Wa in `aaqabtum fa`aaqiboo bimisli maa `ooqibtum bihee wa la`in sabartum lahuwa khairul lissaabireen
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
আর যদি তোমরা প্রতিশোধ গ্রহণ কর, তবে ঐ পরিমাণ প্রতিশোধ গ্রহণ করবে, যে পরিমাণ তোমাদেরকে কষ্ট দেয়া হয়। যদি সবর কর, তবে তা সবরকারীদের জন্যে উত্তম।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
और हिदायत याफ़ता लोगों से भी खूब वाक़िफ है और अगर (मुख़ालिफीन के साथ) सख्ती करो भी तो वैसी ही सख्ती करो जैसे सख्ती उन लोगों ने तुम पर की थी और अगर तुम सब्र करो तो सब्र करने वालों के वास्ते बेहतर हैं
عَاقَبْتُمْ (আকাবতুম) — তোমরা শাস্তি দিতে চাও বা প্রতিশোধ নিতে চাও।
بِمِثْلِ مَا عُوقِبْتُم بِهِ — যতটুকু ক্ষতি/অত্যাচার তোমাদের উপর হয়েছে, ঠিক ততটুকুর সমান (বেশি নয়)।
صَبَرْتُمْ (সাবারতুম) — ধৈর্য ধারণ করলে (প্রতিশোধ না নিয়ে)।
لَهُوَ خَيْرٌ — অবশ্যই তা উত্তম।
তাফসীর (ব্যাখ্যা):
হে মুমিনগণ! যদি তোমরা অত্যাচারীর কাছ থেকে প্রতিশোধ নিতে চাও, তবে সেই প্রতিশোধ হতে হবে সম্পূর্ণ সীমার মধ্যে — অর্থাৎ তোমাদের উপর যা করা হয়েছে, ঠিক তার সমপরিমাণ, তার বেশি নয়। ইসলাম কখনো অত্যাচারকে সমর্থন করে না, এমনকি প্রতিশোধের সময়ও সীমালঙ্ঘন নিষিদ্ধ। তবে এর চেয়েও উত্তম ও মর্যাদার পথ হলো ধৈর্য ধারণ করা — অর্থাৎ প্রতিশোধ নেওয়ার ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও ক্ষমা করে দেওয়া। যারা এভাবে ধৈর্য ধারণ করে, তাদের জন্য এই ধৈর্যই দুনিয়া ও আখিরাতে কল্যাণকর। কারণ, ধৈর্যের প্রতিদান আল্লাহ নিজ হাতে দেন, যা কোনো সীমায় বাঁধা নয়। ক্ষমা করা প্রতিশোধ নেওয়ার চেয়ে শ্রেষ্ঠ, কারণ এটি অন্তরকে প্রশান্ত করে এবং আল্লাহর ভালোবাসা অর্জন করে।
শিক্ষা ও উপকারিতা:
ইসলাম ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করে, কিন্তু প্রতিশোধের ক্ষেত্রেও সীমা লঙ্ঘন করতে নিষেধ করে — এটি ইসলামের ভারসাম্যপূর্ণ শিক্ষা।
ক্ষমা করা ও ধৈর্য ধারণ করা মুমিনের মহত্ত্বের পরিচয়। ক্ষমা করলে মানুষ অন্তরে শান্তি পায় এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ করে।
এই আয়াত আমাদের শেখায় যে, শক্তি থাকা সত্ত্বেও ক্ষমা করলে তা দুর্বলতা নয়, বরং মহান চরিত্রের প্রমাণ। রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর জীবনেও এর অসংখ্য উদাহরণ রয়েছে।
ইসলাম প্রতিশোধের বদলে ক্ষমা ও সহনশীলতাকে উৎসাহিত করে, যা সমাজে শান্তি ও ভ্রাতৃত্ব প্রতিষ্ঠায় সহায়ক।
শনিবার দিন পালন যে, নির্ধারণ করা হয়েছিল, তা তাদের জন্যেই যারা এতে মতবিরোধ করেছিল। আপনার পালনকর্তা কিয়ামতের দিন তাদের মধ্যে ফয়সালা করবেন যে বিষয়ে তারা মতবিরোধ করত।
আপন পালনকর্তার পথের প্রতি আহবান করুন জ্ঞানের কথা বুঝিয়ে ও উপদেশ শুনিয়ে উত্তমরূপে এবং তাদের সাথে বিতর্ক করুন পছন্দ যুক্ত পন্থায়। নিশ্চয় আপনার পালনকর্তাই ঐ ব্যক্তি সম্পর্কে বিশেষ ভাবে জ্ঞাত রয়েছেন, যে তাঁর পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে পড়েছে এবং তিনিই ভাল জানেন তাদেরকে, যারা সঠিক পথে আছে।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।