Mishary Rashid Alafasy
✓
Mahmoud Khalil Al-Husary
✓
Abdurrahman As-Sudais
✓
Mohamed Siddiq Al-Minshawi
✓
Abdul Basit Abdul Samad
✓
Ali Al-Hudhaify
✓
Ahmed ibn Ali al-Ajamy
✓
Abu Bakr Ash-Shaatree
✓
Muhammad Ayyoub
✓
Abdullah Basfar
✓
Abdullah Al-Juhani
✓
Maher Al Muaiqly
✓
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
- الشُّعَرَاءُ (শায়েরগণ/কবিগণ) — যারা কবিতা রচনা করে।
- الْغَاوُونَ (পথভ্রষ্টরা/বিপথগামীরা) — যারা সত্য পথ থেকে বিচ্যুত, সীমালঙ্ঘনকারী ও মূর্খ।
তাফসীর:
এই আয়াতে আল্লাহ তাআলা কবিদের এমন একটি দলের কথা উল্লেখ করেছেন যারা মিথ্যা ও বাতিলের পথে চলে এবং তাদের অনুসরণ করে পথভ্রষ্ট ও বিপথগামী লোকেরা। কাফিরদের একটি দল ছিল যারা বলত, “মুহাম্মাদ (সা.)-ও তো একজন কবি, আমরাও কবি; আমরা যা বলি আর সে যা বলে তা একই ধরনের কথা।” আল্লাহ তাআলা তাদের এই অপবাদ খণ্ডন করে বলছেন — সেই কবিরা যারা বাতিল ও মিথ্যা প্রচারে লিপ্ত, তাদের অনুসরণ করে কেবল তারাই যারা সত্য পথ থেকে বিচ্যুত, মূর্খ ও সীমালঙ্ঘনকারী। তারা কবিদের মিথ্যা, অশ্লীল ও গালিগালাজপূর্ণ কবিতা রটনা করে এবং মুসলিমদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়ায়।
নবী (সা.)-এর যুগে কিছু কাফির কবি ছিল যারা ইসলাম ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে কটুক্তিমূলক কবিতা রচনা করত এবং তাদের পেছনে পথভ্রষ্ট লোকেরা ছুটে যেত। এই কবিরা নিজেরা সত্য থেকে দূরে ছিল এবং অন্যদেরকেও সত্য থেকে দূরে সরিয়ে রাখত। তারা মিথ্যা প্রশংসা করত, মানুষের সম্মানহানি করত, নারীদের সম্পর্কে কুৎসা রটাত এবং ভালো মানুষের বিরুদ্ধে অপবাদ ছড়াত। তারা যা করত না তা বলত — অর্থাৎ তাদের কথা ও কাজের মধ্যে কোনো মিল ছিল না।
কিন্তু এর অর্থ এই নয় যে, সকল কবিই নিন্দনীয়। কারণ পরবর্তী আয়াতে আল্লাহ তাআলা ব্যতিক্রম উল্লেখ করেছেন — যারা ঈমান আনে, সৎকর্ম করে, আল্লাহকে বেশি বেশি স্মরণ করে এবং অত্যাচারিত হওয়ার পর প্রতিশোধ নেয় (ন্যায্য সীমার মধ্যে), তারা নিন্দনীয় নয়। বরং তাদের কবিতা সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে ব্যবহৃত হলে তা প্রশংসনীয়।
দাওয়াতি দৃষ্টিকোণ:
প্রিয় মুসলিম ভাই ও বোনেরা! এই আয়াত থেকে আমরা শিখি যে, শিল্প-সাহিত্য, কবিতা বা যেকোনো মাধ্যম যদি সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে ব্যবহৃত হয়, তবে তা প্রশংসনীয়; আর যদি মিথ্যা, গীবত, অশ্লীলতা ও মানুষের সম্মানহানির জন্য ব্যবহৃত হয়, তবে তা সম্পূর্ণ নিন্দনীয় এবং এর অনুসারীরা পথভ্রষ্ট। আজকের যুগে সোশ্যাল মিডিয়া, ব্লগ, কবিতা, গান — সবকিছুই হয় সত্য প্রচারের মাধ্যম হতে পারে, নয়তো মিথ্যা ও বিভ্রান্তি ছড়ানোর হাতিয়ার। আমরা যেন আমাদের জিহবা, কলম এবং ডিজিটাল মাধ্যমগুলোকে কখনো মিথ্যা, কুৎসা বা ইসলামবিরোধী প্রচারণায় ব্যবহার না করি। বরং সেগুলো দিয়ে সত্যের পক্ষে কথা বলি, ইসলামের সুন্দর বার্তা পৌঁছে দিই এবং মানুষের মাঝে ন্যায় ও সততার প্রচার করি। মনে রাখবেন, যে মাধ্যমই হোক — যদি তা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য হয়, তবে তা ইবাদতে পরিণত হয়। আল্লাহ আমাদের সকলকে সত্যের পথে চলার এবং সত্য প্রচারের তাওফিক দান করুন। আমিন।
📜 আয়াত 222-226 — সূরা আশ-শুআরা
অনুবাদ — আশ-শুআরা 224
সূরা আশ-শুআরা আয়াত 224 - পড়ুন, শুনুন, অনুবাদ, বাংলা : বিভ্রান্ত লোকেরাই কবিদের অনুসরণ করে।সূরা আয়াত 224/227 — সূরা আশ-শুআরা الشعراء (মাক্কী). পড়ুন শুনুন অনুবাদ (বাংলা). শুনুন: সূরা আশ-শুআরা শুনুন, সূরা আশ-শুআরা অনুবাদ, সূরা আশ-শুআরা mp3, সূরা আশ-শুআরা pdf. আয়াত 222–226. বাংলা অর্থ: हिन्दी.
সূরা আশ-শুআরা
পবিত্র কুরআন
Thursday, October 1, 2026
আপনার নেক দোয়ায় আমাদের ভুলে যাবেন না


