Qaala rajulaani minal lazeena yakhaafoona an`amal laahu `alaihimad khuloo `alaihimul baab, fa izaa dakhaltumoohu fa innakum ghaaliboon; wa `alal laahi fatawakkalooo in kuntum mu`mineen
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
খোদাভীরুদের মধ্য থেকে দু’ব্যক্তি বলল, যাদের প্রতি আল্লাহ অনুগ্রহ করেছিলেনঃ তোমরা তাদের উপর আক্রমণ করে দরজায় প্রবেশ কর। অতঃপর তোমরা যখন তাতে পবেশ করবে, তখন তোমরাই জয়ী হবে। আর আল্লাহর উপর ভরসা কর যদি তোমরা বিশ্বাসী হও।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
(मगर) वह आदमी (यूशा कालिब) जो ख़ुदा का ख़ौफ़ रखते थे और जिनपर ख़ुदा ने ख़ास अपना फ़ज़ल (करम) किया था बेधड़क बोल उठे कि (अरे) उनपर हमला करके (बैतुल मुक़दस के फाटक में तो घुस पड़ो फिर देखो तो यह ऐसे बोदे हैं कि) इधर तुम फाटक में घुसे और (ये सब भाग खड़े हुए और) तुम्हारी जीत हो गयी और अगर सच्चे ईमानदार हो तो ख़ुदा ही पर भरोसा रखो
খোদাভীরুদের মধ্য থেকে দু’ব্যক্তি বলল, যাদের প্রতি আল্লাহ অনুগ্রহ করেছিলেনঃ তোমরা তাদের উপর আক্রমণ করে দরজায় প্রবেশ কর। অতঃপর তোমরা যখন তাতে পবেশ করবে, তখন তোমরাই জয়ী হবে। আর আল্লাহর উপর ভরসা কর যদি তোমরা বিশ্বাসী হও।
📜
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
يَخَافُونَ – যারা আল্লাহকে ভয় করে।
أَنْعَمَ اللَّهُ عَلَيْهِمَا – আল্লাহ তাদের উভয়ের প্রতি অনুগ্রহ করেছিলেন (ঈমান ও দৃঢ়তার মাধ্যমে)।
الْبَابَ – নগরীর দরজা (যেখানে জালিম কওম অবস্থান করছিল)।
غَالِبُونَ – বিজয়ী হবে।
তাফসীর:
মূসা (আঃ)-এর নির্দেশে যখন বনী ইসরাঈলকে জালিম জব্বার সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে বলা হলো, তখন তাদের মধ্যে দু’জন আল্লাহভীরু ও সৎকর্মপরায়ণ ব্যক্তি—যাদের উপর আল্লাহ নিজ অনুগ্রহ করেছেন (তাদেরকে ঈমান, সাহস ও দৃঢ়তা দান করেছেন)—তারা দৃঢ় কণ্ঠে সম্প্রদায়কে উদ্দেশ্য করে বলল: “তোমরা ভয় পেয়ো না। তোমরা তাদের বিরুদ্ধে যাও এবং তাদের নগরীর দরজা দিয়ে প্রবেশ কর। কারণ, আল্লাহর সুন্নাত (নিয়ম) হলো—যখন বান্দা তাঁর উপর ভরসা করে এবং তাঁর নির্দেশ পালনের জন্য প্রয়োজনীয় বৈধ উপায় অবলম্বন করে, তখন আল্লাহ তাকে সাহায্য করেন। সুতরাং তোমরা যদি সত্যিকার অর্থে মুমিন হও, তবে আল্লাহর উপরই ভরসা করো। কারণ, ঈমানের দাবিই হলো আল্লাহর উপর পূর্ণ আস্থা রাখা এবং তাঁর ওয়াদার উপর নির্ভর করা।”
তারা আরও বুঝিয়ে দিলেন যে, শত্রুর সংখ্যা বা শক্তি দেখে ভয় পাওয়া উচিত নয়; বরং আল্লাহর সাহায্যের প্রতিশ্রুতির উপর আস্থা রেখে সাহসিকতার সাথে এগিয়ে যাওয়াই মুমিনের কাজ। কারণ, বিজয়ের চাবিকাঠি হলো আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল (ভরসা) করা এবং তাঁর নির্দেশ মান্য করা।
শিক্ষা ও উপদেশ:
আল্লাহভীরু ও ঈমানদার ব্যক্তিরাই কঠিন মুহূর্তে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন এবং অন্যদেরকে সাহস জোগাতে পারেন।
বিজয় অর্জনের জন্য শুধু সংখ্যাগরিষ্ঠতা বা শক্তি যথেষ্ট নয়; বরং আল্লাহর উপর পূর্ণ ভরসা এবং তাঁর নির্দেশ অনুযায়ী কাজ করাই আসল শক্তি।
মুমিনের বৈশিষ্ট্য হলো—প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও আল্লাহর ওয়াদার উপর আস্থা রাখা এবং নিরাশ না হওয়া।
আল্লাহর অনুগ্রহ লাভের মাধ্যম হলো তাকওয়া (আল্লাহভীতি) এবং তাঁর আনুগত্য। যারা এ গুণে গুণান্বিত, আল্লাহ তাদের অন্তরে সাহস ও দৃঢ়তা দান করেন।
তাওয়াক্কুল মানে অলসতা নয়; বরং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের পর আল্লাহর উপর নির্ভর করাই প্রকৃত তাওয়াক্কুল।
হে আমার সম্প্রদায়, পবিত্র ভুমিতে প্রবেশ কর, যা আল্লাহ তোমাদের জন্যে নির্ধারিত করে দিয়েছেন এবং পেছন দিকে প্রত্যাবর্তন করো না। অন্যথায় তোমরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়বে।
তারা বললঃ হে মূসা, সেখানে একটি প্রবল পরাক্রান্ত জাতি রয়েছে। আমরা কখনও সেখানে যাব না, যে পর্যন্ত না তারা সেখান থেকে বের হয়ে যায়। তারা যদি সেখান থেকে বের হয়ে যায় তবে নিশ্চিতই আমরা প্রবেশ করব।’
খোদাভীরুদের মধ্য থেকে দু’ব্যক্তি বলল, যাদের প্রতি আল্লাহ অনুগ্রহ করেছিলেনঃ তোমরা তাদের উপর আক্রমণ করে দরজায় প্রবেশ কর। অতঃপর তোমরা যখন তাতে পবেশ করবে, তখন তোমরাই জয়ী হবে। আর আল্লাহর উপর ভরসা কর যদি তোমরা বিশ্বাসী হও।
তারা বললঃ হে মূসা, আমরা জীবনেও কখনো সেখানে যাব না, যতক্ষণ তারা সেখানে থাকবে। অতএব, আপনি ও আপনার পালনকর্তাই যান এবং উভয়ে যুদ্ধ করে নিন। আমরা তো এখানেই বসলাম।
মূসা বললঃ হে আমার পালনকর্তা, আমি শুধু নিজের উপর ও নিজের ভাইয়ের উপর ক্ষমতা রাখি। অতএব, আপনি আমাদের মধ্যে ও এ অবাধ্য সম্প্রদায়ের মধ্যে সম্পর্কচ্ছেদ করুন।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।