Qaalud-`u lanaa rabbaka yubaiyil lanaa maa hee; qaala innahoo yaqoolu innahaa baqaratul laa faaridunw wa laa bikrun `awaanum baina zaalika faf`aloo maa tu`maroon
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
তারা বলল, তুমি তোমার পালনকর্তার কাছে আমাদের জন্য প্রার্থনা কর, যেন সেটির রূপ বিশ্লেষণ করা হয়। মূসা (আঃ) বললেন, তিনি বলছেন, সেটা হবে একটা গাভী, যা বৃদ্ধ নয় এবং কুমারীও নয়-বার্ধক্য ও যৌবনের মাঝামাঝি বয়সের। এখন আদিষ্ট কাজ করে ফেল।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
(तब वह लोग कहने लगे कि (अच्छा) तुम अपने खुदा से दुआ करो कि हमें बता दे कि वह गाय कैसी हो मूसा ने कहा बेशक खुदा ने फरमाता है कि वह गाय न तो बहुत बूढ़ी हो और न बछिया बल्कि उनमें से औसत दरजे की हो, ग़रज़ जो तुमको हुक्म दिया गया उसको बजा लाओ
তারা বলল, তুমি তোমার পালনকর্তার কাছে আমাদের জন্য প্রার্থনা কর, যেন সেটির রূপ বিশ্লেষণ করা হয়। মূসা (আঃ) বললেন, তিনি বলছেন, সেটা হবে একটা গাভী, যা বৃদ্ধ নয় এবং কুমারীও নয়-বার্ধক্য ও যৌবনের মাঝামাঝি বয়সের। এখন আদিষ্ট কাজ করে ফেল।
📜
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
فَارِضٌ — বৃদ্ধ, যে গাভী больше সন্তান জন্ম দেয়নি বা больше দুধ দেয় না।
بِكْرٌ — কচি, ছোট, যে গাভী এখনও বাচ্চা প্রসব করেনি।
عَوَانٌ — মধ্যম বয়সের, যা এক বা দুইবার বাচ্চা প্রসব করেছে।
তাফসীর:
যখন আল্লাহ তাআলা বনি ইসরাঈলকে একটি গাভী জবাই করার আদেশ দিলেন, তখন তারা প্রশ্ন করতে শুরু করল। তারা বলল, “আপনি আপনার রবের কাছে প্রার্থনা করুন, তিনি যেন আমাদের কাছে স্পষ্ট করে দেন যে গাভীটি কেমন হবে?” অর্থাৎ তারা জিজ্ঞেস করল গাভীটির বয়স ও অবস্থা কী হবে। তখন মুসা (আ.) বললেন, “আল্লাহ বলছেন, গাভীটি এমন হবে যা না খুব বৃদ্ধ, না খুব ছোট; বরং তা হবে মধ্যম বয়সের — অর্থাৎ এর বয়স হবে দুধের ও বাচ্চা প্রসবের মধ্যবর্তী পর্যায়ে।” অর্থাৎ এটি হবে পূর্ণ যুবতী, যা একবার বা দুবার বাচ্চা প্রসব করেছে, কিন্তু এখনও বৃদ্ধ হয়নি। এরপর আল্লাহ তাদের নির্দেশ দিলেন, “তোমাদের যা আদেশ করা হয়েছে তা করো” — অর্থাৎ বারবার প্রশ্ন না করে দ্রুত আদেশ পালন করো। কারণ তারা প্রশ্ন করতে করতে নিজেদের জন্য কঠিন করে তুলেছিল, অথচ আল্লাহ তাদের জন্য সহজ করেছিলেন।
শিক্ষা ও উপদেশ:
আল্লাহর আদেশ পেলে বিলম্ব না করে সাথে সাথে পালন করা উচিত। বারবার প্রশ্ন করে নিজেদের জন্য কঠিন করা উচিত নয়।
আল্লাহর নির্দেশ যতই বিস্তারিত হোক না কেন, তা পালনে বাধ্য হওয়া ঈমানের দাবি।
নবী-রাসূলগণ আল্লাহর পক্ষ থেকে সঠিক নির্দেশ পৌঁছে দেন; তাদের উপর পূর্ণ আস্থা রাখা জরুরি।
ইসলামে সহজতা ও মধ্যম পথের গুরুত্ব রয়েছে — যেমন গাভীটি মধ্যম বয়সের ছিল, তেমনি মুমিনের জীবনেও চরমপন্থা না করে মধ্যম পথ অবলম্বন করা উচিত।
আল্লাহর আদেশ পালনে দেরি বা অলসতা করা উচিত নয়; কারণ এতে নিজেরই ক্ষতি হয়।
যখন মূসা (আঃ) স্বীয় সম্প্রদায়কে বললেনঃ আল্লাহ তোমাদের একটি গরু জবাই করতে বলেছেন। তারা বলল, তুমি কি আমাদের সাথে উপহাস করছ? মূসা (আঃ) বললেন, মূর্খদের অন্তর্ভুক্ত হওয়া থেকে আমি আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করছি।
তারা বলল, তুমি তোমার পালনকর্তার কাছে আমাদের জন্য প্রার্থনা কর, যেন সেটির রূপ বিশ্লেষণ করা হয়। মূসা (আঃ) বললেন, তিনি বলছেন, সেটা হবে একটা গাভী, যা বৃদ্ধ নয় এবং কুমারীও নয়-বার্ধক্য ও যৌবনের মাঝামাঝি বয়সের। এখন আদিষ্ট কাজ করে ফেল।
তারা বলল, তোমার পালনকর্তার কাছে আমাদের জন্য প্রার্থনা কর যে, তার রঙ কিরূপ হবে? মূসা (আঃ) বললেন, তিনি বলেছেন যে, গাঢ় পীতবর্ণের গাভী-যা দর্শকদের চমৎকৃত করবে।
তারা বলল, আপনি প্রভুর কাছে প্রার্থনা করুন-তিনি বলে দিন যে, সেটা কিরূপ? কেননা, গরু আমাদের কাছে সাদৃশ্যশীল মনে হয়। ইনশাআল্লাহ এবার আমরা অবশ্যই পথপ্রাপ্ত হব। মূসা (আঃ) বললেন, তিনি বলেন যে, এ গাভী ভূকর্ষণ ও জল সেচনের শ্রমে অভ্যস্ত নয়-হবে নিষ্কলঙ্ক, নিখুঁত।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।