বলুন, ভেবে দেখ তো, আল্লাহ যদি দিনকে কেয়ামতের দিন পর্যন্ত স্থায়ী করেন, তবে আল্লাহ ব্যতীত এমন উপাস্য কে আছে যে, তোমাদেরকে রাত্রি দান করতে পারে, যাতে তোমরা বিশ্রাম করবে ? তোমরা কি তবুও ভেবে দেখবে না ?
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
(ऐ रसूल उन से) कह दो कि भला तुमने देखा कि अगर ख़ुदा क़यामत तक बराबर तुम्हारे सरों पर दिन किए रहता तो अल्लाह के सिवा कौन ख़ुदा है जो तुम्हारे लिए रात को ले आता कि तुम लोग इसमें रात को आराम करो तो क्या तुम लोग (इतना भी) नहीं देखते
বলুন, ভেবে দেখ তো, আল্লাহ যদি দিনকে কেয়ামতের দিন পর্যন্ত স্থায়ী করেন, তবে আল্লাহ ব্যতীত এমন উপাস্য কে আছে যে, তোমাদেরকে রাত্রি দান করতে পারে, যাতে তোমরা বিশ্রাম করবে ? তোমরা কি তবুও ভেবে দেখবে না ?
📜
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
سَرْمَدًا — নিরবচ্ছিন্ন, অবিরাম, যার কোনো শেষ নেই।
تَسْكُنُونَ — তোমরা বিশ্রাম পাও, শান্তি ও স্থিরতা লাভ করো।
তفسير:
হে নবী! আপনি তাদের বলুন: “তোমরা কি ভেবে দেখেছ? যদি আল্লাহ তোমাদের উপর কিয়ামতের দিন পর্যন্ত দিনকে চিরস্থায়ী করে দেন—অর্থাৎ রাত আর না আসে—তবে আল্লাহ ছাড়া এমন কোনো উপাস্য আছে কি, যে তোমাদের জন্য রাত নিয়ে আসবে, যাতে তোমরা বিশ্রাম ও শান্তি লাভ করতে পারো?” অর্থাৎ, দিনের ক্লান্তি ও পরিশ্রমের পর রাতের অন্ধকারই তোমাদের জন্য প্রশান্তি ও নিদ্রার মাধ্যম। যদি দিন চিরস্থায়ী হয়ে যায়, তবে তোমাদের জীবনযাত্রা সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত হয়ে পড়বে—কৃষিকাজ, ব্যবসা-বাণিজ্য, এমনকি ঘুম ও বিশ্রামও অসম্ভব হয়ে যাবে।
তোমরা কি চোখ খুলে দেখো না? দিন ও রাতের এই পরিবর্তন, তাদের নিয়মিত আগমন-প্রস্থান—এসবই আল্লাহর একত্ব ও পরিপূর্ণ ক্ষমতার প্রমাণ। যে সত্তা এত সুন্দরভাবে দিন ও রাতের ব্যবস্থা করেছেন, তিনি ছাড়া আর কে এত বড় নিয়ামত দিতে পারে? অথচ তোমরা তাঁর ইবাদত থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছ এবং অন্যকে উপাস্য বানাচ্ছ! তোমাদের কি বিবেক ও দৃষ্টিশক্তি নেই যে, এই সুস্পষ্ট নিদর্শন দেখে আল্লাহকে চিনবে না?
ফায়দা:
এই আয়াত প্রমাণ করে যে, আল্লাহর অগণিত নিয়ামতের মধ্যে দিন-রাতের পরিবর্তন অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিয়ামত। মানুষের জীবনধারণ, কর্মপরিকল্পনা ও বিশ্রাম—সবকিছুই এই ব্যবস্থার উপর নির্ভরশীল।
এতে আল্লাহর একত্বের যুক্তিগ্রাহ্য প্রমাণ রয়েছে—শুধু তিনিই এত বড় ব্যবস্থাপনা পরিচালনার ক্ষমতা রাখেন, অন্য কেউ নয়।
মানুষের উচিত প্রকৃতির এই নিয়মগুলো নিয়ে চিন্তা করা, কারণ প্রতিটি সৃষ্টি আল্লাহর অস্তিত্ব ও ক্ষমতার জীবন্ত প্রমাণ বহন করে।
এই আয়াত আমাদের শেখায় যে, আল্লাহর নিয়ামতের প্রতি কৃতজ্ঞ হওয়া এবং তাঁর ইবাদতে মনোনিবেশ করা—এটাই মানুষের সফলতার পথ। যে সত্তা আমাদের জন্য রাত ও দিনের এমন ভারসাম্য সৃষ্টি করেছেন, তিনি অবশ্যই আমাদের সকল প্রয়োজনের জ্ঞাতা ও পূরণকারী।
বলুন, ভেবে দেখ তো, আল্লাহ যদি রাত্রিকে কেয়ামতের দিন পর্যন্ত স্থায়ী করেন, তবে আল্লাহ ব্যতীত এমন উপাস্য কে আছে, যে তোমাদেরকে আলোক দান করতে পারে? তোমরা কি তবুও কর্ণꦣ2474;াত করবে না?
বলুন, ভেবে দেখ তো, আল্লাহ যদি দিনকে কেয়ামতের দিন পর্যন্ত স্থায়ী করেন, তবে আল্লাহ ব্যতীত এমন উপাস্য কে আছে যে, তোমাদেরকে রাত্রি দান করতে পারে, যাতে তোমরা বিশ্রাম করবে ? তোমরা কি তবুও ভেবে দেখবে না ?
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।