Summa ba`asnaa mim ba`dihim Moosaa bi Aayaatinaaa ilaa Fir`awana wa mala`ihee fazalamoo bihaa fanzur kaifa kaana `aaqibatul mufsideen
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
অতঃপর আমি তাদের পরে মূসাকে পাঠিয়েছি নিদর্শনাবলী দিয়ে ফেরাউন ও তার সভাসদদের নিকট। বস্তুতঃ ওরা তাঁর মোকাবেলায় কুফরী করেছে। সুতরাং চেয়ে দেখ, কি পরিণতি হয়েছে অনাচারীদের।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
फिर हमने (उन पैग़म्बरान मज़कूरीन के बाद) मूसा को फिरऔन और उसके सरदारों के पास मौजिज़े अता करके (रसूल बनाकर) भेजा तो उन लोगों ने उन मौजिज़ात के साथ (बड़ी बड़ी) शरारतें की पस ज़रा ग़ौर तो करो कि आख़िर फसादियों का अन्जाम क्या हुआ
অতঃপর আমি তাদের পরে মূসাকে পাঠিয়েছি নিদর্শনাবলী দিয়ে ফেরাউন ও তার সভাসদদের নিকট। বস্তুতঃ ওরা তাঁর মোকাবেলায় কুফরী করেছে। সুতরাং চেয়ে দেখ, কি পরিণতি হয়েছে অনাচারীদের।
📜
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
بَعَثْنَا – আমরা পাঠালাম / প্রেরণ করলাম।
بِآيَاتِنَا – আমাদের নিদর্শনসমূহ (মু'জিযা) সহ।
مَلَئِهِ – তার (ফিরআউনের) সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ / পরিষদবর্গ।
فَظَلَمُوا بِهَا – তারা সেই নিদর্শনসমূহের প্রতি জুলুম করল, অর্থাৎ কুফরি করল এবং অস্বীকার করল।
عَاقِبَةُ الْمُفْسِدِينَ – বিপর্যয় সৃষ্টিকারীদের পরিণাম / শেষ পরিণতি।
তাফসীর:
এরপর আমরা পূর্ববর্তী রাসূলগণ ও তাদের উম্মতদের পর মূসা (আঃ)-কে আমাদের স্পষ্ট নিদর্শন ও অলৌকিক মু'জিযাসহ ফিরআউন ও তার পরিষদবর্গের নিকট প্রেরণ করলাম। কিন্তু তারা সেই নিদর্শনসমূহ প্রত্যক্ষ করার পরও সেগুলোকে মিথ্যা বলল এবং অহংকারবশত তা অস্বীকার করল। তারা জেনে-বুঝে সত্যকে প্রত্যাখ্যান করল এবং কুফরিকে ঈমানের স্থলে স্থাপন করল। এটি ছিল তাদের পক্ষ থেকে চরম জুলুম ও সীমালঙ্ঘন।
হে নবী! আপনি চিন্তা করে দেখুন, সেই বিপর্যয় সৃষ্টিকারীদের পরিণাম কী হয়েছিল! আমরা তাদেরকে সমুদ্রে নিমজ্জিত করে ধ্বংস করেছিলাম, এবং তাদেরকে দুনিয়া ও আখিরাতে লানতের অনুগামী করেছিলাম। মূসা (আঃ) ও তার অনুসারীদের চোখের সামনেই তাদের সম্পূর্ণ বিনাশ ঘটেছিল। যারা জমিনে ফাসাদ সৃষ্টি করত, সত্যকে দাবিয়ে রাখত এবং আল্লাহর আয়াতকে অস্বীকার করত, তাদের জন্য এটাই ছিল চূড়ান্ত পরিণতি।
শিক্ষা ও উপদেশ:
আল্লাহর নিদর্শন ও আয়াতসমূহ অমান্য করা এবং সেগুলোকে মিথ্যা বলা সর্বদা ধ্বংসের কারণ। ফিরআউনের মতো শক্তিশালী ও প্রতাপশালী শাসকও যখন আল্লাহর আয়াত অস্বীকার করল, তখন তার ক্ষমতা তাকে রক্ষা করতে পারেনি।
জুলুম ও ফাসাদ (বিপর্যয় সৃষ্টি) কখনো টেকে না। আল্লাহর বিধান লঙ্ঘন করে যারা সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে, তাদের পরিণাম অনিবার্যভাবে ধ্বংস।
এই আয়াত আমাদেরকে সতর্ক করে যে, আল্লাহর রাসূলগণের আনীত সত্যকে গ্রহণ করা প্রতিটি মানুষের কর্তব্য। আর যে তা অমান্য করে, সে নিজেরই ক্ষতি করে।
ধৈর্য ও দৃঢ়তার সাথে সত্যের পথে থাকলে শেষ পর্যন্ত বিজয় সত্যের পক্ষেই থাকে। মূসা (আঃ) দীর্ঘ সময় ধৈর্য ধরেছিলেন, শেষে আল্লাহ তাকে ও তার অনুসারীদের রক্ষা করেছিলেন এবং ফিরআউনকে ধ্বংস করেছিলেন।
এই ঘটনা থেকে আমাদের শিক্ষা নেওয়া উচিত যে, কুরআনের নির্দেশনা মেনে চলা এবং নবী (সাঃ)-এর আদর্শ অনুসরণ করাই হলো সফলতার পথ। আর যে পথ থেকে বিচ্যুত হবে, তার পরিণাম হবে ফিরআউনের মতোই।
এগুলো হল সে সব জনপদ যার কিছু বিবরণ আমি আপনাকে অবহিত করছি। আর নিশ্চিতই ওদের কাছে পৌছেছিলেন রসূল নিদর্শন সহকারে। অতঃপর কস্মিনকালও এরা ঈমান আনবার ছিল না, তারপরে যা তার ইতিপূর্বে মিথ্যা বলে প্রতিপন্ন করেছে। এভাবেই আল্লাহ কাফেরদের অন্তরে মোহর এঁটে দেন।
অতঃপর আমি তাদের পরে মূসাকে পাঠিয়েছি নিদর্শনাবলী দিয়ে ফেরাউন ও তার সভাসদদের নিকট। বস্তুতঃ ওরা তাঁর মোকাবেলায় কুফরী করেছে। সুতরাং চেয়ে দেখ, কি পরিণতি হয়েছে অনাচারীদের।
আল্লাহর পক্ষ থেকে যে সত্য এসেছে, তার ব্যতিক্রম কিছু না বলার ব্যাপারে আমি সুদৃঢ়। আমি তোমাদের পরওয়ারদেগারের নিদর্শন নিয়ে এসেছি। সুতরাং তুমি বনী ইসরাঈলদেরকে আমার সাথে পাঠিয়ে দাও।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।