Mishary Rashid Alafasy
✓
Mahmoud Khalil Al-Husary
✓
Abdurrahman As-Sudais
✓
Mohamed Siddiq Al-Minshawi
✓
Abdul Basit Abdul Samad
✓
Ali Al-Hudhaify
✓
Ahmed ibn Ali al-Ajamy
✓
Abu Bakr Ash-Shaatree
✓
Muhammad Ayyoub
✓
Abdullah Basfar
✓
Abdullah Al-Juhani
✓
Maher Al Muaiqly
✓
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
- وَيَقُولُونَ – এবং তারা বলে (অর্থাৎ কাফিররা বলে)
- مَتَى – কখন? (সময় সম্পর্কে প্রশ্ন)
- هَذَا الْوَعْدُ – এই প্রতিশ্রুতি (অর্থাৎ কিয়ামত, পুনরুত্থান ও শাস্তির যে ওয়াদা দেওয়া হচ্ছে)
- إِن كُنتُمْ صَادِقِينَ – যদি তোমরা সত্যবাদী হয়ে থাকো
তাফসীর:
কাফিররা যখন কুরআনের আয়াত শুনে যে, একদিন সব মানুষকে পুনরুত্থিত করা হবে এবং তাদেরকে তাদের আমলের হিসাব দিতে হবে, তখন তারা ঠাট্টা-বিদ্রূপের সুরে মুমিনদের জিজ্ঞেস করে: “বলো তো, এই প্রতিশ্রুতি (কিয়ামত) কবে আসবে? যদি তোমরা সত্যবাদী হয়ে থাকো, তবে তার সময় তো বলো!” তারা এটা এমনভাবে বলে যেন এটা কখনো ঘটবে না, আর তারা এটাকে অসম্ভব ও হাস্যকর মনে করে।
তাদের এই প্রশ্নের জবাবে আল্লাহ তাআলা অন্য আয়াতে তাঁর রাসূলকে (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শিক্ষা দিয়েছেন যে, তিনি বলবেন: “এর জ্ঞান কেবল আল্লাহর কাছেই।” কারণ কিয়ামতের সুনির্দিষ্ট সময় আল্লাহ ছাড়া কেউ জানে না। রাসূলের (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দায়িত্ব শুধু এই যে, তিনি মানুষকে সতর্ক করবেন এবং আল্লাহর পক্ষ থেকে যা কিছু জানানো হয়েছে তা স্পষ্টভাবে বর্ণনা করবেন। কিয়ামতের সময় জানা রাসূলের কাজ নয়, বরং এটি আল্লাহর গায়েবি বিষয়গুলোর অন্তর্ভুক্ত।
কাফিরদের এই প্রশ্নটি মূলত তাদের ঔদ্ধত্য, অবিশ্বাস ও পরকালকে অস্বীকার করারই বহিঃপ্রকাশ। তারা জেনে-বুঝে এমন প্রশ্ন করে যার উত্তর আল্লাহ ছাড়া কেউ জানে না, যাতে তারা মুমিনদের বিভ্রান্ত করতে পারে। কিন্তু প্রকৃত সত্য হলো, কিয়ামত অবশ্যই আসবে, যদিও তার সময় আল্লাহ ছাড়া কেউ জানে না।
শিক্ষা ও উপদেশ:
- কিয়ামতের সময় জানা সম্পূর্ণরূপে আল্লাহর একক জ্ঞানের মধ্যে সীমাবদ্ধ। কোনো নবী, রাসূল বা ফেরেশতাও এ বিষয়ে জানে না। তাই কেউ যদি কিয়ামতের নির্দিষ্ট সময় সম্পর্কে দাবি করে, তবে সে মিথ্যাবাদী।
- কাফিরদের ঠাট্টা-বিদ্রূপ কখনো সত্যকে দুর্বল করতে পারে না। তারা যতই উপহাস করুক, আল্লাহর ওয়াদা অবশ্যই পূর্ণ হবে।
- মুমিনের দায়িত্ব হলো আল্লাহর নির্দেশ অনুযায়ী মানুষকে সতর্ক করা এবং সত্য প্রচার করা। মানুষের প্রতিক্রিয়া বা উপহাসের কারণে নিজের দায়িত্ব থেকে পিছিয়ে আসা উচিত নয়।
- এই আয়াত থেকে আমরা শিখি যে, কোনো বিষয়ে অজ্ঞতা প্রকাশ করা দোষের নয়, বরং দোষ হলো এমন বিষয়ে কথা বলা যা সম্পর্কে আমাদের জ্ঞান নেই। আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন কিয়ামতের সময় সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হন, তখন তিনি আল্লাহর নির্দেশ অনুযায়ী উত্তর দেন যে, এর জ্ঞান কেবল আল্লাহর কাছেই।
- কিয়ামতে বিশ্বাস করা ঈমানের অপরিহার্য অংশ। যে ব্যক্তি কিয়ামতকে অস্বীকার করে বা সন্দেহ পোষণ করে, সে মূলত আল্লাহর ক্ষমতা ও তাঁর ওয়াদাকে অস্বীকার করে। আর আল্লাহর ওয়াদা কখনো ভঙ্গ হয় না।
📜 আয়াত 23-27 — সূরা আল-মুলক
অনুবাদ — আল-মুলক 25
সূরা আল-মুলক আয়াত 25 - পড়ুন, শুনুন, অনুবাদ, বাংলা : কাফেররা বলেঃ এই প্রতিশ্রুতি কবে হবে, যদি তোমরা সত্যবাদী হও?সূরা আয়াত 25/30 — সূরা আল-মুলক الملك (মাক্কী). পড়ুন শুনুন অনুবাদ (বাংলা). শুনুন: সূরা আল-মুলক শুনুন, সূরা আল-মুলক অনুবাদ, সূরা আল-মুলক mp3, সূরা আল-মুলক pdf. আয়াত 23–27. বাংলা অর্থ: हिन्दी.
পবিত্র কুরআন
Monday, September 28, 2026
আপনার নেক দোয়ায় আমাদের ভুলে যাবেন না


