Wa qaalal lazeena kafaroo lillazeena aamanoo law kaana khairam maa sabaqoonaaa ilyh; wa iz lam yahtadoo bihee fasa yaqooloona haazaaa ifkun qadeem
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
আর কাফেররা মুমিনদের বলতে লাগল যে, যদি এ দ্বীন ভাল হত তবে এরা আমাদেরকে পেছনে ফেলে এগিয়ে যেতে পারত না। তারা যখন এর মাধ্যমে সুপথ পায়নি, তখন শীঘ্রই বলবে, এ তো এক পুরাতন মিথ্যা।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
और काफिर लोग मोमिनों के बारे में कहते हैं कि अगर ये (दीन) बेहतर होता तो ये लोग उसकी तरफ हमसे पहले न दौड़ पड़ते और जब क़ुरान के ज़रिए से उनकी हिदायत न हुई तो अब भी कहेंगे ये तो एक क़दीमी झूठ है
আর কাফেররা মুমিনদের বলতে লাগল যে, যদি এ দ্বীন ভাল হত তবে এরা আমাদেরকে পেছনে ফেলে এগিয়ে যেতে পারত না। তারা যখন এর মাধ্যমে সুপথ পায়নি, তখন শীঘ্রই বলবে, এ তো এক পুরাতন মিথ্যা।
📜
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
إِفْكٌ — মিথ্যা, বানোয়াট কথা।
قَدِيمٌ — পুরাতন, যা অনেক আগের।
তفسير:
যারা কুফরি করেছিল—অর্থাৎ যারা নবী মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নবুওয়াত ও কুরআনকে অস্বীকার করেছিল—তারা মুমিনদের উদ্দেশ্যে বিদ্রূপ করে বলেছিল, “যদি এটা (অর্থাৎ ইসলাম) ভালো হতো, তবে আমরা তোমাদের আগে এটা গ্রহণ করতাম না কেন? তোমরা তো আমাদের চেয়ে সামাজিক মর্যাদায় নিচু, দরিদ্র ও দুর্বল।” তারা মনে করত যে, সত্য ও কল্যাণ তাদের সাথেই থাকবে, আর যারা ঈমান এনেছে তারা অধিকাংশই ছিল সাধারণ ও দুর্বল শ্রেণির মানুষ। তাই তারা বলত, “এরা যদি সত্যের পথ পেত, তবে আমরা তো তাদের আগেই পেতাম!”
অতঃপর আল্লাহ বলেন, যেহেতু তারা কুরআনের মাধ্যমে হিদায়াত লাভ করেনি এবং এর সত্যতা উপলব্ধি করতে পারেনি, তাই তারা বলবে, “এটা তো পুরাতন মিথ্যা!” অর্থাৎ তারা কুরআনকে পূর্ববর্তী লোকদের কাছ থেকে সংগৃহীত কল্পকাহিনী ও মিথ্যা বলে আখ্যা দেবে। তাদের এই উক্তি ছিল নিছক অজ্ঞতা ও হঠকারিতার ফল, কারণ প্রকৃত সত্যকে তারা পরীক্ষা করেনি, বরং অহংকার ও পক্ষপাতের কারণে প্রত্যাখ্যান করেছে।
ফায়দা:
এই আয়াত থেকে আমরা শিখি যে, সত্য গ্রহণের মাপকাঠি হলো অন্তর্নিহিত যুক্তি ও প্রমাণ, কখনো মানুষের সামাজিক অবস্থান বা সম্পদ নয়। ইসলামের প্রথম যুগে দরিদ্র ও দুর্বলরা ঈমান এনেছিল, কিন্তু তাদের ঈমান ছিল আন্তরিক ও দৃঢ়।
অহংকার ও আত্মমর্যাদাবোধ মানুষকে সত্য থেকে দূরে সরিয়ে দেয়। কাফিররা মুমিনদের আগে ঈমান আনার কারণেই ঈমান আনা থেকে বিরত ছিল, যা তাদের ধ্বংসের কারণ হয়।
কুরআন ও ইসলামের প্রতি কোনো ধরনের মিথ্যা অপবাদ বা পুরাতন কুসংস্কার বলে আখ্যা দেওয়া জাহিলিয়াতের লক্ষণ। প্রকৃত জ্ঞানী ব্যক্তি কুরআনের আলোকে জীবন গঠন করে।
এই আয়াত মুমিনদের জন্য সান্ত্বনা যে, সত্যের পথে চললে সমাজের দুর্বল বা নিচু শ্রেণির বলে গণ্য হলেও আল্লাহর কাছে তা মহান। আর যারা সত্যকে অহংকারের কারণে প্রত্যাখ্যান করে, তাদের পরিণতি অত্যন্ত শোচনীয়।
বলুন, আমি তো কোন নতুন রসূল নই। আমি জানি না, আমার ও তোমাদের সাথে কি ব্যবহার করা হবে। আমি কেবল তারই অনুসরণ করি, যা আমার প্রতি ওহী করা হয়। আমি স্পষ্ট সতর্ক কারী বৈ নই।
বলুন, তোমরা ভেবে দেখেছ কি, যদি এটা আল্লাহর পক্ষ থেকে হয় এবং তোমরা একে অমান্য কর এবং বনী ইসরাঈলের একজন সাক্ষী এর পক্ষে সাক্ষ্য দিয়ে এতে বিশ্বাস স্থাপন করে; আর তোমরা অহংকার কর, তবে তোমাদের চেয়ে অবিবেচক আর কে হবে? নিশ্চয় আল্লাহ অবিবেচকদেরকে পথ দেখান না।
আর কাফেররা মুমিনদের বলতে লাগল যে, যদি এ দ্বীন ভাল হত তবে এরা আমাদেরকে পেছনে ফেলে এগিয়ে যেতে পারত না। তারা যখন এর মাধ্যমে সুপথ পায়নি, তখন শীঘ্রই বলবে, এ তো এক পুরাতন মিথ্যা।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।