ফুসসিলাত · 9/54
অনুবাদ উচ্চারণ — সূরা ফুসসিলাত
۞ قُلْ أَئِنَّكُمْ لَتَكْفُرُونَ بِالَّذِي خَلَقَ الْأَرْضَ فِي يَوْمَيْنِ وَتَجْعَلُونَ لَهُ أَندَادًا ۚ ذَٰلِكَ رَبُّ الْعَالَمِينَ ۝٩
Qul a`innakum latakfuroona billazee khalaqal arda fee yawmaini wa taj`aloona lahooo andaadaa; zaalika Rabbul `aalameen
📖 বাংলা অর্থ
বলুন, তোমরা কি সে সত্তাকে অস্বীকার কর যিনি পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন দু’দিনে এবং তোমরা কি তাঁর সমকক্ষ স্থীর কর? তিনি তো সমগ্র বিশ্বের পালনকর্তা।

M Mishary Rashid Alafasy ✓
M Mahmoud Khalil Al-Husary ✓
A Abdurrahman As-Sudais ✓
M Mohamed Siddiq Al-Minshawi ✓
A Abdul Basit Abdul Samad ✓
A Ali Al-Hudhaify ✓
A Ahmed ibn Ali al-Ajamy ✓
A Abu Bakr Ash-Shaatree ✓
M Muhammad Ayyoub ✓
A Abdullah Basfar ✓
A Abdullah Al-Juhani ✓
M Maher Al Muaiqly ✓
0:00
0:00
📜

অনুবাদ — Tafsir

শব্দার্থ:

  • أَندَادًا (আন্দাদ) — অর্থ: সমকক্ষ, অংশীদার, প্রতিদ্বন্দ্বী। এখানে আল্লাহর সাথে শিরক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, অর্থাৎ আল্লাহর সমকক্ষ সৃষ্টি করা।
  • رَبُّ الْعَالَمِينَ (রব্বুল আলামীন) — অর্থ: সমগ্র জগতের প্রতিপালক ও মালিক।

তাফসীর:

হে নবী! আপনি এই মুশরিকদের উদ্দেশ্যে বলুন, তাদের কর্মকাণ্ডকে তিরস্কার ও বিস্ময়ের সাথে — তোমরা কি সত্যিই সেই সত্তার প্রতি কুফরি করছ, যিনি মাত্র দুই দিনে (রবিবার ও সোমবার) সমগ্র পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন? অথচ তিনি এত মহান ও ক্ষমতাবান যে, তাঁর সৃষ্টির কোনো কিছুই তাঁর সমকক্ষ নয়। আর তোমরা তাঁর জন্য অংশীদার স্থির করছ এবং তাদেরকে তাঁর সাথে উপাস্য বানিয়ে নিচ্ছ? অথচ এই পৃথিবীসহ সমগ্র সৃষ্টিজগতের প্রতিপালক তো তিনিই — যিনি সবকিছু সৃষ্টি করেছেন এবং সবকিছুর রিজিক দান করেন। তাঁর কোনো শরিক নেই, কোনো সমকক্ষ নেই। তোমাদের এই কুফরি ও শিরক কতই না অযৌক্তিক এবং তোমাদের বুদ্ধি কতই না বিভ্রান্ত!

শিক্ষা ও উপদেশ:

  1. আল্লাহ তাআলার সৃষ্টি ক্ষমতার প্রতি গভীর চিন্তা করা — যিনি দুই দিনে বিশাল পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন, তিনি অবশ্যই পুনরুত্থান ও হিসাব-নিকাশের ক্ষমতা রাখেন। তাই তাঁর প্রতি ঈমান আনা এবং তাঁর আদেশ-নিষেধ মেনে চলা প্রতিটি মানুষের কর্তব্য।
  2. শিরক হলো সবচেয়ে বড় অন্যায় ও অজ্ঞতা — যে সত্তা সবকিছু সৃষ্টি করেছেন, তাঁর সাথে অন্য কাউকে শরিক করা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ও বুদ্ধিবিরোধী কাজ।
  3. আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা — তিনি আমাদের জন্য পৃথিবীকে বসবাসের উপযোগী করে সৃষ্টি করেছেন, তাই আমাদের উচিত তাঁর একমাত্র ইবাদত করা এবং তাঁর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করা।
  4. এই আয়াত প্রমাণ করে যে, আল্লাহর সৃষ্টি ও পরিচালনা একক — তিনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, কোনো সাহায্যকারী নেই। তাই মুমিনের উচিত সব বিষয়ে একমাত্র আল্লাহর ওপর ভরসা করা এবং তাঁর কাছেই সাহায্য চাওয়া।


📜 আয়াত 7-11 — সূরা ফুসসিলাত

7الَّذِينَ لَا يُؤْتُونَ الزَّكَاةَ وَهُم بِالْآخِرَةِ هُمْ كَافِرُونَ
যারা যাকাত দেয় না এবং পরকালকে অস্বীকার করে।
8إِنَّ الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ لَهُمْ أَجْرٌ غَيْرُ مَمْنُونٍ
নিশ্চয় যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম করে, তাদের জন্যে রয়েছে অফুরন্ত পুরস্কার।
9۞ قُلْ أَئِنَّكُمْ لَتَكْفُرُونَ بِالَّذِي خَلَقَ الْأَرْضَ فِي يَوْمَيْنِ وَتَجْعَلُونَ لَهُ أَندَادًا ۚ ذَٰلِكَ رَبُّ الْعَالَمِينَ
বলুন, তোমরা কি সে সত্তাকে অস্বীকার কর যিনি পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন দু’দিনে এবং তোমরা কি তাঁর সমকক্ষ স্থীর কর? তিনি তো সমগ্র বিশ্বের পালনকর্তা।
10وَجَعَلَ فِيهَا رَوَاسِيَ مِن فَوْقِهَا وَبَارَكَ فِيهَا وَقَدَّرَ فِيهَا أَقْوَاتَهَا فِي أَرْبَعَةِ أَيَّامٍ سَوَاءً لِّلسَّائِلِينَ
তিনি পৃথিবীতে উপরিভাগে অটল পর্বতমালা স্থাপন করেছেন, তাতে কল্যাণ নিহিত রেখেছেন এবং চার দিনের মধ্যে তাতে তার খাদ্যের ব্যবস্থা করেছেন-পূর্ণ হল জিজ্ঞাসুদের জন্যে।
11ثُمَّ اسْتَوَىٰ إِلَى السَّمَاءِ وَهِيَ دُخَانٌ فَقَالَ لَهَا وَلِلْأَرْضِ ائْتِيَا طَوْعًا أَوْ كَرْهًا قَالَتَا أَتَيْنَا طَائِعِينَ
অতঃপর তিনি আকাশের দিকে মনোযোগ দিলেন যা ছিল ধুম্রকুঞ্জ, অতঃপর তিনি তাকে ও পৃথিবীকে বললেন, তোমরা উভয়ে আস ইচ্ছায় অথবা অনিচ্ছায়। তারা বলল, আমরা স্বেচ্ছায় আসলাম।
ফুসসিলাতকুরআন সূচী
54আয়াত
মাক্কীঅবতরণস্থান
9আয়াত

অনুবাদ — ফুসসিলাত 9

সূরা ফুসসিলাত আয়াত 9 - পড়ুন, শুনুন, অনুবাদ, বাংলা : বলুন, তোমরা কি সে সত্তাকে অস্বীকার কর যিনি পৃথিবী সৃষ্টি…

সূরা আয়াত 9/54 — সূরা ফুসসিলাত فصلت (মাক্কী). পড়ুন শুনুন অনুবাদ (বাংলা). শুনুন: সূরা ফুসসিলাত শুনুন, সূরা ফুসসিলাত অনুবাদ, সূরা ফুসসিলাত mp3, সূরা ফুসসিলাত pdf. আয়াত 7–11. বাংলা অর্থ: हिन्दी.





পবিত্র কুরআন


Monday, September 28, 2026

আপনার নেক দোয়ায় আমাদের ভুলে যাবেন না