ত্ব-হা · 49/135
অনুবাদ উচ্চারণ — সূরা ত্ব-হা
قَالَ فَمَن رَّبُّكُمَا يَا مُوسَىٰ ۝٤٩
Qaala famar Rabbu kumaa yaa Moosa
📖 বাংলা অর্থ
সে বললঃ তবে হে মূসা, তোমাদের পালনকর্তা কে?

M Mishary Rashid Alafasy ✓
M Mahmoud Khalil Al-Husary ✓
A Abdurrahman As-Sudais ✓
M Mohamed Siddiq Al-Minshawi ✓
A Abdul Basit Abdul Samad ✓
A Ali Al-Hudhaify ✓
A Ahmed ibn Ali al-Ajamy ✓
A Abu Bakr Ash-Shaatree ✓
M Muhammad Ayyoub ✓
A Abdullah Basfar ✓
A Abdullah Al-Juhani ✓
M Maher Al Muaiqly ✓
0:00
0:00
📜

অনুবাদ — Tafsir

শব্দার্থ:

  • رَبّ — প্রতিপালক, মালিক, রব।
  • رَبُّكُمَا — তোমাদের উভয়ের রব (মূসা ও হারুনের)।
  • يَا مُوسَى — হে মূসা! (এখানে হারুনকে সম্বোধন না করে শুধু মূসাকে সম্বোধন করা হয়েছে, কারণ মূসাই মূল নবী এবং হারুন তার সহকারী)।

তাফসীর:

ফেরাউন যখন মূসা (আঃ) ও হারুন (আঃ)-এর কাছে তাদের দাওয়াত ও অলৌকিক মু'জিযা প্রত্যক্ষ করল, তখন সে তাদের কথাকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করার জন্য এবং তাদেরকে বিভ্রান্ত করার উদ্দেশ্যে প্রশ্ন করল: "তোমাদের উভয়ের রব কে, হে মূসা?" — অর্থাৎ, যে রব তোমাদেরকে আমার কাছে পাঠিয়েছেন, তিনি কে? তার নাম ও পরিচয় কী? ফেরাউন এ প্রশ্ন করেছিল বিদ্রূপ ও অস্বীকারের মনোভাব নিয়ে, কারণ সে নিজেকে রব বলে দাবি করত এবং তার প্রজাদেরকে তারই উপাসনা করতে বলত। সে জানতে চাইল, মূসা যে রবের কথা বলছে, তিনি কেমন এবং তার পরিচয় কী? এখানে ফেরাউন প্রথমে উভয়কে (মূসা ও হারুনকে) সম্বোধন করলেও পরে শুধু মূসাকেই নাম ধরে ডাকল, কারণ মূসাই ছিলেন মূল নবী এবং হারুন ছিলেন তার অনুসারী ও সহকারী। ফেরাউন মনে করত, মূসাই এ দাওয়াতের মূল নেতা, তাই তাকে লক্ষ্য করেই প্রশ্ন করল।

শিক্ষা ও উপদেশ:

  1. সত্যের দাওয়াত পৌঁছানোর সময় শাসক বা ক্ষমতাবানদের কঠোর প্রতিক্রিয়া ও বিদ্রূপ আসবেই, কিন্তু দাওয়াতদাতার কর্তব্য হলো ধৈর্য ও সাহসের সাথে সত্য তুলে ধরা।
  2. প্রশ্ন করার সময়ও কুরআনের বর্ণনায় আমরা দেখি, ফেরাউন প্রথমে "তোমাদের উভয়ের রব" বললেও পরে "হে মূসা" বলে সম্বোধন করেছে — এতে বোঝা যায়, মূল দায়িত্ব ও নেতৃত্ব যার, তাকে লক্ষ্য করেই সম্বোধন করা হয়। ইসলামেও নেতৃত্বের গুরুত্ব অপরিসীম।
  3. সত্য ও মিথ্যার দ্বন্দ্বে মিথ্যার পক্ষপাতীরা প্রায়শই প্রশ্নের মাধ্যমে সত্যকে হেয় প্রতিপন্ন করতে চায়, কিন্তু মুমিনের কর্তব্য হলো দ্বিধাহীনভাবে সত্যের পক্ষে দাঁড়ানো এবং আল্লাহর উপর ভরসা রাখা।
  4. এই আয়াত থেকে আমরা শিখি, আল্লাহর রাসূলগণ কখনো ক্ষমতাবানদের ভয় পাননি; বরং নির্ভীকভাবে আল্লাহর বাণী পৌঁছে দিয়েছেন। আমাদেরও উচিত সত্য কথা বলতে ভয় না করা এবং আল্লাহর দ্বীনের পথে কুরবানি করতে প্রস্তুত থাকা।


📜 আয়াত 47-51 — সূরা ত্ব-হা

47فَأْتِيَاهُ فَقُولَا إِنَّا رَسُولَا رَبِّكَ فَأَرْسِلْ مَعَنَا بَنِي إِسْرَائِيلَ وَلَا تُعَذِّبْهُمْ ۖ قَدْ جِئْنَاكَ بِآيَةٍ مِّن رَّبِّكَ ۖ وَالسَّلَامُ عَلَىٰ مَنِ اتَّبَعَ الْهُدَىٰ
অতএব তোমরা তার কাছে যাও এবং বলঃ আমরা উভয়েই তোমার পালনকর্তার প্রেরিত রসূল, অতএব আমাদের সাথে বনী ইসরাঈলকে যেতে দাও এবং তাদেরকে নিপীড়ন করো না। আমরা তোমার পালনকর্তার কাছ থেকে নিদর্শন নিয়ে তোমার কাছে আগমন করেছি। এবং যে সৎপথ অনুসরণ করে, তার প্রতি শান্তি।
48إِنَّا قَدْ أُوحِيَ إِلَيْنَا أَنَّ الْعَذَابَ عَلَىٰ مَن كَذَّبَ وَتَوَلَّىٰ
আমরা ওহী লাভ করেছি যে, যে ব্যক্তি মিথ্যারোপ করে এবং মুখ ফিরিয়ে নেয়, তার উপর আযাব পড়বে।
49قَالَ فَمَن رَّبُّكُمَا يَا مُوسَىٰ
সে বললঃ তবে হে মূসা, তোমাদের পালনকর্তা কে?
50قَالَ رَبُّنَا الَّذِي أَعْطَىٰ كُلَّ شَيْءٍ خَلْقَهُ ثُمَّ هَدَىٰ
মূসা বললেনঃ আমাদের পালনকর্তা তিনি, যিনি প্রত্যেক বস্তুকে তার যোগ্য আকৃতি দান করেছেন, অতঃপর পথপ্রদর্শন করেছেন।
51قَالَ فَمَا بَالُ الْقُرُونِ الْأُولَىٰ
ফেরাউন বললঃ তাহলে অতীত যুগের লোকদের অবস্থা কি?
ত্ব-হাকুরআন সূচী
135আয়াত
মাক্কীঅবতরণস্থান
49আয়াত

অনুবাদ — ত্ব-হা 49

সূরা ত্ব-হা আয়াত 49 - পড়ুন, শুনুন, অনুবাদ, বাংলা : সে বললঃ তবে হে মূসা, তোমাদের পালনকর্তা কে?

সূরা আয়াত 49/135 — সূরা ত্ব-হা طه (মাক্কী). পড়ুন শুনুন অনুবাদ (বাংলা). শুনুন: সূরা ত্ব-হা শুনুন, সূরা ত্ব-হা অনুবাদ, সূরা ত্ব-হা mp3, সূরা ত্ব-হা pdf. আয়াত 47–51. বাংলা অর্থ: हिन्दी.





পবিত্র কুরআন


Monday, September 28, 2026

আপনার নেক দোয়ায় আমাদের ভুলে যাবেন না