Alaaa inna lillaahi man fis samaawaati wa man fil ard; wa maa yattabi`ul lazeena yad`oona min doonil laahi shurakaaa`; iny yattabi`oona illaz zannna wa in hum illaa yakhrusoon
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
শুনছ, আসমানসমূহে ও যমীনে যা কিছু রয়েছে সবই আল্লাহর। আর এরা যারা আল্লাহকে বাদ দিয়ে শরীকদের উপাসনার পেছনে পড়ে আছে-তা আসলে কিছুই নয়। এরা নিজেরই কল্পনার পেছনে পড়ে রয়েছে এবং এছাড়া আর কিছু নয় যে, এরা বুদ্ধি খাটাচ্ছে।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
आगाह रहो इसमें शक़ नहीं कि जो लोग आसमानों में हैं और जो लोग ज़मीन में है (ग़रज़ सब कुछ) ख़ुदा ही के लिए है और जो लोग ख़ुदा को छोड़कर (दूसरों को) पुकारते हैं वह तो (ख़ुदा के फर्ज़ी) शरीकों की राह पर भी नहीं चलते बल्कि वह तो सिर्फ अपनी अटकल पर चलते हैं और वह सिर्फ वहमी और ख्याली बातें किया करते हैं
শুনছ, আসমানসমূহে ও যমীনে যা কিছু রয়েছে সবই আল্লাহর। আর এরা যারা আল্লাহকে বাদ দিয়ে শরীকদের উপাসনার পেছনে পড়ে আছে-তা আসলে কিছুই নয়। এরা নিজেরই কল্পনার পেছনে পড়ে রয়েছে এবং এছাড়া আর কিছু নয় যে, এরা বুদ্ধি খাটাচ্ছে।
📜
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
يَدْعُونَ – আহ্বান করে, ডাকে (এখানে ইবাদত ও উপাসনার অর্থে)।
شُرَكَاءَ – অংশীদার, শরিক।
الظَّنَّ – ধারণা, অনুমান, সন্দেহ।
يَخْرُصُونَ – মিথ্যা বলে, মনগড়া কথা রটায়, অনুমানভিত্তিক মিথ্যা ধারণা পোষণ করে।
তাফসীর:
জেনে রাখো, নিশ্চয়ই আসমানসমূহে যা কিছু আছে এবং যমীনে যা কিছু আছে—সবকিছুর মালিক একমাত্র আল্লাহ তা‘আলা। ফেরেশতা, মানুষ, জিন এবং অন্যান্য সকল সৃষ্টিজগত তাঁরই অনুগত ও তাঁরই অধীন। তিনি যা ইচ্ছা করেন, তাই করেন এবং তাঁর আদেশের বাইরে কারও কোনো ক্ষমতা নেই।
এরপর আল্লাহ তা‘আলা মুশরিকদের বোকামি ও ভ্রষ্টতা তুলে ধরেছেন। যারা আল্লাহকে বাদ দিয়ে অন্য কিছুকে উপাস্য ও শরিক হিসেবে ডাকে, তারা আসলে কীসের অনুসরণ করছে? তারা তো কোনো বাস্তব সত্তা বা সত্যের অনুসরণ করছে না। তারা যে মূর্তি বা দেব-দেবীকে আল্লাহর শরিক মনে করে, সেগুলো তো প্রকৃতপক্ষে কোনো ক্ষমতার মালিক নয়। তারা কেবল নিজেদের ধারণা ও অনুমানের পেছনে চলেছে। তারা মনে করে যে, এই মূর্তিগুলো তাদেরকে আল্লাহর নৈকট্য দান করবে বা তাদের সুপারিশ করবে—এটা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন কল্পনা। তারা আল্লাহ সম্পর্কে মিথ্যা রটনা করে এবং মনগড়া কথা বলে। তাদের এই বিশ্বাস ও কর্ম সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভ্রান্ত।
শিক্ষা ও উপকারিতা:
আল্লাহ তা‘আলাই একমাত্র মালিক ও রব। আসমান-যমীনের সবকিছু তাঁরই হাতে। তাই তাঁরই ইবাদত করা উচিত এবং একমাত্র তাঁরই কাছে সাহায্য চাওয়া উচিত।
মানুষের ধারণা ও অনুমান সত্যের মাপকাঠি নয়। দ্বীনের ব্যাপারে কেবল কুরআন-সুন্নাহর নির্ভরযোগ্য জ্ঞানই গ্রহণযোগ্য। নিজের মনগড়া ধারণা বা পূর্বপুরুষের অন্ধ অনুসরণ কোনোভাবেই সঠিক পথ দেখাতে পারে না।
যারা আল্লাহর সাথে কাউকে শরিক করে, তারা আসলে সত্যকে ছেড়ে মিথ্যার পেছনে ছুটছে। তাদের অবস্থা এমন যে, তারা অন্ধকারে হাতড়ে বেড়াচ্ছে কিন্তু আলো দেখতে পাচ্ছে না।
ইসলাম একটি যুক্তিসঙ্গত ও প্রমাণভিত্তিক দ্বীন। এটি মানুষকে অন্ধবিশ্বাস ও কুসংস্কার থেকে মুক্ত করে সত্য ও বাস্তবতার আলোকে পরিচালিত করে। তাই ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট হওয়া প্রতিটি বিবেকবান মানুষের জন্য কল্যাণকর।
শুনছ, আসমানসমূহে ও যমীনে যা কিছু রয়েছে সবই আল্লাহর। আর এরা যারা আল্লাহকে বাদ দিয়ে শরীকদের উপাসনার পেছনে পড়ে আছে-তা আসলে কিছুই নয়। এরা নিজেরই কল্পনার পেছনে পড়ে রয়েছে এবং এছাড়া আর কিছু নয় যে, এরা বুদ্ধি খাটাচ্ছে।
তিনি তোমাদের জন্য তৈরী করেছেন রাত, যাতে করে তোমরা তাতে প্রশান্তি লাভ করতে পার, আর দিন দিয়েছেন দর্শন করার জন্য। নিঃসন্দেহে এতে নিদর্শন রয়েছে সে সব লোকের জন্য যারা শ্রবণ করে।
তারা বলে, আল্লাহ পুত্র সাব্যস্ত করে নিয়েছেন-তিনি পবিত্র, তিনি অমুখাপেক্ষী। যাকিছু রয়েছে আসমান সমূহে ও যমীনে সবই তাঁর। তোমাদের কাছে তার কোন সনদ নেই। কেন তোমরা আল্লাহর প্রতি মিথ্যারোপ কর-যার কোন সনদই তোমাদের কাছে নেই?
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।