Mishary Rashid Alafasy
✓
Mahmoud Khalil Al-Husary
✓
Abdurrahman As-Sudais
✓
Mohamed Siddiq Al-Minshawi
✓
Abdul Basit Abdul Samad
✓
Ali Al-Hudhaify
✓
Ahmed ibn Ali al-Ajamy
✓
Abu Bakr Ash-Shaatree
✓
Muhammad Ayyoub
✓
Abdullah Basfar
✓
Abdullah Al-Juhani
✓
Maher Al Muaiqly
✓
অনুবাদ — Tafsir
কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শব্দের অর্থ:
- রিজ্জুন (الرِّجْزُ): শাস্তি, আযাব। এখানে বিশেষভাবে ত্বাঊন (মহামারি) রোগের আযাবকে বোঝানো হয়েছে যা আল্লাহ তাআলা ফিরআউনের সম্প্রদায়ের উপর পাঠিয়েছিলেন।
- বিমা ‘আহিদা ‘ইনদাক (بِمَا عَهِدَ عِندَكَ): সেই অঙ্গীকারের বদৌলতে যা আপনার কাছে আছে। অর্থাৎ, নবুওয়াতের যে অঙ্গীকার আল্লাহ আপনার সাথে করেছেন, অথবা আপনার প্রতি যে প্রতিশ্রুতি তিনি দিয়েছেন যে, তাওবার মাধ্যমে আযাব উঠিয়ে নেওয়া হবে, তার উসিলায়।
- কাশাফতা (كَشَفْتَ): আপনি উঠিয়ে দিলেন, দূর করে দিলেন।
- নুরসিলান্না (لَنُرْسِلَنَّ): আমরা অবশ্যই পাঠাব, ছেড়ে দেব।
আয়াতের তাফসীর:
যখনই ফিরআউন ও তার সম্প্রদায়ের উপর আল্লাহর আযাব নেমে আসত—যেমন দুর্ভিক্ষ, ফসলহানি, মহামারি (ত্বাঊন) ইত্যাদি—তখন তারা সঙ্কটাপন্ন হয়ে পড়ত এবং মহাবিপদ থেকে মুক্তি পেতে মূসা (আঃ)-এর কাছে ছুটে আসত। তারা কাতর কণ্ঠে বলত, “হে মূসা! আপনি আমাদের জন্য আপনার রবের কাছে দো‘আ করুন। তিনি তো আপনার সাথে যে অঙ্গীকার করেছেন (নবুওয়াত ও তাওবার মাধ্যমে আযাব রহিত করার প্রতিশ্রুতি) তা আমাদের জানা। আপনি সেই উসিলায় আমাদের জন্য দো‘আ করুন, যেন তিনি আমাদের উপর থেকে এই আযাব উঠিয়ে নেন।”
তারা আরও বলত, “যদি আপনি আমাদের থেকে এই আযাব দূর করে দিতে পারেন, তাহলে আমরা আপনার উপর ঈমান আনবো, আপনাকে সত্য নবী হিসেবে মেনে নেবো এবং আপনার সাথে বনী ইসরাঈলকে যেতে দেবো—তাদের আর বাধা দেবো না, তাদের মুক্ত করে দেবো।”
কিন্তু এ ছিল তাদের মুখের কথা মাত্র। অন্তরে তারা ছিল মিথ্যাবাদী ও প্রতারক। কারণ, যখনই আল্লাহ তাআলা তাদের থেকে আযাব উঠিয়ে নিতেন এবং তারা স্বস্তি পেত, তখনই তারা তাদের অঙ্গীকার ভঙ্গ করত এবং মূসা (আঃ)-এর প্রতি আরও শত্রুতা বৃদ্ধি করত। তাদের এই আচরণ ছিল চরম কপটতা ও জিদ্দের পরিচায়ক। তারা কেবল বিপদে পড়লেই আল্লাহর দিকে ফিরত, কিন্তু বিপদ দূর হলেই আবার কুফরী ও অবাধ্যতায় লিপ্ত হত।
এই ঘটনা থেকে আমাদের জন্য শিক্ষণীয় বিষয় হলো—বিপদে পড়ে আল্লাহকে ডাকা এবং বিপদ দূর হলে তাঁকে ভুলে যাওয়া মুমিনের বৈশিষ্ট্য নয়। মুমিন সর্বাবস্থায় আল্লাহর স্মরণ রাখে এবং তাঁরই কাছে সাহায্য প্রার্থনা করে। বিপদে-আপদে আল্লাহর দিকে ফিরে আসা এবং তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করাই হলো সফলতার চাবিকাঠি। আল্লাহ তাআলা বলেন, “আর যে আল্লাহকে ভয় করে, তিনি তার জন্য উত্তরণের পথ তৈরি করে দেন।” (সূরা আত-তালাক: ২)
আল্লাহ আমাদের সবাইকে সত্যের উপর অবিচল থাকার এবং বিপদে-আপদে তাঁরই শরণাপন্ন হওয়ার তাওফীক দান করুন। আমীন।
📜 আয়াত 132-136 — সূরা আল-আরাফ
অনুবাদ — আল-আরাফ 134
সূরা আল-আরাফ আয়াত 134 - পড়ুন, শুনুন, অনুবাদ, বাংলা : আর তাদের উপর যখন কোন আযাব পড়ে তখন বলে, হে…সূরা আয়াত 134/206 — সূরা আল-আরাফ الأعراف (মাক্কী). পড়ুন শুনুন অনুবাদ (বাংলা). শুনুন: সূরা আল-আরাফ শুনুন, সূরা আল-আরাফ অনুবাদ, সূরা আল-আরাফ mp3, সূরা আল-আরাফ pdf. আয়াত 132–136. বাংলা অর্থ: हिन्दी.
সূরা আল-আরাফ
পবিত্র কুরআন
Monday, September 28, 2026
আপনার নেক দোয়ায় আমাদের ভুলে যাবেন না


