Fastajaaba lahum Rabbuhum annee laaa Udee`u `amala `aamilim minkum min zakarin aw unsaa ba`dukum mim ba`din fal lazeena haajaroo wa ukhrijoo min diyaarihim wa oozoo fee sabeelee wa qaataloo wa qutiloo la ukaffiranna `anhum saiyi aatihim wa la udkhilanna hum Jannnatin tajree min tahtihal anhaaru sawaabam min `indil laah; wallaahu `indahoo husnus sawaab
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
অতঃপর তাদের পালনকর্তা তাদের দোয়া (এই বলে) কবুল করে নিলেন যে, আমি তোমাদের কোন পরিশ্রমকারীর পরিশ্রমই বিনষ্ট করি না, তা সে পুরুষ হোক কিংবা স্ত্রীলোক। তোমরা পরস্পর এক। তারপর সে সমস্ত লোক যারা হিজরত করেছে, তাদেরকে নিজেদের দেশ থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে এবং তাদের প্রতি উৎপীড়ন করা হয়েছে আমার পথে এবং যারা লড়াই করেছে ও মৃত্যুবরণ করেছে, অবশ্যই আমি তাদের উপর থেকে অকল্যাণকে অপসারিত করব। এবং তাদেরকে প্রবিষ্ট করব জান্নাতে যার তলদেশে নহর সমূহ প্রবাহিত। এই হলো বিনিময় আল্লাহর পক্ষ থেকে। আর আল্লাহর নিকট রয়েছে উত্তম বিনিময়।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
तो उनके परवरदिगार ने दुआ कुबूल कर ली और (फ़रमाया) कि हम तुममें से किसी काम करने वाले के काम को अकारत नहीं करते मर्द हो या औरत (उस में कुछ किसी की खुसूसियत नहीं क्योंकि) तुम एक दूसरे (की जिन्स) से हो जो लोग (हमारे लिए वतन आवारा हुए) और शहर बदर किए गए और उन्होंने हमारी राह में अज़ीयतें उठायीं और (कुफ्फ़र से) जंग की और शहीद हुए मैं उनकी बुराईयों से ज़रूर दरगुज़र करूंगा और उन्हें बेहिश्त के उन बाग़ों में ले जाऊॅगा जिनके नीचे नहरें जारी हैं ख़ुदा के यहॉ ये उनके किये का बदला है और ख़ुदा (ऐसा ही है कि उस) के यहॉ तो अच्छा ही बदला है
অতঃপর তাদের পালনকর্তা তাদের দোয়া (এই বলে) কবুল করে নিলেন যে, আমি তোমাদের কোন পরিশ্রমকারীর পরিশ্রমই বিনষ্ট করি না, তা সে পুরুষ হোক কিংবা স্ত্রীলোক। তোমরা পরস্পর এক। তারপর সে সমস্ত লোক যারা হিজরত করেছে, তাদেরকে নিজেদের দেশ থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে এবং তাদের প্রতি উৎপীড়ন করা হয়েছে আমার পথে এবং যারা লড়াই করেছে ও মৃত্যুবরণ করেছে, অবশ্যই আমি তাদের উপর থেকে অকল্যাণকে অপসারিত করব। এবং তাদেরকে প্রবিষ্ট করব জান্নাতে যার তলদেশে নহর সমূহ প্রবাহিত। এই হলো বিনিময় আল্লাহর পক্ষ থেকে। আর আল্লাহর নিকট রয়েছে উত্তম বিনিময়।
📜
অনুবাদ — Tafsir
### معاني الكلمات:
فَاسْتَجَابَ لَهُمْ رَبُّهُمْ: আল্লাহ তাদের দোয়া কবুল করলেন।
لَا أُضِيعُ: আমি বিনষ্ট করি না, নষ্ট করি না।
عَمَلَ عَامِلٍ: কোনো আমলকারীর আমল।
بَعْضُكُم مِّن بَعْضٍ: তোমরা একে অপরের থেকে (একই ধর্মীয় ভ্রাতৃত্বে আবদ্ধ)।
هَاجَرُوا: যারা হিজরত করেছে (আল্লাহর পথে নিজ দেশ ত্যাগ করেছে)।
أُخْرِجُوا مِن دِيَارِهِمْ: যাদেরকে নিজ ঘর-বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে।
أُوذُوا فِي سَبِيلِي: আমার পথে (আল্লাহর পথে) তাদেরকে কষ্ট দেওয়া হয়েছে।
قَاتَلُوا وَقُتِلُوا: যুদ্ধ করেছে এবং শহীদ হয়েছে।
لَأُكَفِّرَنَّ عَنْهُمْ سَيِّئَاتِهِمْ: আমি অবশ্যই তাদের পাপসমূহ মাফ করে দেব।
ثَوَابًا مِّنْ عِندِ اللَّهِ: আল্লাহর পক্ষ থেকে পুরস্কার হিসেবে।
حُسْنُ الثَّوَابِ: উত্তম প্রতিদান।
### تفسير الآية:
আল্লাহ তাআলা তাঁর বান্দাদের দোয়ার উত্তর দিয়ে ঘোষণা করেছেন যে, তিনি কোনো আমলকারীর আমল বিনষ্ট করেন না—তা যত ছোটই হোক বা বড়ই হোক, চাই তা পুরুষের হোক বা নারীর। কারণ ইসলামের দৃষ্টিতে পুরুষ ও নারী ধর্মীয় ভ্রাতৃত্ব ও আমল গ্রহণের দিক থেকে সম্পূর্ণ সমান; কেউ কারও চেয়ে শ্রেষ্ঠ নয়, তবে তাকওয়ার ভিত্তিতে আল্লাহর কাছে মর্যাদা ভিন্ন হতে পারে।
এরপর আল্লাহ সেই সকল মুমিনের কথা উল্লেখ করেছেন যারা তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিজ দেশ ত্যাগ করেছে (হিজরত করেছে), যাদেরকে জোরপূর্বক ঘর থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে, যারা আল্লাহর পথে নানাভাবে নির্যাতিত হয়েছে, যারা শত্রুর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছে এবং যারা এ পথে শহীদ হয়েছে। আল্লাহ ঘোষণা করছেন যে, তিনি অবশ্যই তাদের গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেবেন এবং তাদেরকে এমন জান্নাতে প্রবেশ করাবেন যার নিচ দিয়ে নদীসমূহ প্রবাহিত হবে। এটি হবে আল্লাহর পক্ষ থেকে বিশেষ পুরস্কার। আর আল্লাহর কাছে রয়েছে সর্বোত্তম প্রতিদান, যা কোনো চোখ দেখেনি, কোনো কান শোনেনি এবং কোনো মানুষের কল্পনাতেও আসেনি।
### ফায়দা বা শিক্ষা:
আল্লাহ তাঁর বান্দাদের দোয়া কবুল করেন এবং তাদের আমল কখনো বিনষ্ট করেন না। এটি মুমিনের জন্য বিশাল আশ্বাস।
ইসলামে নারী-পুরুষের আমল ও প্রতিদানের ক্ষেত্রে কোনো বৈষম্য নেই; উভয়ের আমলই আল্লাহর কাছে সমানভাবে গৃহীত হয়।
আল্লাহর পথে ত্যাগ, কষ্ট সহ্য, হিজরত, জিহাদ ও শাহাদাতের মর্যাদা অত্যন্ত উচ্চ। এগুলো গুনাহ মাফের এবং জান্নাত লাভের মাধ্যম।
আল্লাহর পুরস্কার অকল্পনীয় ও অসীম; দুনিয়ার যেকোনো সুখ-সম্পদের চেয়ে তা উত্তম।
এই আয়াত মুমিনদের ধৈর্য ও সাহস দেয় যে, দুনিয়ার কষ্ট ও নির্যাতন ক্ষণস্থায়ী, আর আল্লাহর প্রতিদান চিরস্থায়ী।
হে আমাদের পালনকর্তা! আমরা নিশ্চিতরূপে শুনেছি একজন আহবানকারীকে ঈমানের প্রতি আহবান করতে যে, তোমাদের পালনকর্তার প্রতি ঈমান আন; তাই আমরা ঈমান এনেছি। হে আমাদের পালনকর্তা! অতঃপর আমাদের সকল গোনাহ মাফ কর এবং আমাদের সকল দোষত্রুটি দুর করে দাও, আর আমাদের মৃত্যু দাও নেক লোকদের সাথে।
হে আমাদের পালনকর্তা! আমাদেরকে দাও, যা তুমি ওয়াদা করেছ তোমার রসূলগণের মাধ্যমে এবং কিয়ামতের দিন আমাদিগকে তুমি অপমানিত করো না। নিশ্চয় তুমি ওয়াদা খেলাফ করো না।
অতঃপর তাদের পালনকর্তা তাদের দোয়া (এই বলে) কবুল করে নিলেন যে, আমি তোমাদের কোন পরিশ্রমকারীর পরিশ্রমই বিনষ্ট করি না, তা সে পুরুষ হোক কিংবা স্ত্রীলোক। তোমরা পরস্পর এক। তারপর সে সমস্ত লোক যারা হিজরত করেছে, তাদেরকে নিজেদের দেশ থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে এবং তাদের প্রতি উৎপীড়ন করা হয়েছে আমার পথে এবং যারা লড়াই করেছে ও মৃত্যুবরণ করেছে, অবশ্যই আমি তাদের উপর থেকে অকল্যাণকে অপসারিত করব। এবং তাদেরকে প্রবিষ্ট করব জান্নাতে যার তলদেশে নহর সমূহ প্রবাহিত। এই হলো বিনিময় আল্লাহর পক্ষ থেকে। আর আল্লাহর নিকট রয়েছে উত্তম বিনিময়।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।