in tad`oohum laa yasma`oo du`aaa`akum wa law sami`oo mas tajaaboo lakum; wa Yawmal Qiyaamati Yakfuroona bishirkikum; wa laa yunabbi`uka mislu khabeer
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
তোমরা তাদেরকে ডাকলে তারা তোমাদের সে ডাক শুনে না। শুনলেও তোমাদের ডাকে সাড়া দেয় না। কেয়ামতের দিন তারা তোমাদের শেরক অস্বীকার করবে। বস্তুতঃ আল্লাহর ন্যায় তোমাকে কেউ অবহিত করতে পারবে না।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
अगर तुम उनको पुकारो तो वह तुम्हारी पुकार को सुनते नहीं अगर (बिफ़रज़े मुहाल) सुनों भी तो तुम्हारी दुआएँ नहीं कुबूल कर सकते और क़यामत के दिन तुम्हारे शिर्क से इन्कार कर बैठेंगें और वाक़िफकार (शख्स की तरह कोई दूसरा उनकी पूरी हालत) तुम्हें बता नहीं सकता
তোমরা তাদেরকে ডাকলে তারা তোমাদের সে ডাক শুনে না। শুনলেও তোমাদের ডাকে সাড়া দেয় না। কেয়ামতের দিন তারা তোমাদের শেরক অস্বীকার করবে। বস্তুতঃ আল্লাহর ন্যায় তোমাকে কেউ অবহিত করতে পারবে না।
📜
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
تَدْعُوهُمْ – তোমরা তাদেরকে ডাকো (আরাধনা করো)।
لَا يَسْمَعُوا – তারা শুনতে পাবে না।
مَا اسْتَجَابُوا – তারা সাড়া দেবে না / তোমাদের ডাকে সাড়া দেবে না।
يَكْفُرُونَ بِشِرْكِكُمْ – তারা তোমাদের শিরককে অস্বীকার করবে (অর্থাৎ, তোমাদেরকে জড়িত করা থেকে নিজেদের মুক্ত ঘোষণা করবে)।
لَا يُنَبِّئُكَ – তোমাকে অবহিত করবে না।
خَبِيرٍ – সর্বজ্ঞ, যিনি সব বিষয়ে পূর্ণ জ্ঞান রাখেন।
তাফসীর:
হে মানুষ! তোমরা আল্লাহকে বাদ দিয়ে যেসব মূর্তি, দেব-দেবী বা অন্য কোনো সৃষ্টিকে ডাকো, তারা তোমাদের ডাক শুনতেই পায় না। কারণ তারা জড় বস্তু, তাদের মধ্যে শ্রবণশক্তি বা জীবনই নেই। আর যদি ধরে নেওয়া হয় যে, তারা শুনতে পায়, তবুও তারা তোমাদের কোনো উপকার বা ক্ষতি করতে সক্ষম নয়, তাই তোমাদের ডাকে সাড়া দেওয়ার ক্ষমতাও তাদের নেই। কিয়ামতের দিন তারা তোমাদের থেকে সম্পূর্ণরূপে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে এবং তোমাদের সে শিরককে অস্বীকার করবে—অর্থাৎ, তারা সাক্ষ্য দেবে যে, তোমরা তাদেরকে আল্লাহর সাথে শরিক করেছিলে, কিন্তু তারা তা কখনো গ্রহণ করেনি এবং তারা তোমাদের থেকে নিজেদেরকে মুক্ত ঘোষণা করবে। হে নবী! কোনো সৃষ্টিই তোমাকে সত্য ও বাস্তব অবস্থা সম্পর্কে অবহিত করতে পারে না, কারণ তাদের জ্ঞান সীমিত। কিন্তু আল্লাহ তাআলা সবকিছুর খবর রাখেন, তিনি চিরজ্ঞ ও সর্ববিষয়ে অবগত। তাই আল্লাহই একমাত্র সত্য সংবাদদাতা, আর তাঁর সংবাদই সম্পূর্ণ নির্ভুল ও সন্দেহাতীত।
শিক্ষা ও উপকারিতা:
এই আয়াত থেকে আমরা শিখি যে, আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে ডাকা বা আহ্বান করা সম্পূর্ণ নিরর্থক এবং শিরক। কারণ তারা শুনতেও পায় না, আর শুনলেও সাড়া দেওয়ার ক্ষমতা তাদের নেই।
কিয়ামতের দিন সকল মিথ্যা উপাস্য তাদের উপাসকদের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে এবং তারা তাদের শিরকের দায়িত্ব অস্বীকার করবে। তাই আমাদের উচিত একমাত্র আল্লাহর ইবাদত করা এবং তাঁর কাছেই সব প্রয়োজন পেশ করা।
আল্লাহ তাআলাই একমাত্র সর্বজ্ঞ ও সর্ববিষয়ে অবগত। তিনি আমাদেরকে সত্য পথ দেখান এবং পরকালের সঠিক অবস্থা সম্পর্কে অবহিত করেন। তাই আমাদের উচিত আল্লাহর নির্দেশনা ও কুরআনের শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া এবং তা মেনে চলা।
এই আয়াত মুমিনের অন্তরে তাওহীদের (একত্ববাদের) দৃঢ় বিশ্বাস তৈরি করে এবং তাকে সব ধরনের শিরক থেকে দূরে থাকতে শেখায়। এটি আমাদেরকে মনে করিয়ে দেয় যে, প্রকৃত শক্তি ও কর্তৃত্ব একমাত্র আল্লাহর হাতে, তাই তাঁর কাছেই আমরা সাহায্য প্রার্থনা করব।
দু’টি সমুদ্র সমান হয় না-একটি মিঠা ও তৃষ্ণানিবারক এবং অপরটি লোনা। ঊভয়টি থেকেই তোমরা তাজা গোশত (মৎস) আহার কর এবং পরিধানে ব্যবহার্য গয়নাগাটি আহরণ কর। তুমি তাতে তার বুক চিরে জাহাজ চলতে দেখ, যাতে তোমরা তার অনুগ্রহ অন্বেষণ কর এবং যাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর।
তিনি রাত্রিকে দিবসে প্রবিষ্ট করেন এবং দিবসকে রাত্রিতে প্রবিষ্ট করেন। তিনি সূর্য ও চন্দ্রকে কাজে নিয়োজিত করেছেন। প্রত্যেকটি আবর্তন করে এক নির্দিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত। ইনি আল্লাহ; তোমাদের পালনকর্তা, সাম্রাজ্য তাঁরই। তাঁর পরিবর্তে তোমরা যাদেরকে ডাক, তারা তুচ্ছ খেজুর আঁটিরও অধিকারী নয়।
তোমরা তাদেরকে ডাকলে তারা তোমাদের সে ডাক শুনে না। শুনলেও তোমাদের ডাকে সাড়া দেয় না। কেয়ামতের দিন তারা তোমাদের শেরক অস্বীকার করবে। বস্তুতঃ আল্লাহর ন্যায় তোমাকে কেউ অবহিত করতে পারবে না।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।