Qaalut takhazal laahu waladan Subhaanahoo Huwal Ghaniyyu lahoo maa fis samaawaati wa maa fil ard; in `indakum min sultaanim bihaazaaa; ataqooloona `alal laahi maa laa ta`lamoon
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
তারা বলে, আল্লাহ পুত্র সাব্যস্ত করে নিয়েছেন-তিনি পবিত্র, তিনি অমুখাপেক্ষী। যাকিছু রয়েছে আসমান সমূহে ও যমীনে সবই তাঁর। তোমাদের কাছে তার কোন সনদ নেই। কেন তোমরা আল্লাহর প্রতি মিথ্যারোপ কর-যার কোন সনদই তোমাদের কাছে নেই?
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
लोगों ने तो कह दिया कि ख़ुदा ने बेटा बना लिया-ये महज़ लगों वह तमाम नकायस से पाक व पाकीज़ा वह (हर तरह) से बेपरवाह हैं व जो कुछ आसमानों में है और जो कुछ ज़मीन में है (सब) उसी का है (जो कुछ) तुम कहते हो( उसकी कोई दलील तो तुम्हारे पास है नहीं क्या तुम ख़ुदा पर) (यू ही) बे जाने बूझे झूठ बोला करते हो
তারা বলে, আল্লাহ পুত্র সাব্যস্ত করে নিয়েছেন-তিনি পবিত্র, তিনি অমুখাপেক্ষী। যাকিছু রয়েছে আসমান সমূহে ও যমীনে সবই তাঁর। তোমাদের কাছে তার কোন সনদ নেই। কেন তোমরা আল্লাহর প্রতি মিথ্যারোপ কর-যার কোন সনদই তোমাদের কাছে নেই?
📜
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
সুবহানাহু – তিনি পবিত্র, সকল দোষ-ত্রুটি থেকে মুক্ত।
আল-গণী – তিনি সম্পদশালী, কারো প্রতি মুখাপেক্ষী নন।
সুলতান – প্রমাণ, দলিল, যুক্তি।
আতাকুলুনা – তোমরা কি বলছ? (এটি তিরস্কার ও ভর্ৎসনার অর্থে ব্যবহৃত)
তাফসীর:
মুশরিকরা বলেছিল, আল্লাহ সন্তান গ্রহণ করেছেন। তারা ফেরেশতাদেরকে আল্লাহর কন্যা বলত, আবার কেউ কেউ বলত ‘উজায়র’ (আঃ) আল্লাহর পুত্র, আর খ্রিষ্টানরা বলত ‘ঈসা’ (আঃ) আল্লাহর পুত্র। আল্লাহ তা‘আলা এসব কথা থেকে সম্পূর্ণ পবিত্র ও মুক্ত। তিনি ঘোষণা করছেন— তিনি এ সকল মিথ্যা অপবাদ থেকে পবিত্র, কারণ তিনি সম্পদশালী, কারো কোনো কিছুরই মুখাপেক্ষী নন। তাঁর কোনো সন্তানের প্রয়োজন নেই। আসমান ও জমিনের সমস্ত কিছু তাঁরই মালিকানাধীন এবং সবকিছুই তাঁর অনুগত বান্দা। সন্তান তো তখনই প্রয়োজন হয়, যখন কারো সাহায্য বা উত্তরাধিকারের প্রয়োজন থাকে; কিন্তু আল্লাহ তো এসব থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত।
অতঃপর আল্লাহ তা‘আলা তাদেরকে চ্যালেঞ্জ করে বলেন, “তোমাদের কাছে কি কোনো প্রমাণ আছে এই মিথ্যা কথা বলার? তোমাদের কাছে কোনো দলিল নেই, কোনো যুক্তি নেই— শুধু অন্ধ অনুমান আর মনগড়া কথা।” শেষে তিনি তাদেরকে কঠোর ভাষায় তিরস্কার করে বলেন, “তোমরা কি আল্লাহ সম্পর্কে এমন কথা বলছ যা তোমরা জানো না?” এটি তাদের জ্ঞানের অভাব ও নির্লজ্জ মিথ্যা বলার প্রকাশ্য প্রমাণ। কারণ যে ব্যক্তি আল্লাহ সম্পর্কে জানে, সে কখনো তাঁর সম্পর্কে এমন অশোভন কথা বলতে পারে না।
শিক্ষা ও উপদেশ:
আল্লাহ তা‘আলা সন্তান গ্রহণ থেকে সম্পূর্ণ পবিত্র— এটি তাঁর জন্য অসম্ভব ও অশোভন। কারণ সন্তান গ্রহণ একটি প্রয়োজন ও অভাবের বিষয়, আর আল্লাহ কোনো কিছুরই মুখাপেক্ষী নন।
আল্লাহর পরিচয় হলো— তিনি সম্পদশালী, সর্বশক্তিমান এবং সমগ্র সৃষ্টিজগতের মালিক। তাই তাঁর সঙ্গে কাউকে শরিক করা বা তাঁর সম্পর্কে মিথ্যা বলা চরম অন্যায়।
কোনো বিষয়ে কথা বলার আগে প্রমাণ ও দলিল থাকা আবশ্যক। বিশেষ করে আল্লাহ সম্পর্কে কোনো কথা বলতে হলে অবশ্যই কুরআন ও সহীহ হাদীসের আলোকে বলতে হবে।
এই আয়াত আমাদের শেখায় যে, আল্লাহ সম্পর্কে অজ্ঞতা ও মনগড়া কথা বলা কত বড় অপরাধ। একজন মুমিনের উচিত আল্লাহ সম্পর্কে কুরআন ও সুন্নাহ যা বলেছে তা-ই বিশ্বাস করা এবং এর বাইরে কোনো কথা না বলা।
ইসলাম একটি যুক্তি ও প্রমাণভিত্তিক ধর্ম। আল্লাহ আমাদেরকে অন্ধবিশ্বাস না করে প্রমাণসহ সত্য গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন। এটি ইসলামের শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ যে, এটি জ্ঞান ও প্রমাণের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
শুনছ, আসমানসমূহে ও যমীনে যা কিছু রয়েছে সবই আল্লাহর। আর এরা যারা আল্লাহকে বাদ দিয়ে শরীকদের উপাসনার পেছনে পড়ে আছে-তা আসলে কিছুই নয়। এরা নিজেরই কল্পনার পেছনে পড়ে রয়েছে এবং এছাড়া আর কিছু নয় যে, এরা বুদ্ধি খাটাচ্ছে।
তিনি তোমাদের জন্য তৈরী করেছেন রাত, যাতে করে তোমরা তাতে প্রশান্তি লাভ করতে পার, আর দিন দিয়েছেন দর্শন করার জন্য। নিঃসন্দেহে এতে নিদর্শন রয়েছে সে সব লোকের জন্য যারা শ্রবণ করে।
তারা বলে, আল্লাহ পুত্র সাব্যস্ত করে নিয়েছেন-তিনি পবিত্র, তিনি অমুখাপেক্ষী। যাকিছু রয়েছে আসমান সমূহে ও যমীনে সবই তাঁর। তোমাদের কাছে তার কোন সনদ নেই। কেন তোমরা আল্লাহর প্রতি মিথ্যারোপ কর-যার কোন সনদই তোমাদের কাছে নেই?
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।