Hal yanzuroona illaaa an taatiyahumul malaaa`ikatu aw yaatiya amru Rabbik; kazaalika fa`alal lazeena min qablihim; wa maa zalamahumul laahu wa laakin kaanoo anfusahum yazlimoon
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
কাফেররা কি এখন অপেক্ষা করছে যে, তাদের কাছে ফেরেশতারা আসবে কিংবা আপনার পালনকর্তার নির্দেশ পৌছবে? তাদের পূর্ববর্তীরা এমনই করেছিল। আল্লাহ তাদের প্রতি অবিচার করেননি; কিন্তু তারা স্বয়ং নিজেদের প্রতি জুলুম করেছিল।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
(ऐ रसूल) क्या ये (अहले मक्का) इसी बात के मुन्तिज़र है कि उनके पास फरिश्ते (क़ब्ज़े रुह को) आ ही जाएँ या (उनके हलाक करने को) तुम्हारे परवरदिगार का अज़ाब ही आ पहुँचे जो लोग उनसे पहले हो गुज़रे हैं वह ऐसी बातें कर चुके हैं और ख़ुदा ने उन पर (ज़रा भी) जुल्म नहीं किया बल्कि वह लोग ख़ुद कुफ़्र की वजह से अपने ऊपर आप जुल्म करते रहे
تَأْتِيَهُمُ الْمَلَائِكَةُ – তাদের কাছে ফেরেশতাগণ আসবে (আত্মা কবজ করার জন্য)
أَمْرُ رَبِّكَ – আপনার রবের আদেশ (আযাব বা কিয়ামত)
كَذَٰلِكَ فَعَلَ الَّذِينَ مِن قَبْلِهِمْ – এভাবেই করেছিল তাদের পূর্ববর্তীরা
وَمَا ظَلَمَهُمُ اللَّهُ – আল্লাহ তাদের প্রতি কোনো জুলুম করেননি
يَظْلِمُونَ – তারা নিজেরাই নিজেদের উপর জুলুম করত
তাফসীর:
এই আয়াতে আল্লাহ তাআলা কাফির ও মুশরিকদের অবস্থা বর্ণনা করেছেন যারা সত্য গ্রহণ করতে অস্বীকার করে এবং রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর প্রতি মিথ্যারোপ করে। তাদেরকে জিজ্ঞাসা করা হচ্ছে— তারা কী অপেক্ষা করছে? তারা কি শুধু এই অপেক্ষায় আছে যে, তাদের কাছে মৃত্যুর ফেরেশতা এসে উপস্থিত হবে এবং তাদের প্রাণ বের করে নেবে? অথবা আল্লাহর পক্ষ থেকে আযাবের আদেশ এসে পড়বে, যা তাদেরকে ধ্বংস করে দেবে? অর্থাৎ, তারা যে শাস্তির ভয় দেখানো হচ্ছে তা অবশ্যই আসবে— হয় মৃত্যুর মাধ্যমে আর নয়তো দুনিয়ার কোনো আযাবের মাধ্যমে।
এরপর আল্লাহ তাআলা জানিয়ে দিচ্ছেন যে, এরা একা নয়; এদের পূর্ববর্তী অনেক জাতিও একই কাজ করেছে। তারা সত্যকে মিথ্যা বলেছে, রাসূলদেরকে অস্বীকার করেছে এবং শিরক করেছে। ফলে আল্লাহ তাদেরকে ধ্বংস করেছেন। কিন্তু এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় স্পষ্ট করে বলা হয়েছে— আল্লাহ তাদের প্রতি কোনো জুলুম করেননি। কারণ জুলুম হলো কারো ক্ষতি করা অথচ সে ক্ষতির উপযুক্ত নয়। কিন্তু এরা নিজেদের কুফরি ও শিরকের মাধ্যমে নিজেরাই নিজেদের ধ্বংস ডেকে এনেছে। তারা নিজেদের ইচ্ছায় সত্য প্রত্যাখ্যান করেছে, নিজেদের পছন্দে মিথ্যার পথ বেছে নিয়েছে। তাই তাদের উপর যে আযাব এসেছে তা সম্পূর্ণ ন্যায়সংগত।
শিক্ষা ও উপকারিতা:
আল্লাহ কখনো বান্দার প্রতি জুলুম করেন না; বান্দা নিজের কাজের মাধ্যমেই নিজের ভালো-মন্দ নির্ধারণ করে নেয়। এটি আল্লাহর ন্যায়বিচারের প্রমাণ।
কুফরি ও শিরকের পরিণাম অত্যন্ত ভয়াবহ— দুনিয়াতেও আযাব আসতে পারে এবং আখিরাতেও কঠিন শাস্তি অপেক্ষমান। তাই প্রতিটি মানুষের উচিত নিজের ঈমান ও আমল সম্পর্কে সচেতন থাকা।
মৃত্যু নিশ্চিত সত্য; প্রত্যেককে একদিন মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। তাই মৃত্যুর আগেই তাওবা করে আল্লাহর দিকে ফিরে আসা উচিত, যেন মৃত্যুর সময় ঈমানের সাথে প্রাণ বের হয়।
পূর্ববর্তী জাতিদের ধ্বংসের ঘটনা আমাদের জন্য শিক্ষা। যারা আল্লাহর রাসূলদের অস্বীকার করেছে, তাদের পরিণতি কখনো ভালো হয়নি। তাই আমাদের উচিত রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর আনীত পথকে আঁকড়ে ধরা।
এই আয়াত থেকে আমরা শিখি যে, আল্লাহর আদেশ ও নিষেধ মেনে চলাই হলো নিজের প্রকৃত স্বার্থ রক্ষা করা; আর তা অমান্য করা মানে নিজেরই ক্ষতি করা।
কাফেররা কি এখন অপেক্ষা করছে যে, তাদের কাছে ফেরেশতারা আসবে কিংবা আপনার পালনকর্তার নির্দেশ পৌছবে? তাদের পূর্ববর্তীরা এমনই করেছিল। আল্লাহ তাদের প্রতি অবিচার করেননি; কিন্তু তারা স্বয়ং নিজেদের প্রতি জুলুম করেছিল।
সর্বদা বসবাসের উদ্যান, তারা যাতে প্রবেশ করবে। এর পাদদেশে দিয়ে স্রোতস্বিনী প্রবাহিত হয় তাদের জন্যে তাতে তা-ই রয়েছে, যা তারা চায় এমনিভাবে প্রতিদান দেবেন আল্লাহর পরহেযগারদেরকে,
ফেরেশতা যাদের জান কবজ করেন তাদের পবিত্র থাকা অবস্থায়। ফেরেশতারা বলেঃ তোমাদের প্রতি শাস্তি বর্ষিত হোক। তোমরা যা করতে, তার প্রতিদানে জান্নাতে প্রবেশ কর।
কাফেররা কি এখন অপেক্ষা করছে যে, তাদের কাছে ফেরেশতারা আসবে কিংবা আপনার পালনকর্তার নির্দেশ পৌছবে? তাদের পূর্ববর্তীরা এমনই করেছিল। আল্লাহ তাদের প্রতি অবিচার করেননি; কিন্তু তারা স্বয়ং নিজেদের প্রতি জুলুম করেছিল।
মুশরিকরা বললঃ যদি আল্লাহ চাইতেন, তবে আমরা তাঁকে ছাড়া কারও এবাদত করতাম না এবং আমাদের পিতৃপুরুষেরাও করত না এবং তাঁর নির্দেশ ছাড়া কোন বস্তুই আমরা হারাম করতাম না। তাদের পূর্ববর্তীরা এমনই করেছে। রাসূলের দায়িত্ব তো শুধুমাত্র সুস্পষ্ট বাণী পৌছিয়ে দেয়া।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।