Man kaana yureedul `aajilata `ajjalnaa lahoo feehaa maa nashaaa`u liman nureedu summa ja`alnaa lahoo Jahannama yaslaahaa mazmoomammad hooraa
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
যে কেউ ইহকাল কামনা করে, আমি সেসব লোককে যা ইচ্ছা সত্ত্বর দিয়ে দেই। অতঃপর তাদের জন্যে জাহান্নাম নির্ধারণ করি। ওরা তাতে নিন্দিত-বিতাড়িত অবস্থায় প্রবেশ করবে।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
(और गवाह याहिद की ज़रुरत नहीं) और जो शख़्श दुनिया का ख्वाहाँ हो तो हम जिसे चाहते और जो चाहते हैं उसी दुनिया में सिरदस्त (फ़ौरन) उसे अता करते हैं (मगर) फिर हमने उसके लिए तो जहन्नुम ठहरा ही रखा है कि वह उसमें बुरी हालत से रौंदा हुआ दाख़िल होगा
যে কেউ ইহকাল কামনা করে, আমি সেসব লোককে যা ইচ্ছা সত্ত্বর দিয়ে দেই। অতঃপর তাদের জন্যে জাহান্নাম নির্ধারণ করি। ওরা তাতে নিন্দিত-বিতাড়িত অবস্থায় প্রবেশ করবে।
📜
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
العَاجِلَةَ: দুনিয়া তথা পার্থিব জীবন।
عَجَّلْنَا: আমরা ত্বরান্বিত করি বা অগ্রিম দিয়ে দেই।
يَصْلَاهَا: সে এতে প্রবেশ করবে (জাহান্নামের আগুনে দগ্ধ হবে)।
مَذْمُومًا: নিন্দিত অবস্থায়।
مَّدْحُورًا: আল্লাহর রহমত থেকে বিতাড়িত ও অপদস্থ।
তাফসীর:
যে ব্যক্তি কেবল দুনিয়ার সুখ-সম্ভোগ ও পার্থিব জীবনকেই তার একমাত্র লক্ষ্য বানিয়ে নেয়, আখিরাতে বিশ্বাস করে না এবং তার জন্য কোনো প্রস্তুতিও গ্রহণ করে না, আল্লাহ তাআলা তার সম্পর্কে ঘোষণা করেন—আমি তাকে দুনিয়ায় যা ইচ্ছা করি তা দিয়ে দেই, তবে আমার ইচ্ছা অনুযায়ী, তার ইচ্ছা অনুযায়ী নয়। অর্থাৎ, প্রত্যেক ব্যক্তি যা চায় তা পায় না; বরং আল্লাহ যাকে চান তাকে দেন এবং যতটুকু চান দেন—কখনো সম্পদ দিয়ে পরীক্ষা করেন, কখনো সংকীর্ণতা দিয়ে। কিন্তু এরপর আখিরাতে তার জন্য রয়েছে জাহান্নামের আগুন, যেখানে সে প্রবেশ করবে নিন্দিত ও আল্লাহর রহমত থেকে বিতাড়িত অবস্থায়। কারণ সে দুনিয়াকে আখিরাতের ওপর প্রাধান্য দিয়েছে এবং পরকালকে অস্বীকার করে নিজের জন্য এই দুর্ভোগ ডেকে এনেছে।
শিক্ষা ও উপকার:
দুনিয়ার জীবন ক্ষণস্থায়ী এবং এর সুখ-সম্ভোগ অস্থায়ী; তাই একে জীবনের চূড়ান্ত লক্ষ্য বানানো উচিত নয়।
আল্লাহর ইচ্ছা ও হিকমতের ওপর পূর্ণ আস্থা রাখতে হবে—তিনি যাকে যা দেন তা তাঁর জ্ঞান ও প্রজ্ঞার ভিত্তিতে দেন।
আখিরাতে বিশ্বাস ও তার প্রস্তুতি গ্রহণই মুমিনের সফলতার মূল চাবিকাঠি; দুনিয়ামুখী জীবন শেষ পর্যন্ত লাঞ্ছনা ও আফসোসের কারণ হয়।
এই আয়াত মুমিনকে সতর্ক করে যে, দুনিয়ার মোহে আখিরাত ভুলে গেলে পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ—জাহান্নামের শাস্তি ও আল্লাহর রহমত থেকে বিতাড়িত হওয়া।
ইসলাম আমাদের শেখায় দুনিয়া ও আখিরাতের মধ্যে ভারসাম্য রাখতে—দুনিয়াকে আখিরাতের পথে সোপান বানাতে, আর এটিই প্রকৃত সাফল্যের পথ।
যখন আমি কোন জনপদকে ধ্বংস করার ইচ্ছা করি তখন তার অবস্থাপন্ন লোকদেরকে উদ্ধুদ্ধ করি অতঃপর তারা পাপাচারে মেতে উঠে। তখন সে জনগোষ্টীর উপর আদেশ অবধারিত হয়ে যায়। অতঃপর আমি তাকে উঠিয়ে আছাড় দেই।
যে কেউ ইহকাল কামনা করে, আমি সেসব লোককে যা ইচ্ছা সত্ত্বর দিয়ে দেই। অতঃপর তাদের জন্যে জাহান্নাম নির্ধারণ করি। ওরা তাতে নিন্দিত-বিতাড়িত অবস্থায় প্রবেশ করবে।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।