Mishary Rashid Alafasy
✓
Mahmoud Khalil Al-Husary
✓
Abdurrahman As-Sudais
✓
Mohamed Siddiq Al-Minshawi
✓
Abdul Basit Abdul Samad
✓
Ali Al-Hudhaify
✓
Ahmed ibn Ali al-Ajamy
✓
Abu Bakr Ash-Shaatree
✓
Muhammad Ayyoub
✓
Abdullah Basfar
✓
Abdullah Al-Juhani
✓
Maher Al Muaiqly
✓
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
- أَنبِئْهُم — তাদেরকে জানাও/অবহিত করো।
- بِأَسْمَائِهِمْ — তাদের (সেসব বস্তুর) নামসমূহ দ্বারা।
- غَيْبَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ — আসমান ও জমিনের গোপন/অদৃশ্য বিষয়াদি।
- مَا تُبْدُونَ — যা তোমরা প্রকাশ করো।
- مَا كُنتُمْ تَكْتُمُونَ — যা তোমরা গোপন করতে।
তাফসীর:
এরপর আল্লাহ তা‘আলা আদম (আঃ)-কে নির্দেশ দিলেন, “হে আদম! তুমি এদেরকে (ফেরেশতাদেরকে) এসব বস্তুর নাম সম্পর্কে জানিয়ে দাও।” তখন আদম (আঃ) আল্লাহর শিক্ষা অনুযায়ী প্রতিটি বস্তুর সঠিক নাম উল্লেখ করে তাদেরকে জানিয়ে দিলেন। যখন আদম (আঃ) সব কিছুর নাম বলে দিলেন, তখন আল্লাহ তা‘আলা ফেরেশতাদেরকে সম্বোধন করে বললেন, “আমি কি তোমাদেরকে বলিনি যে, আমি আসমান ও জমিনের সমস্ত গোপন বিষয় সম্পর্কে সম্পূর্ণ অবগত? আমি জানি যা তোমরা প্রকাশ করো এবং যা তোমরা মনে মনে গোপন রাখো।”
অর্থাৎ, ফেরেশতারা আগে যখন বলেছিল, “আপনি কি জমিনে এমন কাউকে সৃষ্টি করবেন যারা সেখানে বিপর্যয় সৃষ্টি করবে এবং রক্তপাত ঘটাবে?” — তখন তারা তাদের অভিমত প্রকাশ করেছিল। কিন্তু তাদের অন্তরে আদম (আঃ)-এর মর্যাদা সম্পর্কে কিছুটা দ্বিধা বা আত্মপ্রশংসার ভাবও ছিল। আল্লাহ তা‘আলা তাদের সেই প্রকাশ্য কথা এবং অন্তরের গোপন ভাবনা — সবই জানেন, তা তিনি এখানে প্রকাশ করে দিলেন, যাতে প্রমাণিত হয় যে, আল্লাহর জ্ঞান সীমাহীন এবং আদম (আঃ)-কে যে জ্ঞান দান করা হয়েছে তা ফেরেশতাদের জ্ঞানের ঊর্ধ্বে।
শিক্ষা ও উপদেশ:
- নম্রতা ও বিনয়: ফেরেশতাদের মতো মহান সৃষ্টিও যখন নিজের জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে উপলব্ধি করে, তখন আমাদের উচিত আরও বেশি বিনয়ী হওয়া। নিজের জ্ঞানকে বড় মনে করা উচিত নয়।
- আল্লাহর জ্ঞানের অসীমতা: এই আয়াত থেকে আমরা শিখি যে, আল্লাহ তা‘আলার জ্ঞান আসমান-জমিনের সবকিছুকে পরিবেষ্টন করে আছে — আমাদের প্রকাশ্য কাজ এবং গোপন চিন্তা-ভাবনা সবই তাঁর জানা। তাই আমাদের উচিত সর্বদা সতর্ক থাকা এবং ভালো কাজ করা।
- জ্ঞান অর্জনের গুরুত্ব: আদম (আঃ)-কে জ্ঞান দান করে তাকে ফেরেশতাদের চেয়ে মর্যাদায় উন্নীত করা হয়েছে। এটি প্রমাণ করে যে, জ্ঞান অর্জন মানুষের জন্য কত বড় সম্মানের বিষয়। ইসলাম জ্ঞানচর্চাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়েছে।
- আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আস্থা: যখন আমরা বুঝতে পারি যে, আল্লাহ সবকিছু জানেন এবং তাঁর সিদ্ধান্তই সর্বোত্তম, তখন আমাদের জীবনের প্রতিটি বিষয়ে তাঁর উপর ভরসা করা উচিত। তিনি যা কিছু করেন, তার মধ্যে কল্যাণই নিহিত।
- অন্যের ভুল ধরার আগে আত্মসমালোচনা: ফেরেশতারা আদম (আঃ)-এর সৃষ্টি সম্পর্কে প্রশ্ন তুলেছিল, কিন্তু পরে তারা বুঝতে পেরেছিল যে, আল্লাহর জ্ঞানই সর্বশ্রেষ্ঠ। আমাদেরও উচিত অন্যের সমালোচনা করার আগে নিজের সীমাবদ্ধতা উপলব্ধি করা।
📜 আয়াত 31-35 — সূরা আল-বাকারা
অনুবাদ — আল-বাকারা 33
সূরা আল-বাকারা আয়াত 33 - পড়ুন, শুনুন, অনুবাদ, বাংলা : তিনি বললেন, হে আদম, ফেরেশতাদেরকে বলে দাও এসবের নাম। তারপর…সূরা আয়াত 33/286 — সূরা আল-বাকারা البقرة (মাদানী). পড়ুন শুনুন অনুবাদ (বাংলা). শুনুন: সূরা আল-বাকারা শুনুন, সূরা আল-বাকারা অনুবাদ, সূরা আল-বাকারা mp3, সূরা আল-বাকারা pdf. আয়াত 31–35. বাংলা অর্থ: हिन्दी.
সূরা আল-বাকারা
পবিত্র কুরআন
Monday, September 28, 2026
আপনার নেক দোয়ায় আমাদের ভুলে যাবেন না


