Afamai yattaqee biwaj hihee sooo`al `azaabi Yawmal Qiyaamah; wa qeela lizzaali meena zooqoo maa kuntum taksiboon
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
যে ব্যক্তি কেয়ামতের দিন তার মুখ দ্বারা অশুভ আযাব ঠেকাবে এবং এরূপ জালেমদেরকে বলা হবে, তোমরা যা করতে তার স্বাদ আস্বাদন কর,-সে কি তার সমান, যে এরূপ নয়?
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
तो क्या जो शख्स क़यामत के दिन अपने मुँह को बड़े अज़ाब की सिपर बनाएगा (नाज़ी के बराबर हो सकता है) और ज़ालिमों से कहा जाएगा कि तुम (दुनिया में) जैसा कुछ करते थे अब उसके मज़े चखो
যে ব্যক্তি কেয়ামতের দিন তার মুখ দ্বারা অশুভ আযাব ঠেকাবে এবং এরূপ জালেমদেরকে বলা হবে, তোমরা যা করতে তার স্বাদ আস্বাদন কর,-সে কি তার সমান, যে এরূপ নয়?
📜
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
يَتَّقِي — আত্মরক্ষা করা, বাঁচার চেষ্টা করা।
سُوءَ الْعَذَابِ — কঠিন/নিকৃষ্টতম শাস্তি।
مَا كُنتُمْ تَكْسِبُونَ — যা তোমরা (পৃথিবীতে) অর্জন করতে (পাপ ও কুফরি)।
তাফসির:
যে ব্যক্তি কুফরি ও পাপাচারে লিপ্ত থেকে মৃত্যুবরণ করেছে, কিয়ামতের দিন তাকে শিকলে বাঁধা অবস্থায় জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে। তার হাত-পা বাঁধা থাকবে, ফলে সে আগুন থেকে বাঁচার জন্য হাত দিয়ে আত্মরক্ষা করতে পারবে না। তখন তার মুখমণ্ডলই একমাত্র অঙ্গ হবে যা দিয়ে সে আগুনের তাপ থেকে নিজেকে বাঁচানোর চেষ্টা করবে—অথচ মুখই মানুষের সবচেয়ে সম্মানিত ও নাজুক অঙ্গ। প্রশ্ন হলো: এই ভয়াবহ পরিণতির সম্মুখীন ব্যক্তি কি তার সমান, যে আল্লাহর হিদায়াত পেয়ে জান্নাতে নিরাপদ ও শান্তিতে থাকবে? কখনোই না।
অতঃপর জাহান্নামের প্রহরীরা জালিমদের (যারা নিজেদের প্রতি অত্যাচার করেছে কুফরি ও গুনাহের মাধ্যমে) ধমক দিয়ে বলবে: “এখন সে শাস্তির স্বাদ গ্রহণ কর, যা তোমরা দুনিয়ায় নিজ হাতে অর্জন করেছিলে।” এটি তাদের প্রতি চরম লাঞ্ছনা ও তিরস্কারের বাণী।
শিক্ষা ও উপদেশ:
দুনিয়ার সাময়িক সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য যেন আমাদেরকে আল্লাহর আনুগত্য থেকে বিমুখ না করে; কারণ আখিরাতের শাস্তি অত্যন্ত ভয়াবহ ও স্থায়ী।
মানুষের সম্মান ও মর্যাদা রক্ষার জন্য আল্লাহ তাকে হাত-পা ও অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দিয়েছেন। এই নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় করা উচিত, আর তা হলো এই অঙ্গগুলোকে আল্লাহর নাফরমানিতে না ব্যবহার করা।
কিয়ামতের দিন প্রতিটি কাজের হিসাব দেওয়া হবে; ভালো কাজের প্রতিদান জান্নাত এবং মন্দ কাজের শাস্তি জাহান্নাম—এতে কারো প্রতি জুলুম হবে না।
আল্লাহর হিদায়াতই সবচেয়ে বড় নেয়ামত। যে ব্যক্তি এই হিদায়াত লাভ করে, সে দুনিয়া ও আখিরাত উভয় জায়গায় সফলকাম।
জাহান্নামের শাস্তি থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় হলো তাওবা করা, আল্লাহর রহমতের আশ্রয় নেওয়া এবং তাঁর নির্দেশিত পথে চলা।
আল্লাহ যার বক্ষ ইসলামের জন্যে উম্মুক্ত করে দিয়েছেন, অতঃপর সে তার পালনকর্তার পক্ষ থেকে আগত আলোর মাঝে রয়েছে। (সে কি তার সমান, যে এরূপ নয়) যাদের অন্তর আল্লাহ স্মরণের ব্যাপারে কঠোর, তাদের জন্যে দূর্ভোগ। তারা সুস্পষ্ঠ গোমরাহীতে রয়েছে।
আল্লাহ উত্তম বাণী তথা কিতাব নাযিল করেছেন, যা সামঞ্জস্যপূর্ণ, পূনঃ পূনঃ পঠিত। এতে তাদের লোম কাঁটা দিয়ে উঠে চামড়ার উপর, যারা তাদের পালনকর্তাকে ভয় করে, এরপর তাদের চামড়া ও অন্তর আল্লাহর স্মরণে বিনম্র হয়। এটাই আল্লাহর পথ নির্দেশ, এর মাধ্যমে আল্লাহ যাকে ইচ্ছা পথ প্রদর্শন করেন। আর আল্লাহ যাকে গোমরাহ করেন, তার কোন পথপ্রদর্শক নেই।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।