Kaifa yahdil laahu qawman kafaroo ba`da eemaanihim wa shahidooo annar Rasoola haqqunw wa jaaa`ahumul baiyinaat; wallaahu laa yahdil qawmaz zaalimeen
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
কেমন করে আল্লাহ এমন জাতিকে হেদায়েত দান করবেন, যারা ঈমান আনার পর এবং রসূলকে সত্য বলে সাক্ষ্য দেয়ার পর এবং তাদের নিকট প্রমাণ এসে যাওয়ার পর কাফের হয়েছে। আর আল্লাহ জালেম সম্প্রদায়কে হেদায়েত দান করেন না।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
भला ख़ुदा ऐसे लोगों की क्योंकर हिदायत करेगा जो इमाने लाने के बाद फिर काफ़िर हो गए हालॉकि वह इक़रार कर चुके थे कि पैग़म्बर (आख़िरूज़ज़मा) बरहक़ हैं और उनके पास वाजेए व रौशन मौजिज़े भी आ चुके थे और ख़ुदा ऐसी हठधर्मी करने वाले लोगों की हिदायत नहीं करता
কেমন করে আল্লাহ এমন জাতিকে হেদায়েত দান করবেন, যারা ঈমান আনার পর এবং রসূলকে সত্য বলে সাক্ষ্য দেয়ার পর এবং তাদের নিকট প্রমাণ এসে যাওয়ার পর কাফের হয়েছে। আর আল্লাহ জালেম সম্প্রদায়কে হেদায়েত দান করেন না।
📜
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
كَيْفَ يَهْدِي اللهُ – আল্লাহ কীভাবে পথ দেখাবেন বা হিদায়াত দান করবেন?
كَفَرُوا بَعْدَ إِيمَانِهِمْ – ঈমান আনার পর কুফরি করেছে।
وَشَهِدُوا أَنَّ الرَّسُولَ حَقٌّ – তারা সাক্ষ্য দিয়েছে যে, রাসূল (সা.) সত্য।
الْبَيِّنَاتُ – স্পষ্ট প্রমাণসমূহ, সুস্পষ্ট দলিল।
الظَّالِمِينَ – যালিম সম্প্রদায়, যারা সত্য জেনেও তা প্রত্যাখ্যান করে।
তাফসির (ব্যাখ্যা):
এই আয়াতে আল্লাহ তাআলা বিস্ময় ও আশ্চর্য প্রকাশ করে জিজ্ঞেস করছেন—যে সম্প্রদায় ঈমান আনার পর আবার কুফরির দিকে ফিরে গেছে, তাদেরকে কীভাবে আল্লাহ হিদায়াত দান করবেন? অথচ তারা নিজেরাই সাক্ষ্য দিয়েছিল যে, রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর আনীত বাণী সত্য এবং তিনি সত্য রাসূল। তাদের কাছে আল্লাহর পক্ষ থেকে স্পষ্ট প্রমাণ ও দলিলও এসে গিয়েছিল, যা তার সত্যতা প্রমাণ করে। তবুও তারা সত্য জেনে, বুঝে তা প্রত্যাখ্যান করেছে এবং ঈমানের পরিবর্তে কুফরিকে বেছে নিয়েছে।
এ ধরনের লোকদের জন্য হিদায়াতের পথ বন্ধ হয়ে যায়। কারণ, হিদায়াত তো তাদের জন্যই, যারা সত্য গ্রহণ করতে চায় এবং অন্তর দিয়ে তা মেনে নেয়। কিন্তু যারা জেনেশুনে সত্যকে অস্বীকার করে এবং নিজের জুলুম দিয়ে সত্যের ওপর মিথ্যাকে প্রাধান্য দেয়, আল্লাহ তাদের অন্তর থেকে হিদায়াতের আলো কেড়ে নেন। আল্লাহ কখনো এমন যালিম সম্প্রদায়কে হিদায়াত দেন না, যারা সত্য জানার পরও তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয় এবং নিজেদের অহংকার ও প্রবৃত্তির কারণে ঈমান ছেড়ে কুফরিতে লিপ্ত হয়।
শিক্ষা ও উপদেশ:
ঈমান আনার পর তা ধরে রাখা এবং কুফরি থেকে বেঁচে থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, ঈমানের পর কুফরি করলে আল্লাহর হিদায়াত থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
সত্য জানার পর তা মেনে নেওয়া প্রতিটি মানুষের দায়িত্ব। জেনেশুনে সত্যকে অস্বীকার করা চরম জুলুম, যা আল্লাহ পছন্দ করেন না।
আল্লাহর হিদায়াত লাভের জন্য প্রয়োজন আন্তরিকতা ও সত্য গ্রহণের প্রস্তুতি। যারা অহংকার ও প্রবৃত্তির পেছনে চলে, তারা এ মহান নিয়ামত থেকে বঞ্চিত হয়।
এই আয়াত আমাদের সতর্ক করে যে, সত্যের সাক্ষ্য দেওয়ার পর যদি কেউ তা প্রত্যাখ্যান করে, তবে তার পরিণাম অত্যন্ত ভয়াবহ। তাই আমাদের উচিত সর্বদা সত্যের ওপর অটল থাকা এবং আল্লাহর কাছে হিদায়াতের জন্য প্রার্থনা করা।
বলুন, আমরা ঈমান এনেছি আল্লাহর উপর এবং যা কিছু অবতীর্ণ হয়েছে আমাদের উপর, ইব্রাহীম, ইসমাঈল, ইসহাক, ইয়াকুব এবং তাঁদের সন্তানবর্গের উপর আর যা কিছু পেয়েছেন মূসা ও ঈসা এবং অন্যান্য নবী রসূলগণ তাঁদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে। আমরা তাঁদের কারো মধ্যে পার্থক্য করি না। আর আমরা তাঁরই অনুগত।
কেমন করে আল্লাহ এমন জাতিকে হেদায়েত দান করবেন, যারা ঈমান আনার পর এবং রসূলকে সত্য বলে সাক্ষ্য দেয়ার পর এবং তাদের নিকট প্রমাণ এসে যাওয়ার পর কাফের হয়েছে। আর আল্লাহ জালেম সম্প্রদায়কে হেদায়েত দান করেন না।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।