Qaaloo yaa Moosaaa innaa feehaa qwman jabbaareena wa innaa lan nadkhulahaa hattaa yakhrujoo minhaa fa innaa daakhiloon
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
তারা বললঃ হে মূসা, সেখানে একটি প্রবল পরাক্রান্ত জাতি রয়েছে। আমরা কখনও সেখানে যাব না, যে পর্যন্ত না তারা সেখান থেকে বের হয়ে যায়। তারা যদি সেখান থেকে বের হয়ে যায় তবে নিশ্চিতই আমরা প্রবেশ করব।’
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
वह लोग कहने लगे कि ऐ मूसा इस मुल्क में तो बड़े ज़बरदस्त (सरकश) लोग रहते हैं और जब तक वह लोग इसमें से निकल न जाएं हम तो उसमें कभी पॉव भी न रखेंगे हॉ अगर वह लोग ख़ुद इसमें से निकल जाएं तो अलबत्ता हम ज़रूर जाएंगे
তারা বললঃ হে মূসা, সেখানে একটি প্রবল পরাক্রান্ত জাতি রয়েছে। আমরা কখনও সেখানে যাব না, যে পর্যন্ত না তারা সেখান থেকে বের হয়ে যায়। তারা যদি সেখান থেকে বের হয়ে যায় তবে নিশ্চিতই আমরা প্রবেশ করব।’
📜
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
جَبَّارِينَ (জাব্বারীন): অত্যন্ত শক্তিশালী, পরাক্রমশালী ও জুলুমকারী সম্প্রদায়। যারা নিজেদের ইচ্ছা অন্যের উপর জোর করে চাপিয়ে দেয়।
لَن نَّدْخُلَهَا (লান নাদখুলাহা): আমরা কখনোই প্রবেশ করব না।
তাফসীর:
বনি ইসরাঈলের একটি দল আল্লাহর নির্দেশে পবিত্র ভূমিতে (বায়তুল মুকাদ্দাস) প্রবেশের জন্য মুসা (আঃ)-এর সাথে যাত্রা করেছিল। কিন্তু当他们 সীমান্তে পৌঁছে জানতে পারল যে, সেখানে অত্যন্ত শক্তিশালী ও বীর যোদ্ধা সম্প্রদায় বসবাস করে। তখন তারা ভীত হয়ে মুসা (আঃ)-কে বলল: “হে মুসা! এই শহরে এমন এক সম্প্রদায় রয়েছে যারা অত্যন্ত শক্তিশালী ও পরাক্রমশালী। তাদের সাথে লড়াই করার মতো শক্তি আমাদের নেই। আমরা ততক্ষণ পর্যন্ত সেখানে প্রবেশ করব না, যতক্ষণ না তারা সেখান থেকে বের হয়ে যায়। যদি তারা নিজেরাই সেখান থেকে চলে যায়, তাহলে আমরা অবশ্যই সেখানে প্রবেশ করব।”
তারা মূলত আল্লাহর আদেশ পালনে অলসতা ও কাপুরুষতা প্রদর্শন করেছিল। আল্লাহ তাদের জন্য এই ভূমি বিজয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, কিন্তু তারা আল্লাহর উপর ভরসা না করে শত্রুর শক্তি দেখে ভীত হয়ে পড়ে এবং অজুহাত তৈরি করতে শুরু করে। তারা বুঝতে পারেনি যে, আল্লাহর সাহায্য তারই জন্য, যে আল্লাহর উপর নির্ভর করে এবং তাঁর আদেশ পালনে এগিয়ে যায়।
শিক্ষা ও উপদেশ:
আল্লাহর উপর ভরসা: মুমিনের উচিত আল্লাহর উপর পূর্ণ ভরসা রাখা। আল্লাহ যদি কোনো কাজের আদেশ দেন, তবে তিনি তার সাহায্যও পাঠাবেন। শত্রুর শক্তি দেখে ভীত হওয়া মুমিনের বৈশিষ্ট্য নয়।
কাপুরুষতা পরিত্যাগ: সত্য ও ন্যায়ের পথে এগিয়ে যেতে হলে কাপুরুষতা ও অলসতা পরিত্যাগ করতে হবে। আল্লাহর পথে বাধা আসবেই, কিন্তু ধৈর্য ও দৃঢ়তার সাথে তা মোকাবিলা করতে হবে।
অজুহাত না খোঁজা: আল্লাহর আদেশ পালনে বিলম্ব করা এবং নানা অজুহাত তৈরি করা শয়তানের কুমন্ত্রণা। মুমিনের উচিত দেরি না করে আল্লাহর নির্দেশ পালনে তৎপর হওয়া।
নেতার আনুগত্য: মুসা (আঃ)-এর মতো সত্যনিষ্ঠ নেতার নির্দেশনা মেনে চলা উচিত। নিজের সীমিত জ্ঞান ও দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে আল্লাহর পরিকল্পনা বিচার করা উচিত নয়।
সাহস ও দৃঢ়তা: ইসলাম সাহসী ও দৃঢ়চিত্ত মানুষ পছন্দ করে। যে আল্লাহর উপর ভরসা করে, আল্লাহ তার জন্য অসম্ভবকেও সম্ভব করে দেন।
যখন মূসা স্বীয় সম্প্রদায়কে বললেনঃ হে আমার সম্প্রদায়, তোমাদের প্রতি আল্লাহর নেয়ামত স্মরণ কর, যখন তিনি তোমাদের মধ্যে পয়গম্বর সৃষ্টি করেছেন, তোমাদেরকে রাজ্যাধিপতি করেছেন এবং তোমাদেরকে এমন জিনিস দিয়েছেন, যা বিশ্বজগতের কাউকে দেননি।
হে আমার সম্প্রদায়, পবিত্র ভুমিতে প্রবেশ কর, যা আল্লাহ তোমাদের জন্যে নির্ধারিত করে দিয়েছেন এবং পেছন দিকে প্রত্যাবর্তন করো না। অন্যথায় তোমরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়বে।
তারা বললঃ হে মূসা, সেখানে একটি প্রবল পরাক্রান্ত জাতি রয়েছে। আমরা কখনও সেখানে যাব না, যে পর্যন্ত না তারা সেখান থেকে বের হয়ে যায়। তারা যদি সেখান থেকে বের হয়ে যায় তবে নিশ্চিতই আমরা প্রবেশ করব।’
খোদাভীরুদের মধ্য থেকে দু’ব্যক্তি বলল, যাদের প্রতি আল্লাহ অনুগ্রহ করেছিলেনঃ তোমরা তাদের উপর আক্রমণ করে দরজায় প্রবেশ কর। অতঃপর তোমরা যখন তাতে পবেশ করবে, তখন তোমরাই জয়ী হবে। আর আল্লাহর উপর ভরসা কর যদি তোমরা বিশ্বাসী হও।
তারা বললঃ হে মূসা, আমরা জীবনেও কখনো সেখানে যাব না, যতক্ষণ তারা সেখানে থাকবে। অতএব, আপনি ও আপনার পালনকর্তাই যান এবং উভয়ে যুদ্ধ করে নিন। আমরা তো এখানেই বসলাম।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।