Yawma nad`oo kulla unaasim bi imaamihim faman ootiya kitaabahoo bi yameenihee fa ulaaa`ika yaqra`oona kitaabahum wa laa yuzlamoona fateelaa
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
স্মরণ কর, যেদিন আমি প্রত্যেক দলকে তাদের নেতাসহ আহবান করব, অতঃপর যাদেরকে তাদের ডান হাতে আমলনামা দেয়া হবে, তারা নিজেদের আমলনামা পাঠ করবে এবং তাদের প্রতি সামান্য পরিমাণও জুলুম হবে না।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
उस दिन (को याद करो) जब हम तमाम लोगों को उन पेशवाओं के साथ बुलाएँगें तो जिसका नामए अमल उनके दाहिने हाथ में दिया जाएगा तो वह लोग (खुश खुश) अपना नामए अमल पढ़ने लगेगें और उन पर रेशा बराबर ज़ुल्म नहीं किया जाएगा
স্মরণ কর, যেদিন আমি প্রত্যেক দলকে তাদের নেতাসহ আহবান করব, অতঃপর যাদেরকে তাদের ডান হাতে আমলনামা দেয়া হবে, তারা নিজেদের আমলনামা পাঠ করবে এবং তাদের প্রতি সামান্য পরিমাণও জুলুম হবে না।
📜
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
بِإِمَامِهِمْ – তাদের ইমাম/নেতার সাথে (যাকে তারা অনুসরণ করত)।
فَتِيلًا – খেজুরের আঁটির খাঁজে থাকা সুতোর মতো অতি সামান্য পরিমাণ (অণু পরিমাণও)।
তাফসীর:
হে রাসূল! আপনি সেই ভয়াবহ দিনের কথা স্মরণ করান, যেদিন আল্লাহ তাআলা প্রতিটি মানবগোষ্ঠীকে তাদের ইমাম ও পথপ্রদর্শকের সাথে ডাকবেন। অর্থাৎ, প্রত্যেক সম্প্রদায়কে ডাকা হবে তাদের সেই নেতা বা আদর্শের সাথে, যাকে তারা দুনিয়ায় অনুসরণ করত। কেউ অনুসরণ করত নবী-রাসূলদের, কেউ বা অনুসরণ করত পথভ্রষ্ট নেতাদের।
যারা দুনিয়ায় নেককার ও সৎপথের অনুসারী ছিল এবং যাদের আমলনামা তাদের ডান হাতে দেওয়া হবে, তারা হবে সৌভাগ্যবান। তারা নিজেদের আমলনামা অত্যন্ত আনন্দ ও গর্বের সাথে পাঠ করবে, কারণ তাতে রয়েছে তাদের নেক আমলসমূহ। তাদের প্রতি জুলুম করা হবে না এবং তাদের সৎকর্মের প্রতিদান থেকে বিন্দুমাত্রও (খেজুরের আঁটির খাঁজের সুতার সমানও) কমানো হবে না। বস্তুত, তাদের প্রতিটি নেক কাজের পূর্ণ প্রতিদান দেওয়া হবে।
শিক্ষা ও উপদেশ:
প্রত্যেক ব্যক্তিকে তার অনুসৃত পথপ্রদর্শক ও আদর্শের সাথে উঠানো হবে। তাই আমাদের উচিত দুনিয়ায় এমন ইমাম ও আদর্শকে অনুসরণ করা, যারা আমাদেরকে আল্লাহর পথে পরিচালিত করবে। রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর অনুসরণই হবে আমাদের মুক্তির উপায়।
কিয়ামতের দিন সৌভাগ্যবানরা নিজেদের আমলনামা ডান হাতে পেয়ে আনন্দিত হবে। এটি মুমিনদের জন্য সুসংবাদ যে, তাদের নেক আমলগুলো সংরক্ষিত আছে এবং তারা এর প্রতিদান পাবে।
আল্লাহ তাআলা অত্যন্ত ন্যায়পরায়ণ। তিনি বান্দার কোনো নেক কাজই বিনষ্ট করেন না, এমনকি অতি সামান্য পরিমাণও না। এটি মুমিনের অন্তরে আশা জাগায় এবং নেক কাজে উদ্বুদ্ধ করে।
আয়াতটি আমাদের সতর্ক করে যে, দুনিয়ার জীবনই শেষ নয়; একটি মহান দিন আসছে যখন প্রত্যেককে তার কর্ম ও অনুসৃত পথের হিসাব দিতে হবে। তাই আমাদের উচিত এখনই নিজেদের আমলনামা সমৃদ্ধ করা।
অথবা তোমরা কি এ বিষয়ে নিশ্চিন্ত যে, তিনি তোমাদেরকে আরেকবার সমুদ্রে নিয়ে যাবেন না, অতঃপর তোমাদের জন্যে মহা ঝটিকা প্রেরণ করবেন না, অতঃপর অকৃতজ্ঞতার শাস্তিস্বরূপ তোমাদেরকে নিমজ্জত করবেন না, তখন তোমরা আমার বিরুদ্ধে এ বিষয়ে সাহায্যকারী কাউকে পাবে না।
নিশ্চয় আমি আদম সন্তানকে মর্যাদা দান করেছি, আমি তাদেরকে স্থলে ও জলে চলাচলের বাহন দান করেছি; তাদেরকে উত্তম জীবনোপকরণ প্রদান করেছি এবং তাদেরকে অনেক সৃষ্ট বস্তুর উপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছি।
স্মরণ কর, যেদিন আমি প্রত্যেক দলকে তাদের নেতাসহ আহবান করব, অতঃপর যাদেরকে তাদের ডান হাতে আমলনামা দেয়া হবে, তারা নিজেদের আমলনামা পাঠ করবে এবং তাদের প্রতি সামান্য পরিমাণও জুলুম হবে না।
তারা তো আপনাকে হটিয়ে দিতে চাচ্ছিল যে বিষয় আমি আপনার প্রতি ওহীর মাধ্যমে যা প্রেরণ করেছি তা থেকে আপনার পদঙ্খলন ঘটানোর জন্যে তারা চুড়ান্ত চেষ্টা করেছে, যাতে আপনি আমার প্রতি কিছু মিথ্যা সম্বন্ধযুক্ত করেন। এতে সফল হলে তারা আপনাকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করে নিত।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।