওহীদ (একত্ববাদ) ইসলামের মূল ভিত্তি। আল্লাহ নিজেই এই সত্যের সাক্ষ্য দিয়েছেন, তাই প্রতিটি মুমিনের উচিত এই সাক্ষ্যকে অন্তর থেকে বিশ্বাস করা এবং জীবনযাপনে তা বাস্তবায়ন করা।
জ্ঞান অর্জন অত্যন্ত সম্মানজনক। আল্লাহ তাআলা জ্ঞানীদের সাক্ষ্যকে নিজের সাক্ষ্যের সাথে যুক্ত করেছেন, যা প্রমাণ করে যে, জ্ঞানী ব্যক্তিদের মর্যাদা অত্যন্ত উচ্চ।
ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা আল্লাহর গুণ। মুমিনদের উচিত নিজেদের জীবনে ন্যায়পরায়ণতা অবলম্বন করা এবং সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখা।
আল্লাহর গুণাবলী সম্পর্কে জানা এবং চিন্তা করা ঈমানকে দৃঢ় করে। তাঁর পরাক্রমশালিতা ও প্রজ্ঞা উপলব্ধি করলে মানুষের অন্তরে তাঁর প্রতি ভয় ও ভালোবাসা বৃদ্ধি পায়।
এই আয়াত প্রমাণ করে যে, প্রকৃত জ্ঞান ও ঈমান একে অপরের পরিপূরক। জ্ঞানী ব্যক্তিরাই আল্লাহর একত্ব ও ন্যায়বিচার সম্পর্কে মানুষের কাছে সাক্ষ্য দিতে পারেন।
আল্লাহ সাক্ষ্য দিয়েছেন যে, তাঁকে ছাড়া আর কোন উপাস্য নেই। ফেরেশতাগণ এবং ন্যায়নিষ্ঠ জ্ঞানীগণও সাক্ষ্য দিয়েছেন যে, তিনি ছাড়া আর কোন ইলাহ নেই। তিনি পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
নিঃসন্দেহে আল্লাহর নিকট গ্রহণযোগ্য দ্বীন একমাত্র ইসলাম। এবং যাদের প্রতি কিতাব দেয়া হয়েছে তাদের নিকট প্রকৃত জ্ঞান আসার পরও ওরা মতবিরোধে লিপ্ত হয়েছে, শুধুমাত্র পরস্পর বিদ্বেষবশতঃ, যারা আল্লাহর নিদর্শনসমূহের প্রতি কুফরী করে তাদের জানা উচিত যে, নিশ্চিতরূপে আল্লাহ হিসাব গ্রহণে অত্যন্ত দ্রুত।
যদি তারা তোমার সাথে বিতর্কে অবতীর্ণ হয় তবে বলে দাও, "আমি এবং আমার অনুসরণকারীগণ আল্লাহর প্রতি আত্নসমর্পণ করেছি।" আর আহলে কিতাবদের এবং নিরক্ষরদের বলে দাও যে, তোমরাও কি আত্নসমর্পণ করেছ? তখন যদি তারা আত্নসমর্পণ করে, তবে সরল পথ প্রাপ্ত হলো, আর যদি মুখ ঘুরিয়ে নেয়, তাহলে তোমার দায়িত্ব হলো শুধু পৌছে দেয়া। আর আল্লাহর দৃষ্টিতে রয়েছে সকল বান্দা।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।