Falaa taku fee miryatim mimmmaa ya`budu haaa`ulaaa`; maa ya`budoona illaa kamaa ya`budu aabaaa`uhum min qabl; wa innaa lamuwaf foohum naseebahum ghaira manqoos
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
অতএব, তারা যেসবের উপাসনা করে তুমি সে ব্যাপারে কোনরূপ ধোঁকায় পড়বে না। তাদের পূর্ববর্তী বাপ-দাদারা যেমন পূজা উপাসনা করত, এরাও তেমন করছে। আর নিশ্চয় আমি তাদেরকে আযাবের ভাগ কিছু মাত্রও কম না করেই পুরোপুরি দান করবো।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
ये वह बख़्शिस है जो कभी मनक़तआ (खत्म) न होगी तो ये लोग (ख़ुदा के अलावा) जिसकी परसतिश करते हैं तुम उससे शक़ में न पड़ना ये लोग तो बस वैसी इबादत करते हैं जैसी उनसे पहले उनके बाप दादा करते थे और हम ज़रुर (क़यामत के दिन) उनको (अज़ाब का) पूरा पूरा हिस्सा बग़ैर कम किए देगें
অতএব, তারা যেসবের উপাসনা করে তুমি সে ব্যাপারে কোনরূপ ধোঁকায় পড়বে না। তাদের পূর্ববর্তী বাপ-দাদারা যেমন পূজা উপাসনা করত, এরাও তেমন করছে। আর নিশ্চয় আমি তাদেরকে আযাবের ভাগ কিছু মাত্রও কম না করেই পুরোপুরি দান করবো।
📜
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
মিরয়াহ (مِرْيَةٍ): সন্দেহ, সংশয়।
মুওয়াফফূহুম (لَمُوَوَفُّوهُمْ): আমি অবশ্যই তাদেরকে পূর্ণ করে দেব।
নাসীবাহুম (نَصِيبَهُمْ): তাদের অংশ, তাদের প্রাপ্য।
গাইরু মানকূস (غَيْرَ مَنْقُوصٍ): কোনো প্রকার কমতি ছাড়া, সম্পূর্ণরূপে।
তাফসীর:
হে নবী! এই মুশরিকরা যেসব মূর্তি ও উপাস্যের পূজা করে, তাদের পূজা যে সম্পূর্ণ ভ্রান্ত ও বাতিল, সে বিষয়ে তুমি কোনো প্রকার সন্দেহ বা সংশয়ে থেকো না। তুমি নিশ্চিত থাকো যে, তারা সম্পূর্ণ পথভ্রষ্ট। তাদের এই উপাসনা কোনো বুদ্ধি-বিবেচনা বা প্রমাণের ভিত্তিতে নয়, বরং এটি শুধুমাত্র তাদের পূর্বপুরুষদের অন্ধ অনুকরণ। তাদের পূর্বপুরুষেরা যেমনভাবে মিথ্যা উপাস্যদের পূজা করত, তারাই ঠিক সেভাবেই করছে। তারা কোনো যুক্তি বা ওহীর আলোকে নয়, কেবলমাত্র বাপ-দাদার রেওয়াজ অনুসরণ করেই এই শিরকে লিপ্ত হয়েছে।
আর হে নবী! তুমি নিশ্চিত জেনো যে, আমি তাদেরকে তাদের প্রাপ্য শাস্তি সম্পূর্ণরূপে দেব, তা একটুও কম করব না। দুনিয়াতে তাদেরকে অপমান-লাঞ্ছনা ও পরাজয়ের স্বাদ আস্বাদন করাব এবং আখিরাতে তাদের জন্য রয়েছে জাহান্নামের কঠিন শাস্তি। তাদেরকে তাদের কর্মের পূর্ণ প্রতিফল দেওয়া হবে, কোনো অংশই হ্রাস করা হবে না। এই নির্দেশ যদিও নবী (সা.)-কে সম্বোধন করে বলা হয়েছে, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এটি সমগ্র উম্মতের জন্য একটি শিক্ষা ও সতর্কবাণী।
শিক্ষা ও উপদেশ:
একজন মুমিনের অন্তর সর্বদা দৃঢ় ও নিশ্চিত থাকা উচিত যে, শিরক ও কুফর সম্পূর্ণ ভ্রান্ত পথ। সত্যের উপর প্রতিষ্ঠিত থাকতে কোনো প্রকার সন্দেহ পোষণ করা উচিত নয়।
অন্ধ অনুকরণ ও পূর্বপুরুষের রেওয়াজকে অন্ধভাবে অনুসরণ করা ইসলামে সম্পূর্ণ নিন্দনীয়। সত্যকে যুক্তি, প্রমাণ এবং আল্লাহর নির্দেশনার আলোকে গ্রহণ করতে হবে, কেবল প্রচলিত রীতি অনুসরণ করলে চলবে না।
আল্লাহর ন্যায়বিচার নিখুঁত। তিনি কাউকে অযথা শাস্তি দেন না, আবার কারো অন্যায়কে এড়িয়েও যান না। প্রত্যেককে তার কর্মের পূর্ণ ফল দেওয়া হবে।
এই আয়াত থেকে আমরা ধৈর্য ও দৃঢ়তার শিক্ষা পাই। সত্যের পথে যখন কুফর ও শিরকের মোকাবিলা করতে হয়, তখন হতাশ না হয়ে আল্লাহর প্রতিশ্রুতির উপর ভরসা রাখতে হবে।
তারা সেখানে চিরকাল থাকবে, যতদিন আসমান ও যমীন বর্তমান থাকবে। তবে তোমার প্রতিপালক অন্য কিছু ইচ্ছা করলে ভিন্ন কথা। নিশ্চয় তোমার পরওয়ারদেগার যা ইচ্ছা করতে পারেন।
আর যারা সৌভাগ্যবান তারা বেহেশতের মাঝে, সেখানেই চিরদিন থাকবে, যতদিন আসমান ও যমীন বর্তমান থাকবে। তবে তোমার প্রভু অন্য কিছু ইচ্ছা করলে ভিন্ন কথা। এ দানের ধারাবাহিকতা কখনো ছিন্ন হওয়ার নয়।
অতএব, তারা যেসবের উপাসনা করে তুমি সে ব্যাপারে কোনরূপ ধোঁকায় পড়বে না। তাদের পূর্ববর্তী বাপ-দাদারা যেমন পূজা উপাসনা করত, এরাও তেমন করছে। আর নিশ্চয় আমি তাদেরকে আযাবের ভাগ কিছু মাত্রও কম না করেই পুরোপুরি দান করবো।
আর আমি মূসা (আঃ)-কে অবশ্যই কিতাব দিয়েছিলাম অতঃপর তাতে বিরোধ সৃষ্টি হল; বলাবাহুল্য তোমার পালনকর্তার পক্ষ হতে, একটি কথা যদি আগেই বলা না হত, তাহলে তাদের মধ্যে চুড়ান্ত ফয়সালা হয়ে যেত তারা এ ব্যাপারে এমনই সন্দেহ প্রবণ যে, কিছুতেই নিশ্চিত হতে পারছে না।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।