Yaa aiyuhal lazeena aamanoo koonoo qawwa ameena bilqisti shuhadaaa`a lillaahi wa law `alaa anfusikum awil waalidaini wal aqrabeen iny yakun ghaniyyan aw faqeeran fallaahu awlaa bihimaa falaaa tattabi`ul hawaaa an ta`diloo; wa in talwooo aw tu`ridoo fa innal laaha kaana bimaa ta`maloona Khabeera
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
হে ঈমানদারগণ, তোমরা ন্যায়ের উপর প্রতিষ্ঠিত থাক; আল্লাহর ওয়াস্তে ন্যায়সঙ্গত সাক্ষ্যদান কর, তাতে তোমাদের নিজের বা পিতা-মাতার অথবা নিকটবর্তী আত্নীয়-স্বজনের যদি ক্ষতি হয় তবুও। কেউ যদি ধনী কিংবা দরিদ্র হয়, তবে আল্লাহ তাদের শুভাকাঙ্খী তোমাদের চাইতে বেশী। অতএব, তোমরা বিচার করতে গিয়ে রিপুর কামনা-বাসনার অনুসরণ করো না। আর যদি তোমরা ঘুরিয়ে-পেঁচিয়ে কথা বল কিংবা পাশ কাটিয়ে যাও, তবে আল্লাহ তোমাদের যাবতীয় কাজ কর্ম সম্পর্কেই অবগত।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
ऐ ईमानवालों मज़बूती के साथ इन्साफ़ पर क़ायम रहो और ख़ुदा के लये गवाही दो अगरचे (ये गवाही) ख़ुद तुम्हारे या तुम्हारे मॉ बाप या क़राबतदारों के लिए खिलाफ़ (ही क्यो) न हो ख्वाह मालदार हो या मोहताज (क्योंकि) ख़ुदा तो (तुम्हारी बनिस्बत) उनपर ज्यादा मेहरबान है तो तुम (हक़ से) कतराने में ख्वाहिशे नफ़सियानी की पैरवी न करो और अगर घुमा फिरा के गवाही दोगे या बिल्कुल इन्कार करोगे तो (याद रहे जैसी करनी वैसी भरनी क्योंकि) जो कुछ तुम करते हो ख़ुद उससे ख़ूब वाक़िफ़ है
হে ঈমানদারগণ, তোমরা ন্যায়ের উপর প্রতিষ্ঠিত থাক; আল্লাহর ওয়াস্তে ন্যায়সঙ্গত সাক্ষ্যদান কর, তাতে তোমাদের নিজের বা পিতা-মাতার অথবা নিকটবর্তী আত্নীয়-স্বজনের যদি ক্ষতি হয় তবুও। কেউ যদি ধনী কিংবা দরিদ্র হয়, তবে আল্লাহ তাদের শুভাকাঙ্খী তোমাদের চাইতে বেশী। অতএব, তোমরা বিচার করতে গিয়ে রিপুর কামনা-বাসনার অনুসরণ করো না। আর যদি তোমরা ঘুরিয়ে-পেঁচিয়ে কথা বল কিংবা পাশ কাটিয়ে যাও, তবে আল্লাহ তোমাদের যাবতীয় কাজ কর্ম সম্পর্কেই অবগত।
📜
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ ও ব্যাখ্যা:
قَوَّامِينَ – অর্থ: প্রতিষ্ঠা করা, দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে থাকা, সর্বদা পালন করা।
تُعْرِضُوا – অর্থ: সাক্ষ্য দিতে অস্বীকার করা বা তা গোপন করা।
তাফসীর (ব্যাখ্যা):
হে ঈমানদারগণ! তোমরা সর্বদা ন্যায়বিচারের উপর প্রতিষ্ঠিত থাকো এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য সাক্ষ্য প্রদান করো—যদিও তা তোমাদের নিজেদের বিরুদ্ধে যায়, অথবা তোমাদের পিতা-মাতা বা নিকটাত্মীয়দের বিরুদ্ধে যায়। সাক্ষ্যের ক্ষেত্রে কেউ ধনী বা গরিব হোক, তোমরা ন্যায়পরায়ণতা বজায় রাখবে। কারণ, আল্লাহই তাদের সম্পর্কে বেশি জানেন এবং তাদের প্রকৃত কল্যাণ কী তা তিনিই ভালো বোঝেন। সুতরাং তোমরা নিজেদের প্রবৃত্তি ও ইচ্ছার অনুসরণ করো না, যা তোমাদের ন্যায়বিচার থেকে বিচ্যুত করতে পারে। আর যদি তোমরা সাক্ষ্যকে বিকৃত করো বা তা প্রদান করতে অস্বীকার করো, তবে জেনে রাখো—আল্লাহ তোমাদের সকল কাজ সম্পর্কে সম্পূর্ণ অবগত এবং তিনি তোমাদের কর্ম অনুযায়ী প্রতিদান দেবেন।
শিক্ষা ও উপদেশ:
ইসলাম ন্যায়বিচারকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয় এবং তা নিজের বা পরিবারের বিরুদ্ধে হলেও প্রতিষ্ঠা করতে নির্দেশ দেয়।
সাক্ষ্য প্রদান একটি আমানত; তা বিকৃত করা বা গোপন করা মারাত্মক গুনাহ।
ধনী-গরিব, আত্মীয়-অনাত্মীয়—সবার সাথে সমান ন্যায়বিচার ইসলামের মূল শিক্ষা।
প্রবৃত্তির অনুসরণ মানুষকে অন্যায়ের দিকে নিয়ে যায়; তাই আল্লাহর ভয়ই ন্যায়ের পথে ধরে রাখে।
আল্লাহ সবকিছু দেখেন ও জানেন; কোনো কর্মই তাঁর দৃষ্টি এড়াতে পারে না। তাই প্রতিটি কাজে সতর্ক থাকা উচিত।
হে ঈমানদারগণ, তোমরা ন্যায়ের উপর প্রতিষ্ঠিত থাক; আল্লাহর ওয়াস্তে ন্যায়সঙ্গত সাক্ষ্যদান কর, তাতে তোমাদের নিজের বা পিতা-মাতার অথবা নিকটবর্তী আত্নীয়-স্বজনের যদি ক্ষতি হয় তবুও। কেউ যদি ধনী কিংবা দরিদ্র হয়, তবে আল্লাহ তাদের শুভাকাঙ্খী তোমাদের চাইতে বেশী। অতএব, তোমরা বিচার করতে গিয়ে রিপুর কামনা-বাসনার অনুসরণ করো না। আর যদি তোমরা ঘুরিয়ে-পেঁচিয়ে কথা বল কিংবা পাশ কাটিয়ে যাও, তবে আল্লাহ তোমাদের যাবতীয় কাজ কর্ম সম্পর্কেই অবগত।
হে ঈমানদারগণ, আল্লাহর উপর পরিপূর্ণ বিশ্বাস স্থাপন কর এবং বিশ্বাস স্থাপন কর তাঁর রসূলও তাঁর কিতাবের উপর, যা তিনি নাযিল করেছেন স্বীয় রসূলের উপর এবং সেসমস্ত কিতাবের উপর, যেগুলো নাযিল করা হয়েছিল ইতিপূর্বে। যে আল্লাহর উপর, তাঁর ফেরেশতাদের উপর, তাঁর কিতাব সমূহের উপর এবং রসূলগণের উপর ও কিয়ামতদিনের উপর বিশ্বাস করবে না, সে পথভ্রষ্ট হয়ে বহু দূরে গিয়ে পড়বে।
যারা একবার মুসলমান হয়ে পরে পুনরায় কাফের হয়ে গেছে, আবার মুসলমান হয়েছে এবং আবারো কাফের হয়েছে এবং কুফরীতেই উন্নতি লাভ করেছে, আল্লাহ তাদেরকে না কখনও ক্ষমা করবেন, না পথ দেখাবেন।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।