সূরা আশ-শুআরা আরবি ও বাংলা

সূরা আশ-শুআরা সম্পূর্ণ বাংলা অনুবাদসহ পড়ুন। আরবি পাঠ, বাংলা অনুবাদ এবং অডিও তিলাওয়াত আয়াত অনুযায়ী। (227 আয়াত — مكية). আশ-শুআরা শুনুন, আশ-শুআরা অনুবাদ, আশ-শুআরা mp3, আশ-শুআরা pdf.

সূরা আশ-শুআরা পড়ুন এবং শুনুন

🎧 আয়াত
M Mishary Rashid Alafasy
M Mahmoud Khalil Al-Husary
A Abdurrahman As-Sudais
M Mohamed Siddiq Al-Minshawi
A Abdul Basit Abdul Samad
A Ali Al-Hudhaify
A Ahmed ibn Ali al-Ajamy
A Abu Bakr Ash-Shaatree
M Muhammad Ayyoub
A Abdullah Basfar
A Abdullah Al-Juhani
M Maher Al Muaiqly
x1
طسم ۝١
📖 অনুবাদ আয়াত 1
ত্বা, সীন, মীম।
تِلْكَ آيَاتُ الْكِتَابِ الْمُبِينِ ۝٢
📖 অনুবাদ আয়াত 2
এগুলো সুস্পষ্ট কিতাবের আয়াত।
لَعَلَّكَ بَاخِعٌ نَّفْسَكَ أَلَّا يَكُونُوا مُؤْمِنِينَ ۝٣
📖 অনুবাদ আয়াত 3
তারা বিশ্বাস করে না বলে আপনি হয়তো মর্মব্যথায় আত্নঘাতী হবেন।
إِن نَّشَأْ نُنَزِّلْ عَلَيْهِم مِّنَ السَّمَاءِ آيَةً فَظَلَّتْ أَعْنَاقُهُمْ لَهَا خَاضِعِينَ ۝٤
📖 অনুবাদ আয়াত 4
আমি যদি ইচ্ছা করি, তবে আকাশ থেকে তাদের কাছে কোন নিদর্শন নাযিল করতে পারি। অতঃপর তারা এর সামনে নত হয়ে যাবে।
وَمَا يَأْتِيهِم مِّن ذِكْرٍ مِّنَ الرَّحْمَٰنِ مُحْدَثٍ إِلَّا كَانُوا عَنْهُ مُعْرِضِينَ ۝٥
📖 অনুবাদ আয়াত 5
যখনই তাদের কাছে রহমান এর কোন নতুন উপদেশ আসে, তখনই তারা তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়।
فَقَدْ كَذَّبُوا فَسَيَأْتِيهِمْ أَنبَاءُ مَا كَانُوا بِهِ يَسْتَهْزِئُونَ ۝٦
📖 অনুবাদ আয়াত 6
অতএব তারা তো মিথ্যারোপ করেছেই; সুতরাং যে বিষয় নিয়ে তারা ঠাট্টা-বিদ্রুপ করত, তার যথার্থ স্বরূপ শীঘ্রই তাদের কাছে পৌছবে।
أَوَلَمْ يَرَوْا إِلَى الْأَرْضِ كَمْ أَنبَتْنَا فِيهَا مِن كُلِّ زَوْجٍ كَرِيمٍ ۝٧
📖 অনুবাদ আয়াত 7
তারা কি ভুপৃষ্ঠের প্রতি দৃষ্টিপাত করে না? আমি তাতে সর্বপ্রকার বিশেষ-বস্তু কত উদগত করেছি।
إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَآيَةً ۖ وَمَا كَانَ أَكْثَرُهُم مُّؤْمِنِينَ ۝٨
📖 অনুবাদ আয়াত 8
নিশ্চয় এতে নিদর্শন আছে, কিন্তু তাদের অধিকাংশই বিশ্বাসী নয়।
وَإِنَّ رَبَّكَ لَهُوَ الْعَزِيزُ الرَّحِيمُ ۝٩
📖 অনুবাদ আয়াত 9
আপনার পালনকর্তা তো পরাক্রমশালী পরম দয়ালু।
وَإِذْ نَادَىٰ رَبُّكَ مُوسَىٰ أَنِ ائْتِ الْقَوْمَ الظَّالِمِينَ ۝١٠
📖 অনুবাদ আয়াত 10
যখন আপনার পালনকর্তা মূসাকে ডেকে বললেনঃ তুমি পাপিষ্ঠ সম্প্রদায়ের নিকট যাও;
قَوْمَ فِرْعَوْنَ ۚ أَلَا يَتَّقُونَ ۝١١
📖 অনুবাদ আয়াত 11
ফেরাউনের সম্প্রদায়ের নিকট; তারা কি ভয় করে না?
قَالَ رَبِّ إِنِّي أَخَافُ أَن يُكَذِّبُونِ ۝١٢
📖 অনুবাদ আয়াত 12
সে বলল, হে আমার পালনকর্তা, আমার আশংকা হচ্ছে যে, তারা আমাকে মিথ্যাবাদী বলে দেবে।
وَيَضِيقُ صَدْرِي وَلَا يَنطَلِقُ لِسَانِي فَأَرْسِلْ إِلَىٰ هَارُونَ ۝١٣
📖 অনুবাদ আয়াত 13
এবং আমার মন হতবল হয়ে পড়ে এবং আমার জিহবা অচল হয়ে যায়। সুতরাং হারুনের কাছে বার্তা প্রেরণ করুন।
وَلَهُمْ عَلَيَّ ذَنبٌ فَأَخَافُ أَن يَقْتُلُونِ ۝١٤
📖 অনুবাদ আয়াত 14
আমার বিরুদ্ধে তাদের অভিযোগ আছে। অতএব আমি আশংকা করি যে, তারা আমাকে হত্যা করবে।
قَالَ كَلَّا ۖ فَاذْهَبَا بِآيَاتِنَا ۖ إِنَّا مَعَكُم مُّسْتَمِعُونَ ۝١٥
📖 অনুবাদ আয়াত 15
আল্লাহ বলেন, কখনই নয় তোমরা উভয়ে যাও আমার নিদর্শনাবলী নিয়ে। আমি তোমাদের সাথে থেকে শোনব।
فَأْتِيَا فِرْعَوْنَ فَقُولَا إِنَّا رَسُولُ رَبِّ الْعَالَمِينَ ۝١٦
📖 অনুবাদ আয়াত 16
অতএব তোমরা ফেরআউনের কাছে যাও এবং বল, আমরা বিশ্বজগতের পালনকর্তার রসূল।
أَنْ أَرْسِلْ مَعَنَا بَنِي إِسْرَائِيلَ ۝١٧
📖 অনুবাদ আয়াত 17
যাতে তুমি বনী-ইসরাঈলকে আমাদের সাথে যেতে দাও।
قَالَ أَلَمْ نُرَبِّكَ فِينَا وَلِيدًا وَلَبِثْتَ فِينَا مِنْ عُمُرِكَ سِنِينَ ۝١٨
📖 অনুবাদ আয়াত 18
ফেরাউন বলল, আমরা কি তোমাকে শিশু অবস্থায় আমাদের মধ্যে লালন-পালন করিনি? এবং তুমি আমাদের মধ্যে জীবনের বহু বছর কাটিয়েছ।
وَفَعَلْتَ فَعْلَتَكَ الَّتِي فَعَلْتَ وَأَنتَ مِنَ الْكَافِرِينَ ۝١٩
📖 অনুবাদ আয়াত 19
তুমি সেই-তোমরা অপরাধ যা করবার করেছ। তুমি হলে কৃতঘ্ন।
قَالَ فَعَلْتُهَا إِذًا وَأَنَا مِنَ الضَّالِّينَ ۝٢٠
📖 অনুবাদ আয়াত 20
মূসা বলল, আমি সে অপরাধ তখন করেছি, যখন আমি ভ্রান্ত ছিলাম।
فَفَرَرْتُ مِنكُمْ لَمَّا خِفْتُكُمْ فَوَهَبَ لِي رَبِّي حُكْمًا وَجَعَلَنِي مِنَ الْمُرْسَلِينَ ۝٢١
📖 অনুবাদ আয়াত 21
অতঃপর আমি ভীত হয়ে তোমাদের কাছ থেকে পলায়ন করলাম। এরপর আমার পালনকর্তা আমাকে প্রজ্ঞা দান করেছেন এবং আমাকে পয়গম্বর করেছেন।
وَتِلْكَ نِعْمَةٌ تَمُنُّهَا عَلَيَّ أَنْ عَبَّدتَّ بَنِي إِسْرَائِيلَ ۝٢٢
📖 অনুবাদ আয়াত 22
আমার প্রতি তোমার যে অনুগ্রহের কথা বলছ, তা এই যে, তুমি বনী-ইসলাঈলকে গোলাম বানিয়ে রেখেছ।
قَالَ فِرْعَوْنُ وَمَا رَبُّ الْعَالَمِينَ ۝٢٣
📖 অনুবাদ আয়াত 23
ফেরাউন বলল, বিশ্বজগতের পালনকর্তা আবার কি?
قَالَ رَبُّ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَمَا بَيْنَهُمَا ۖ إِن كُنتُم مُّوقِنِينَ ۝٢٤
📖 অনুবাদ আয়াত 24
মূসা বলল, তিনি নভোমন্ডল, ভূমন্ডল ও এতদুভয়ের মধ্যবর্তী সবকিছুর পালনকর্তা যদি তোমরা বিশ্বাসী হও।
قَالَ لِمَنْ حَوْلَهُ أَلَا تَسْتَمِعُونَ ۝٢٥
📖 অনুবাদ আয়াত 25
ফেরাউন তার পরিষদবর্গকে বলল, তোমরা কি শুনছ না?
قَالَ رَبُّكُمْ وَرَبُّ آبَائِكُمُ الْأَوَّلِينَ ۝٢٦
📖 অনুবাদ আয়াত 26
মূসা বলল, তিনি তোমাদের পালনকর্তা এবং তোমাদের পূর্ববর্তীদেরও পালনকর্তা।
قَالَ إِنَّ رَسُولَكُمُ الَّذِي أُرْسِلَ إِلَيْكُمْ لَمَجْنُونٌ ۝٢٧
📖 অনুবাদ আয়াত 27
ফেরাউন বলল, তোমাদের প্রতি প্রেরিত তোমাদের রসূলটি নিশ্চয়ই বদ্ধ পাগল।
قَالَ رَبُّ الْمَشْرِقِ وَالْمَغْرِبِ وَمَا بَيْنَهُمَا ۖ إِن كُنتُمْ تَعْقِلُونَ ۝٢٨
📖 অনুবাদ আয়াত 28
মূসা বলল, তিনি পূর্ব, পশ্চিম ও এতদুভয়ের মধ্যবর্তী সব কিছুর পালনকর্তা, যদি তোমরা বোঝ।
قَالَ لَئِنِ اتَّخَذْتَ إِلَٰهًا غَيْرِي لَأَجْعَلَنَّكَ مِنَ الْمَسْجُونِينَ ۝٢٩
📖 অনুবাদ আয়াত 29
ফেরাউন বলল, তুমি যদি আমার পরিবর্তে অন্যকে উপাস্যরূপে গ্রহণ কর তবে আমি অবশ্যই তোমাকে কারাগারে নিক্ষেপ করব।
قَالَ أَوَلَوْ جِئْتُكَ بِشَيْءٍ مُّبِينٍ ۝٣٠
📖 অনুবাদ আয়াত 30
মূসা বলল, আমি তোমার কাছে কোন স্পষ্ট বিষয় নিয়ে আগমন করলেও কি?
قَالَ فَأْتِ بِهِ إِن كُنتَ مِنَ الصَّادِقِينَ ۝٣١
📖 অনুবাদ আয়াত 31
ফেরাউন বলল, তুমি সত্যবাদী হলে তা উপস্থিত কর।
فَأَلْقَىٰ عَصَاهُ فَإِذَا هِيَ ثُعْبَانٌ مُّبِينٌ ۝٣٢
📖 অনুবাদ আয়াত 32
অতঃপর তিনি লাঠি নিক্ষেপ করলে মুহূর্তের মধ্যে তা সুস্পষ্ট অজগর হয়ে গেল।
وَنَزَعَ يَدَهُ فَإِذَا هِيَ بَيْضَاءُ لِلنَّاظِرِينَ ۝٣٣
📖 অনুবাদ আয়াত 33
আর তিনি তার হাত বের করলেন, তৎক্ষণাৎ তা দর্শকদের কাছে সুশুভ্র প্রতিভাত হলো।
قَالَ لِلْمَلَإِ حَوْلَهُ إِنَّ هَٰذَا لَسَاحِرٌ عَلِيمٌ ۝٣٤
📖 অনুবাদ আয়াত 34
ফেরাউন তার পরিষদবর্গকে বলল, নিশ্চয় এ একজন সুদক্ষ জাদুকর।
يُرِيدُ أَن يُخْرِجَكُم مِّنْ أَرْضِكُم بِسِحْرِهِ فَمَاذَا تَأْمُرُونَ ۝٣٥
📖 অনুবাদ আয়াত 35
সে তার জাদু বলে তোমাদেরকে তোমাদের দেশ থেকে বহিস্কার করতে চায়। অতএব তোমাদের মত কি?
قَالُوا أَرْجِهْ وَأَخَاهُ وَابْعَثْ فِي الْمَدَائِنِ حَاشِرِينَ ۝٣٦
📖 অনুবাদ আয়াত 36
তারা বলল, তাকে ও তার ভাইকে কিছু অবকাশ দিন এবং শহরে শহরে ঘোষক প্রেরণ করুন।
يَأْتُوكَ بِكُلِّ سَحَّارٍ عَلِيمٍ ۝٣٧
📖 অনুবাদ আয়াত 37
তারা যেন আপনার কাছে প্রত্যেকটি দক্ষ জাদুকর কে উপস্থিত করে।
فَجُمِعَ السَّحَرَةُ لِمِيقَاتِ يَوْمٍ مَّعْلُومٍ ۝٣٨
📖 অনুবাদ আয়াত 38
অতঃপর এক নির্দিষ্ট দিনে জাদুকরদেরকে একত্রিত করা হল।
وَقِيلَ لِلنَّاسِ هَلْ أَنتُم مُّجْتَمِعُونَ ۝٣٩
📖 অনুবাদ আয়াত 39
এবং জনগণের মধ্যে ঘোষণা করা হল, তোমরাও সমবেত হও।
لَعَلَّنَا نَتَّبِعُ السَّحَرَةَ إِن كَانُوا هُمُ الْغَالِبِينَ ۝٤٠
📖 অনুবাদ আয়াত 40
যাতে আমরা জাদুকরদের অনুসরণ করতে পারি-যদি তারাই বিজয়ী হয়।
فَلَمَّا جَاءَ السَّحَرَةُ قَالُوا لِفِرْعَوْنَ أَئِنَّ لَنَا لَأَجْرًا إِن كُنَّا نَحْنُ الْغَالِبِينَ ۝٤١
📖 অনুবাদ আয়াত 41
যখন যাদুকররা আগমণ করল, তখন ফেরআউনকে বলল, যদি আমরা বিজয়ী হই, তবে আমরা পুরস্কার পাব তো?
قَالَ نَعَمْ وَإِنَّكُمْ إِذًا لَّمِنَ الْمُقَرَّبِينَ ۝٤٢
📖 অনুবাদ আয়াত 42
ফেরাউন বলল, হঁ্যা এবং তখন তোমরা আমার নৈকট্যশীলদের অন্তর্ভুক্ত হবে।
قَالَ لَهُم مُّوسَىٰ أَلْقُوا مَا أَنتُم مُّلْقُونَ ۝٤٣
📖 অনুবাদ আয়াত 43
মূসা (আঃ) তাদেরকে বললেন, নিক্ষেপ কর তোমরা যা নিক্ষেপ করবে।
فَأَلْقَوْا حِبَالَهُمْ وَعِصِيَّهُمْ وَقَالُوا بِعِزَّةِ فِرْعَوْنَ إِنَّا لَنَحْنُ الْغَالِبُونَ ۝٤٤
📖 অনুবাদ আয়াত 44
অতঃপর তারা তাদের রশি ও লাঠি নিক্ষেপ করল এবং বলল, ফেরাউনের ইযযতের কসম, আমরাই বিজয়ী হব।
فَأَلْقَىٰ مُوسَىٰ عَصَاهُ فَإِذَا هِيَ تَلْقَفُ مَا يَأْفِكُونَ ۝٤٥
📖 অনুবাদ আয়াত 45
অতঃপর মূসা তাঁর লাঠি নিক্ষেপ করল, হঠাৎ তা তাদের অলীক কীর্তিগুলোকে গ্রাস করতে লাগল।
فَأُلْقِيَ السَّحَرَةُ سَاجِدِينَ ۝٤٦
📖 অনুবাদ আয়াত 46
তখন জাদুকররা সেজদায় নত হয়ে গেল।
قَالُوا آمَنَّا بِرَبِّ الْعَالَمِينَ ۝٤٧
📖 অনুবাদ আয়াত 47
তারা বলল, আমরা রাব্বুল আলামীনের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করলাম।
رَبِّ مُوسَىٰ وَهَارُونَ ۝٤٨
📖 অনুবাদ আয়াত 48
যিনি মূসা ও হারুনের রব।
قَالَ آمَنتُمْ لَهُ قَبْلَ أَنْ آذَنَ لَكُمْ ۖ إِنَّهُ لَكَبِيرُكُمُ الَّذِي عَلَّمَكُمُ السِّحْرَ فَلَسَوْفَ تَعْلَمُونَ ۚ لَأُقَطِّعَنَّ أَيْدِيَكُمْ وَأَرْجُلَكُم مِّنْ خِلَافٍ وَلَأُصَلِّبَنَّكُمْ أَجْمَعِينَ ۝٤٩
📖 অনুবাদ আয়াত 49
ফেরাউন বলল, আমার অনুমতি দানের পূর্বেই তোমরা কি তাকে মেনে নিলে? নিশ্চয় সে তোমাদের প্রধান, যে তোমাদেরকে জাদু শিক্ষা দিয়েছে। শীঘ্রই তোমরা পরিণাম জানতে পারবে। আমি অবশ্যই তোমাদের হাত ও পা বিপরীত দিক থেকে কর্তন করব। এবং তোমাদের সবাইকে শূলে চড়াব।
قَالُوا لَا ضَيْرَ ۖ إِنَّا إِلَىٰ رَبِّنَا مُنقَلِبُونَ ۝٥٠
📖 অনুবাদ আয়াত 50
তারা বলল, কোন ক্ষতি নেই। আমরা আমাদের পালনকর্তার কাছে প্রত্যাবর্তন করব।
إِنَّا نَطْمَعُ أَن يَغْفِرَ لَنَا رَبُّنَا خَطَايَانَا أَن كُنَّا أَوَّلَ الْمُؤْمِنِينَ ۝٥١
📖 অনুবাদ আয়াত 51
আমরা আশা করি, আমাদের পালনকর্তা আমাদের ক্রটি-বিচ্যুতি মার্জনা করবেন। কারণ, আমরা বিশ্বাস স্থাপনকারীদের মধ্যে অগ্রণী।
۞ وَأَوْحَيْنَا إِلَىٰ مُوسَىٰ أَنْ أَسْرِ بِعِبَادِي إِنَّكُم مُّتَّبَعُونَ ۝٥٢
📖 অনুবাদ আয়াত 52
আমি মূসাকে আদেশ করলাম যে, আমার বান্দাদেরকে নিয়ে রাত্রিযোগে বের হয়ে যাও, নিশ্চয় তোমাদের পশ্চাদ্ধাবন করা হবে।
فَأَرْسَلَ فِرْعَوْنُ فِي الْمَدَائِنِ حَاشِرِينَ ۝٥٣
📖 অনুবাদ আয়াত 53
অতঃপর ফেরাউন শহরে শহরে সংগ্রাহকদেরকে প্রেরণ করল,
إِنَّ هَٰؤُلَاءِ لَشِرْذِمَةٌ قَلِيلُونَ ۝٥٤
📖 অনুবাদ আয়াত 54
নিশ্চয় এরা (বনী-ইসরাঈলরা) ক্ষুদ্র একটি দল।
وَإِنَّهُمْ لَنَا لَغَائِظُونَ ۝٥٥
📖 অনুবাদ আয়াত 55
এবং তারা আমাদের ক্রোধের উদ্রেক করেছে।
وَإِنَّا لَجَمِيعٌ حَاذِرُونَ ۝٥٦
📖 অনুবাদ আয়াত 56
এবং আমরা সবাই সদা শংকিত।
فَأَخْرَجْنَاهُم مِّن جَنَّاتٍ وَعُيُونٍ ۝٥٧
📖 অনুবাদ আয়াত 57
অতঃপর আমি ফেরআউনের দলকে তাদের বাগ-বাগিচা ও ঝর্ণাসমূহ থেকে বহিষ্কার করলাম।
وَكُنُوزٍ وَمَقَامٍ كَرِيمٍ ۝٥٨
📖 অনুবাদ আয়াত 58
এবং ধন-ভান্ডার ও মনোরম স্থানসমূহ থেকে।
كَذَٰلِكَ وَأَوْرَثْنَاهَا بَنِي إِسْرَائِيلَ ۝٥٩
📖 অনুবাদ আয়াত 59
এরূপই হয়েছিল এবং বনী-ইসলাঈলকে করে দিলাম এসবের মালিক।
فَأَتْبَعُوهُم مُّشْرِقِينَ ۝٦٠
📖 অনুবাদ আয়াত 60
অতঃপর সুর্যোদয়ের সময় তারা তাদের পশ্চাদ্ধাবন করল।
فَلَمَّا تَرَاءَى الْجَمْعَانِ قَالَ أَصْحَابُ مُوسَىٰ إِنَّا لَمُدْرَكُونَ ۝٦١
📖 অনুবাদ আয়াত 61
যখন উভয় দল পরস্পরকে দেখল, তখন মূসার সঙ্গীরা বলল, আমরা যে ধরা পড়ে গেলাম।
قَالَ كَلَّا ۖ إِنَّ مَعِيَ رَبِّي سَيَهْدِينِ ۝٦٢
📖 অনুবাদ আয়াত 62
মূসা বলল, কখনই নয়, আমার সাথে আছেন আমার পালনকর্তা। তিনি আমাকে পথ বলে দেবেন।
فَأَوْحَيْنَا إِلَىٰ مُوسَىٰ أَنِ اضْرِب بِّعَصَاكَ الْبَحْرَ ۖ فَانفَلَقَ فَكَانَ كُلُّ فِرْقٍ كَالطَّوْدِ الْعَظِيمِ ۝٦٣
📖 অনুবাদ আয়াত 63
অতঃপর আমি মূসাকে আদেশ করলাম, তোমার লাঠি দ্বারা সমূদ্রকে আঘাত কর। ফলে, তা বিদীর্ণ হয়ে গেল এবং প্রত্যেক ভাগ বিশাল পর্বতসদৃশ হয়ে গেল।
وَأَزْلَفْنَا ثَمَّ الْآخَرِينَ ۝٦٤
📖 অনুবাদ আয়াত 64
আমি সেথায় অপর দলকে পৌঁছিয়ে দিলাম।
وَأَنجَيْنَا مُوسَىٰ وَمَن مَّعَهُ أَجْمَعِينَ ۝٦٥
📖 অনুবাদ আয়াত 65
এবং মূসা ও তাঁর সংগীদের সবাইকে বাঁচিয়ে দিলাম।
ثُمَّ أَغْرَقْنَا الْآخَرِينَ ۝٦٦
📖 অনুবাদ আয়াত 66
অতঃপর অপর দলটিকে নিমজ্জত কললাম।
إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَآيَةً ۖ وَمَا كَانَ أَكْثَرُهُم مُّؤْمِنِينَ ۝٦٧
📖 অনুবাদ আয়াত 67
নিশ্চয় এতে একটি নিদর্শন আছে এবং তাদের অধিকাংশই বিশ্বাসী ছিল না।
وَإِنَّ رَبَّكَ لَهُوَ الْعَزِيزُ الرَّحِيمُ ۝٦٨
📖 অনুবাদ আয়াত 68
আপনার পালনকর্তা অবশ্যই পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।
وَاتْلُ عَلَيْهِمْ نَبَأَ إِبْرَاهِيمَ ۝٦٩
📖 অনুবাদ আয়াত 69
আর তাদেরকে ইব্রাহীমের বৃত্তান্ত শুনিয়ে দিন।
إِذْ قَالَ لِأَبِيهِ وَقَوْمِهِ مَا تَعْبُدُونَ ۝٧٠
📖 অনুবাদ আয়াত 70
যখন তাঁর পিতাকে এবং তাঁর সম্প্রদায়কে বললেন, তোমরা কিসের এবাদত কর?
قَالُوا نَعْبُدُ أَصْنَامًا فَنَظَلُّ لَهَا عَاكِفِينَ ۝٧١
📖 অনুবাদ আয়াত 71
তারা বলল, আমরা প্রতিমার পূজা করি এবং সারাদিন এদেরকেই নিষ্ঠার সাথে আঁকড়ে থাকি।
قَالَ هَلْ يَسْمَعُونَكُمْ إِذْ تَدْعُونَ ۝٧٢
📖 অনুবাদ আয়াত 72
ইব্রাহীম (আঃ) বললেন, তোমরা যখন আহবান কর, তখন তারা শোনে কি?
أَوْ يَنفَعُونَكُمْ أَوْ يَضُرُّونَ ۝٧٣
📖 অনুবাদ আয়াত 73
অথবা তারা কি তোমাদের উপকার কিংবা ক্ষতি করতে পারে?
قَالُوا بَلْ وَجَدْنَا آبَاءَنَا كَذَٰلِكَ يَفْعَلُونَ ۝٧٤
📖 অনুবাদ আয়াত 74
তারা বললঃ না, তবে আমরা আমাদের পিতৃপুরুষদেরকে পেয়েছি, তারা এরূপই করত।
قَالَ أَفَرَأَيْتُم مَّا كُنتُمْ تَعْبُدُونَ ۝٧٥
📖 অনুবাদ আয়াত 75
ইব্রাহীম বললেন, তোমরা কি তাদের সম্পর্কে ভেবে দেখেছ, যাদের পূজা করে আসছ।
أَنتُمْ وَآبَاؤُكُمُ الْأَقْدَمُونَ ۝٧٦
📖 অনুবাদ আয়াত 76
তোমরা এবং তোমাদের পূর্ববর্তী পিতৃপুরুষেরা ?
فَإِنَّهُمْ عَدُوٌّ لِّي إِلَّا رَبَّ الْعَالَمِينَ ۝٧٧
📖 অনুবাদ আয়াত 77
বিশ্বপালনকর্তা ব্যতীত তারা সবাই আমার শত্রু।
الَّذِي خَلَقَنِي فَهُوَ يَهْدِينِ ۝٧٨
📖 অনুবাদ আয়াত 78
যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর তিনিই আমাকে পথপ্রদর্শন করেন,
وَالَّذِي هُوَ يُطْعِمُنِي وَيَسْقِينِ ۝٧٩
📖 অনুবাদ আয়াত 79
যিনি আমাকে আহার এবং পানীয় দান করেন,
وَإِذَا مَرِضْتُ فَهُوَ يَشْفِينِ ۝٨٠
📖 অনুবাদ আয়াত 80
যখন আমি রোগাক্রান্ত হই, তখন তিনিই আরোগ্য দান করেন।
وَالَّذِي يُمِيتُنِي ثُمَّ يُحْيِينِ ۝٨١
📖 অনুবাদ আয়াত 81
যিনি আমার মৃত্যু ঘটাবেন, অতঃপর পুনর্জীবন দান করবেন।
وَالَّذِي أَطْمَعُ أَن يَغْفِرَ لِي خَطِيئَتِي يَوْمَ الدِّينِ ۝٨٢
📖 অনুবাদ আয়াত 82
আমি আশা করি তিনিই বিচারের দিনে আমার ক্রটি-বিচ্যুতি মাফ করবেন।
رَبِّ هَبْ لِي حُكْمًا وَأَلْحِقْنِي بِالصَّالِحِينَ ۝٨٣
📖 অনুবাদ আয়াত 83
হে আমার পালনকর্তা, আমাকে প্রজ্ঞা দান কর এবং আমাকে সৎকর্মশীলদের অন্তর্ভুক্ত কর
وَاجْعَل لِّي لِسَانَ صِدْقٍ فِي الْآخِرِينَ ۝٨٤
📖 অনুবাদ আয়াত 84
এবং আমাকে পরবর্তীদের মধ্যে সত্যভাষী কর।
وَاجْعَلْنِي مِن وَرَثَةِ جَنَّةِ النَّعِيمِ ۝٨٥
📖 অনুবাদ আয়াত 85
এবং আমাকে নেয়ামত উদ্যানের অধিকারীদের অন্তর্ভূক্ত কর।
وَاغْفِرْ لِأَبِي إِنَّهُ كَانَ مِنَ الضَّالِّينَ ۝٨٦
📖 অনুবাদ আয়াত 86
এবং আমার পিতাকে ক্ষমা কর। সে তো পথভ্রষ্টদের অন্যতম।
وَلَا تُخْزِنِي يَوْمَ يُبْعَثُونَ ۝٨٧
📖 অনুবাদ আয়াত 87
এবং পূনরুত্থান দিবসে আমাকে লাঞ্ছিত করো না,
يَوْمَ لَا يَنفَعُ مَالٌ وَلَا بَنُونَ ۝٨٨
📖 অনুবাদ আয়াত 88
যে দিবসে ধন-সম্পদ ও সন্তান সন্ততি কোন উপকারে আসবে না;
إِلَّا مَنْ أَتَى اللَّهَ بِقَلْبٍ سَلِيمٍ ۝٨٩
📖 অনুবাদ আয়াত 89
কিন্তু যে সুস্থ অন্তর নিয়ে আল্লাহর কাছে আসবে।
وَأُزْلِفَتِ الْجَنَّةُ لِلْمُتَّقِينَ ۝٩٠
📖 অনুবাদ আয়াত 90
জান্নাত আল্লাহভীরুদের নিকটবর্তী করা হবে।
وَبُرِّزَتِ الْجَحِيمُ لِلْغَاوِينَ ۝٩١
📖 অনুবাদ আয়াত 91
এবং বিপথগামীদের সামনে উম্মোচিত করা হবে জাহান্নাম।
وَقِيلَ لَهُمْ أَيْنَ مَا كُنتُمْ تَعْبُدُونَ ۝٩٢
📖 অনুবাদ আয়াত 92
তাদেরকে বলা হবেঃ তারা কোথায়, তোমরা যাদের পূজা করতে।
مِن دُونِ اللَّهِ هَلْ يَنصُرُونَكُمْ أَوْ يَنتَصِرُونَ ۝٩٣
📖 অনুবাদ আয়াত 93
আল্লাহর পরিবর্তে? তারা কি তোমাদের সাহায্য করতে পারে, অথবা তারা প্রতিশোধ নিতে পারে?
فَكُبْكِبُوا فِيهَا هُمْ وَالْغَاوُونَ ۝٩٤
📖 অনুবাদ আয়াত 94
অতঃপর তাদেরকে এবং পথভ্রষ্টদেরকে আধোমুখি করে নিক্ষেপ করা হবে জাহান্নামে।
وَجُنُودُ إِبْلِيسَ أَجْمَعُونَ ۝٩٥
📖 অনুবাদ আয়াত 95
এবং ইবলীস বাহিনীর সকলকে।
قَالُوا وَهُمْ فِيهَا يَخْتَصِمُونَ ۝٩٦
📖 অনুবাদ আয়াত 96
তারা তথায় কথা কাটাকাটিতে লিপ্ত হয়ে বলবেঃ
تَاللَّهِ إِن كُنَّا لَفِي ضَلَالٍ مُّبِينٍ ۝٩٧
📖 অনুবাদ আয়াত 97
আল্লাহর কসম, আমরা প্রকাশ্য বিভ্রান্তিতে লিপ্ত ছিলাম।
إِذْ نُسَوِّيكُم بِرَبِّ الْعَالَمِينَ ۝٩٨
📖 অনুবাদ আয়াত 98
যখন আমরা তোমাদেরকে বিশ্ব-পালনকর্তার সমতুল্য গন্য করতাম।
وَمَا أَضَلَّنَا إِلَّا الْمُجْرِمُونَ ۝٩٩
📖 অনুবাদ আয়াত 99
আমাদেরকে দুষ্টকর্মীরাই গোমরাহ করেছিল।
فَمَا لَنَا مِن شَافِعِينَ ۝١٠٠
📖 অনুবাদ আয়াত 100
অতএব আমাদের কোন সুপারিশকারী নেই।
وَلَا صَدِيقٍ حَمِيمٍ ۝١٠١
📖 অনুবাদ আয়াত 101
এবং কোন সহৃদয় বন্ধু ও নেই।
فَلَوْ أَنَّ لَنَا كَرَّةً فَنَكُونَ مِنَ الْمُؤْمِنِينَ ۝١٠٢
📖 অনুবাদ আয়াত 102
হায়, যদি কোনরুপে আমরা পৃথিবীতে প্রত্যাবর্তনের সুযোগ পেতাম, তবে আমরা বিশ্বাস স্থাপনকারী হয়ে যেতাম।
إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَآيَةً ۖ وَمَا كَانَ أَكْثَرُهُم مُّؤْمِنِينَ ۝١٠٣
📖 অনুবাদ আয়াত 103
নিশ্চয়, এতে নিদর্শন আছে এবং তাদের অধিকাংশই বিশ্বাসী নয়।
وَإِنَّ رَبَّكَ لَهُوَ الْعَزِيزُ الرَّحِيمُ ۝١٠٤
📖 অনুবাদ আয়াত 104
আপনার পালনকর্তা প্রবল পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।
كَذَّبَتْ قَوْمُ نُوحٍ الْمُرْسَلِينَ ۝١٠٥
📖 অনুবাদ আয়াত 105
নূহের সম্প্রদায় পয়গম্বরগণকে মিথ্যারোপ করেছে।
إِذْ قَالَ لَهُمْ أَخُوهُمْ نُوحٌ أَلَا تَتَّقُونَ ۝١٠٦
📖 অনুবাদ আয়াত 106
যখন তাদের ভ্রাতা নূহ তাদেরকে বললেন, তোমাদের কি ভয় নেই?
إِنِّي لَكُمْ رَسُولٌ أَمِينٌ ۝١٠٧
📖 অনুবাদ আয়াত 107
আমি তোমাদের জন্য বিশ্বস্ত বার্তাবাহক।
فَاتَّقُوا اللَّهَ وَأَطِيعُونِ ۝١٠٨
📖 অনুবাদ আয়াত 108
অতএব, তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং আমার আনুগত্য কর।
وَمَا أَسْأَلُكُمْ عَلَيْهِ مِنْ أَجْرٍ ۖ إِنْ أَجْرِيَ إِلَّا عَلَىٰ رَبِّ الْعَالَمِينَ ۝١٠٩
📖 অনুবাদ আয়াত 109
আমি তোমাদের কাছে এর জন্য কোন প্রতিদান চাই না, আমার প্রতিদান তো বিশ্ব-পালনকর্তাই দেবেন।
فَاتَّقُوا اللَّهَ وَأَطِيعُونِ ۝١١٠
📖 অনুবাদ আয়াত 110
অতএব, তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং আমার আনুগত্য কর।
۞ قَالُوا أَنُؤْمِنُ لَكَ وَاتَّبَعَكَ الْأَرْذَلُونَ ۝١١١
📖 অনুবাদ আয়াত 111
তারা বলল, আমরা কি তোমাকে মেনে নেব যখন তোমার অনুসরণ করছে ইতরজনেরা?
قَالَ وَمَا عِلْمِي بِمَا كَانُوا يَعْمَلُونَ ۝١١٢
📖 অনুবাদ আয়াত 112
নূহ বললেন, তারা কি কাজ করছে, তা জানা আমার কি দরকার?
إِنْ حِسَابُهُمْ إِلَّا عَلَىٰ رَبِّي ۖ لَوْ تَشْعُرُونَ ۝١١٣
📖 অনুবাদ আয়াত 113
তাদের হিসাব নেয়া আমার পালনকর্তারই কাজ; যদি তোমরা বুঝতে!
وَمَا أَنَا بِطَارِدِ الْمُؤْمِنِينَ ۝١١٤
📖 অনুবাদ আয়াত 114
আমি মুমিনগণকে তাড়িয়ে দেয়ার লোক নই।
إِنْ أَنَا إِلَّا نَذِيرٌ مُّبِينٌ ۝١١٥
📖 অনুবাদ আয়াত 115
আমি তো শুধু একজন সুস্পষ্ট সতর্ককারী।
قَالُوا لَئِن لَّمْ تَنتَهِ يَا نُوحُ لَتَكُونَنَّ مِنَ الْمَرْجُومِينَ ۝١١٦
📖 অনুবাদ আয়াত 116
তারা বলল, হে নূহ যদি তুমি বিরত না হও, তবে তুমি নিশ্চিতই প্রস্তরাঘাতে নিহত হবে।
قَالَ رَبِّ إِنَّ قَوْمِي كَذَّبُونِ ۝١١٧
📖 অনুবাদ আয়াত 117
নূহ বললেন, হে আমার পালনকর্তা, আমার সম্প্রদায় তো আমাকে মিথ্যাবাদী বলছে।
فَافْتَحْ بَيْنِي وَبَيْنَهُمْ فَتْحًا وَنَجِّنِي وَمَن مَّعِيَ مِنَ الْمُؤْمِنِينَ ۝١١٨
📖 অনুবাদ আয়াত 118
অতএব, আমার ও তাদের মধ্যে কোন ফয়সালা করে দিন এবং আমাকে ও আমার সংগী মুমিনগণকে রক্ষা করুন।
فَأَنجَيْنَاهُ وَمَن مَّعَهُ فِي الْفُلْكِ الْمَشْحُونِ ۝١١٩
📖 অনুবাদ আয়াত 119
অতঃপর আমি তাঁকে ও তাঁর সঙ্গিগণকে বোঝাই করা নৌকায় রক্ষা করলাম।
ثُمَّ أَغْرَقْنَا بَعْدُ الْبَاقِينَ ۝١٢٠
📖 অনুবাদ আয়াত 120
এরপর অবশিষ্ট সবাইকে নিমজ্জত করলাম।
إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَآيَةً ۖ وَمَا كَانَ أَكْثَرُهُم مُّؤْمِنِينَ ۝١٢١
📖 অনুবাদ আয়াত 121
নিশ্চয় এতে নিদর্শন আছে এবং তাদের অধিকাংশই বিশ্বাসী নয়।
وَإِنَّ رَبَّكَ لَهُوَ الْعَزِيزُ الرَّحِيمُ ۝١٢٢
📖 অনুবাদ আয়াত 122
নিশ্চয় আপনার পালনকর্তা প্রবল পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।
كَذَّبَتْ عَادٌ الْمُرْسَلِينَ ۝١٢٣
📖 অনুবাদ আয়াত 123
আদ সম্প্রদায় পয়গম্বরগণকে মিথ্যাবাদী বলেছে।
إِذْ قَالَ لَهُمْ أَخُوهُمْ هُودٌ أَلَا تَتَّقُونَ ۝١٢٤
📖 অনুবাদ আয়াত 124
তখন তাদের ভাই হুদ তাদেরকে বললেনঃ তোমাদের কি ভয় নেই?
إِنِّي لَكُمْ رَسُولٌ أَمِينٌ ۝١٢٥
📖 অনুবাদ আয়াত 125
আমি তোমাদের বিশ্বস্ত রসূল।
فَاتَّقُوا اللَّهَ وَأَطِيعُونِ ۝١٢٦
📖 অনুবাদ আয়াত 126
অতএব, তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং আমার আনুগত্য কর।
وَمَا أَسْأَلُكُمْ عَلَيْهِ مِنْ أَجْرٍ ۖ إِنْ أَجْرِيَ إِلَّا عَلَىٰ رَبِّ الْعَالَمِينَ ۝١٢٧
📖 অনুবাদ আয়াত 127
আমি তোমাদের কাছে এর জন্যে প্রতিদান চাই না। আমার প্রতিদান তো পালনকর্তা দেবেন।
أَتَبْنُونَ بِكُلِّ رِيعٍ آيَةً تَعْبَثُونَ ۝١٢٨
📖 অনুবাদ আয়াত 128
তোমরা কি প্রতিটি উচ্চস্থানে অযথা নিদর্শন নির্মান করছ?
وَتَتَّخِذُونَ مَصَانِعَ لَعَلَّكُمْ تَخْلُدُونَ ۝١٢٩
📖 অনুবাদ আয়াত 129
এবং বড় বড় প্রাসাদ নির্মাণ করছ, যেন তোমরা চিরকাল থাকবে?
وَإِذَا بَطَشْتُم بَطَشْتُمْ جَبَّارِينَ ۝١٣٠
📖 অনুবাদ আয়াত 130
যখন তোমরা আঘাত হান, তখন জালেম ও নিষ্ঠুরের মত আঘাত হান।
فَاتَّقُوا اللَّهَ وَأَطِيعُونِ ۝١٣١
📖 অনুবাদ আয়াত 131
অতএব, আল্লাহকে ভয় কর এবং আমার অনুগত্য কর।
وَاتَّقُوا الَّذِي أَمَدَّكُم بِمَا تَعْلَمُونَ ۝١٣٢
📖 অনুবাদ আয়াত 132
ভয় কর তাঁকে, যিনি তোমাদেরকে সেসব বস্তু দিয়েছেন, যা তোমরা জান।
أَمَدَّكُم بِأَنْعَامٍ وَبَنِينَ ۝١٣٣
📖 অনুবাদ আয়াত 133
তোমাদেরকে দিয়েছেন চতুষ্পদ জন্তু ও পুত্র-সন্তান,
وَجَنَّاتٍ وَعُيُونٍ ۝١٣٤
📖 অনুবাদ আয়াত 134
এবং উদ্যান ও ঝরণা।
إِنِّي أَخَافُ عَلَيْكُمْ عَذَابَ يَوْمٍ عَظِيمٍ ۝١٣٥
📖 অনুবাদ আয়াত 135
আমি তোমাদের জন্যে মহাদিবসের শাস্তি আশংকা করি।
قَالُوا سَوَاءٌ عَلَيْنَا أَوَعَظْتَ أَمْ لَمْ تَكُن مِّنَ الْوَاعِظِينَ ۝١٣٦
📖 অনুবাদ আয়াত 136
তারা বলল, তুমি উপদেশ দাও অথবা উপদেশ নাই দাও, উভয়ই আমাদের জন্যে সমান।
إِنْ هَٰذَا إِلَّا خُلُقُ الْأَوَّلِينَ ۝١٣٧
📖 অনুবাদ আয়াত 137
এসব কথাবার্তা পূর্ববর্তী লোকদের অভ্যাস বৈ নয়।
وَمَا نَحْنُ بِمُعَذَّبِينَ ۝١٣٨
📖 অনুবাদ আয়াত 138
আমরা শাস্তিপ্রাপ্ত হব না।
فَكَذَّبُوهُ فَأَهْلَكْنَاهُمْ ۗ إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَآيَةً ۖ وَمَا كَانَ أَكْثَرُهُم مُّؤْمِنِينَ ۝١٣٩
📖 অনুবাদ আয়াত 139
অতএব, তারা তাঁকে মিথ্যাবাদী বলতে লাগল এবং আমি তাদেরকে নিপাত করে দিলাম। এতে অবশ্যই নিদর্শন আছে; কিন্তু তাদের অধিকাংশই বিশ্বাসী নয়।
وَإِنَّ رَبَّكَ لَهُوَ الْعَزِيزُ الرَّحِيمُ ۝١٤٠
📖 অনুবাদ আয়াত 140
এবং আপনার পালনকর্তা, তিনি তো প্রবল পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।
كَذَّبَتْ ثَمُودُ الْمُرْسَلِينَ ۝١٤١
📖 অনুবাদ আয়াত 141
সামুদ সম্প্রদায় পয়গম্বরগণকে মিথ্যাবাদী বলেছে।
إِذْ قَالَ لَهُمْ أَخُوهُمْ صَالِحٌ أَلَا تَتَّقُونَ ۝١٤٢
📖 অনুবাদ আয়াত 142
যখন তাদের ভাই সালেহ, তাদেরকে বললেন, তোমরা কি ভয় কর না?
إِنِّي لَكُمْ رَسُولٌ أَمِينٌ ۝١٤٣
📖 অনুবাদ আয়াত 143
আমি তোমাদের বিশ্বস্ত পয়গম্বর।
فَاتَّقُوا اللَّهَ وَأَطِيعُونِ ۝١٤٤
📖 অনুবাদ আয়াত 144
অতএব, আল্লাহকে ভয় কর এবং আমার আনুগত্য কর।
وَمَا أَسْأَلُكُمْ عَلَيْهِ مِنْ أَجْرٍ ۖ إِنْ أَجْرِيَ إِلَّا عَلَىٰ رَبِّ الْعَالَمِينَ ۝١٤٥
📖 অনুবাদ আয়াত 145
আমি এর জন্যে তোমাদের কাছে কোন প্রতিদান চাই না। আমার প্রতিদান তো বিশ্ব-পালনকর্তাই দেবেন।
أَتُتْرَكُونَ فِي مَا هَاهُنَا آمِنِينَ ۝١٤٦
📖 অনুবাদ আয়াত 146
তোমাদেরকে কি এ জগতের ভোগ-বিলাসের মধ্যে নিরাপদে রেখে দেয়া হবে?
فِي جَنَّاتٍ وَعُيُونٍ ۝١٤٧
📖 অনুবাদ আয়াত 147
উদ্যানসমূহের মধ্যে এবং ঝরণাসমূহের মধ্যে ?
وَزُرُوعٍ وَنَخْلٍ طَلْعُهَا هَضِيمٌ ۝١٤٨
📖 অনুবাদ আয়াত 148
শস্যক্ষেত্রের মধ্যে এবং মঞ্জুরিত খেজুর বাগানের মধ্যে ?
وَتَنْحِتُونَ مِنَ الْجِبَالِ بُيُوتًا فَارِهِينَ ۝١٤٩
📖 অনুবাদ আয়াত 149
তোমরা পাহাড় কেটে জাঁক জমকের গৃহ নির্মাণ করছ।
فَاتَّقُوا اللَّهَ وَأَطِيعُونِ ۝١٥٠
📖 অনুবাদ আয়াত 150
সুতরাং তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং আমার অনুগত্য কর।
وَلَا تُطِيعُوا أَمْرَ الْمُسْرِفِينَ ۝١٥١
📖 অনুবাদ আয়াত 151
এবং সীমালংঘনকারীদের আদেশ মান্য কর না;
الَّذِينَ يُفْسِدُونَ فِي الْأَرْضِ وَلَا يُصْلِحُونَ ۝١٥٢
📖 অনুবাদ আয়াত 152
যারা পৃথিবীতে অনর্থ সৃষ্টি করে এবং শান্তি স্থাপন করে না;
قَالُوا إِنَّمَا أَنتَ مِنَ الْمُسَحَّرِينَ ۝١٥٣
📖 অনুবাদ আয়াত 153
তারা বলল, তুমি তো জাদুগ্রস্থুরেদ একজন।
مَا أَنتَ إِلَّا بَشَرٌ مِّثْلُنَا فَأْتِ بِآيَةٍ إِن كُنتَ مِنَ الصَّادِقِينَ ۝١٥٤
📖 অনুবাদ আয়াত 154
তুমি তো আমাদের মতই একজন মানুষ বৈ নও। সুতরাং যদি তুমি সত্যবাদী হও, তবে কোন নিদর্শন উপস্থিত কর।
قَالَ هَٰذِهِ نَاقَةٌ لَّهَا شِرْبٌ وَلَكُمْ شِرْبُ يَوْمٍ مَّعْلُومٍ ۝١٥٥
📖 অনুবাদ আয়াত 155
সালেহ বললেন এই উষ্ট্রী, এর জন্যে আছে পানি পানের পালা এবং তোমাদের জন্যে আছে পানি পানের পালা নির্দিষ্ট এক-এক দিনের।
وَلَا تَمَسُّوهَا بِسُوءٍ فَيَأْخُذَكُمْ عَذَابُ يَوْمٍ عَظِيمٍ ۝١٥٦
📖 অনুবাদ আয়াত 156
তোমরা একে কোন কষ্ট দিও না। তাহলে তোমাদেরকে মহাদিবসের আযাব পাকড়াও করবে।
فَعَقَرُوهَا فَأَصْبَحُوا نَادِمِينَ ۝١٥٧
📖 অনুবাদ আয়াত 157
তারা তাকে বধ করল ফলে, তারা অনুতপ্ত হয়ে গেল।
فَأَخَذَهُمُ الْعَذَابُ ۗ إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَآيَةً ۖ وَمَا كَانَ أَكْثَرُهُم مُّؤْمِنِينَ ۝١٥٨
📖 অনুবাদ আয়াত 158
এরপর আযাব তাদেরকে পাকড়াও করল। নিশ্চয় এতে নিদর্শন আছে। কিন্তু তাদের অধিকাংশই বিশ্বাসী নয়।
وَإِنَّ رَبَّكَ لَهُوَ الْعَزِيزُ الرَّحِيمُ ۝١٥٩
📖 অনুবাদ আয়াত 159
আপনার পালনকর্তা প্রবল পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।
كَذَّبَتْ قَوْمُ لُوطٍ الْمُرْسَلِينَ ۝١٦٠
📖 অনুবাদ আয়াত 160
লূতের সম্প্রদায় পয়গম্বরগণকে মিথ্যাবাদী বলেছে।
إِذْ قَالَ لَهُمْ أَخُوهُمْ لُوطٌ أَلَا تَتَّقُونَ ۝١٦١
📖 অনুবাদ আয়াত 161
যখন তাদের ভাই লূত তাদেরকে বললেন, তোমরা কি ভয় কর না ?
إِنِّي لَكُمْ رَسُولٌ أَمِينٌ ۝١٦٢
📖 অনুবাদ আয়াত 162
আমি তোমাদের বিশ্বস্ত পয়গম্বর।
فَاتَّقُوا اللَّهَ وَأَطِيعُونِ ۝١٦٣
📖 অনুবাদ আয়াত 163
অতএব, তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং আমার আনুগত্য কর।
وَمَا أَسْأَلُكُمْ عَلَيْهِ مِنْ أَجْرٍ ۖ إِنْ أَجْرِيَ إِلَّا عَلَىٰ رَبِّ الْعَالَمِينَ ۝١٦٤
📖 অনুবাদ আয়াত 164
আমি এর জন্যে তোমাদের কাছে কোন প্রতিদান চাই না। আমার প্রতিদান তো বিশ্ব-পালনকর্তা দেবেন।
أَتَأْتُونَ الذُّكْرَانَ مِنَ الْعَالَمِينَ ۝١٦٥
📖 অনুবাদ আয়াত 165
সারা জাহানের মানুষের মধ্যে তোমরাই কি পুরূষদের সাথে কুকর্ম কর?
وَتَذَرُونَ مَا خَلَقَ لَكُمْ رَبُّكُم مِّنْ أَزْوَاجِكُم ۚ بَلْ أَنتُمْ قَوْمٌ عَادُونَ ۝١٦٦
📖 অনুবাদ আয়াত 166
এবং তোমাদের পালনকর্তা তোমাদের জন্যে যে স্ত্রীগনকে সৃষ্টি করেছেন, তাদেরকে বর্জন কর? বরং তোমরা সীমালঙ্ঘনকারী সম্প্রদায়।
قَالُوا لَئِن لَّمْ تَنتَهِ يَا لُوطُ لَتَكُونَنَّ مِنَ الْمُخْرَجِينَ ۝١٦٧
📖 অনুবাদ আয়াত 167
তারা বলল, হে লূত, তুমি যদি বিরত না হও, তবে অবশ্যই তোমাকে বহিস্কৃত করা হবে।
قَالَ إِنِّي لِعَمَلِكُم مِّنَ الْقَالِينَ ۝١٦٨
📖 অনুবাদ আয়াত 168
লূত বললেন, আমি তোমাদের এই কাজকে ঘৃণা করি।
رَبِّ نَجِّنِي وَأَهْلِي مِمَّا يَعْمَلُونَ ۝١٦٩
📖 অনুবাদ আয়াত 169
হে আমার পালনকর্তা, আমাকে এবং আমার পরিবারবর্গকে তারা যা করে, তা থেকে রক্ষা কর।
فَنَجَّيْنَاهُ وَأَهْلَهُ أَجْمَعِينَ ۝١٧٠
📖 অনুবাদ আয়াত 170
অতঃপর আমি তাঁকে ও তাঁর পরিবারবর্গকে রক্ষা করলাম।
إِلَّا عَجُوزًا فِي الْغَابِرِينَ ۝١٧١
📖 অনুবাদ আয়াত 171
এক বৃদ্ধা ব্যতীত, সে ছিল ধ্বংস প্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত।
ثُمَّ دَمَّرْنَا الْآخَرِينَ ۝١٧٢
📖 অনুবাদ আয়াত 172
এরপর অন্যদেরকে নিপাত করলাম।
وَأَمْطَرْنَا عَلَيْهِم مَّطَرًا ۖ فَسَاءَ مَطَرُ الْمُنذَرِينَ ۝١٧٣
📖 অনুবাদ আয়াত 173
তাদের উপর এক বিশেষ বৃষ্টি বর্ষণ করলাম। ভীতি-প্রদর্শিত দের জন্যে এই বৃষ্টি ছিল কত নিকৃষ্ট।
إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَآيَةً ۖ وَمَا كَانَ أَكْثَرُهُم مُّؤْمِنِينَ ۝١٧٤
📖 অনুবাদ আয়াত 174
নিশ্চয়ই এতে নিদর্শন রয়েছে; কিন্তু তাদের অধিকাংশই বিশ্বাসী নয়।
وَإِنَّ رَبَّكَ لَهُوَ الْعَزِيزُ الرَّحِيمُ ۝١٧٥
📖 অনুবাদ আয়াত 175
নিশ্চয়ই আপনার পালনকর্তা প্রবল পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।
كَذَّبَ أَصْحَابُ الْأَيْكَةِ الْمُرْسَلِينَ ۝١٧٦
📖 অনুবাদ আয়াত 176
বনের অধিবাসীরা পয়গম্বরগণকে মিথ্যাবাদী বলেছে।
إِذْ قَالَ لَهُمْ شُعَيْبٌ أَلَا تَتَّقُونَ ۝١٧٧
📖 অনুবাদ আয়াত 177
যখন শো’আয়ব তাদের কে বললেন, তোমরা কি ভয় কর না?
إِنِّي لَكُمْ رَسُولٌ أَمِينٌ ۝١٧٨
📖 অনুবাদ আয়াত 178
আমি তোমাদের বিশ্বস্ত পয়গম্বর।
فَاتَّقُوا اللَّهَ وَأَطِيعُونِ ۝١٧٩
📖 অনুবাদ আয়াত 179
অতএব, তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং আমার আনুগত্য কর।
وَمَا أَسْأَلُكُمْ عَلَيْهِ مِنْ أَجْرٍ ۖ إِنْ أَجْرِيَ إِلَّا عَلَىٰ رَبِّ الْعَالَمِينَ ۝١٨٠
📖 অনুবাদ আয়াত 180
আমি তোমাদের কাছে এর জন্য কোন প্রতিদান চাই না। আমার প্রতিদান তো বিশ্ব-পালনকর্তাই দেবেন।
۞ أَوْفُوا الْكَيْلَ وَلَا تَكُونُوا مِنَ الْمُخْسِرِينَ ۝١٨١
📖 অনুবাদ আয়াত 181
মাপ পূর্ণ কর এবং যারা পরিমাপে কম দেয়, তাদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না।
وَزِنُوا بِالْقِسْطَاسِ الْمُسْتَقِيمِ ۝١٨٢
📖 অনুবাদ আয়াত 182
সোজা দাঁড়ি-পাল্লায় ওজন কর।
وَلَا تَبْخَسُوا النَّاسَ أَشْيَاءَهُمْ وَلَا تَعْثَوْا فِي الْأَرْضِ مُفْسِدِينَ ۝١٨٣
📖 অনুবাদ আয়াত 183
মানুষকে তাদের বস্তু কম দিও না এবং পৃথিবীতে অনর্থ সৃষ্টি করে ফিরো না।
وَاتَّقُوا الَّذِي خَلَقَكُمْ وَالْجِبِلَّةَ الْأَوَّلِينَ ۝١٨٤
📖 অনুবাদ আয়াত 184
ভয় কর তাঁকে, যিনি তোমাদেরকে এবং তোমাদের পূর্ববর্তী লোক-সম্প্রদায়কে সৃষ্টি করেছেন।
قَالُوا إِنَّمَا أَنتَ مِنَ الْمُسَحَّرِينَ ۝١٨٥
📖 অনুবাদ আয়াত 185
তারা বলল, তুমি তো জাদুগ্রস্তদের অন্যতম।
وَمَا أَنتَ إِلَّا بَشَرٌ مِّثْلُنَا وَإِن نَّظُنُّكَ لَمِنَ الْكَاذِبِينَ ۝١٨٦
📖 অনুবাদ আয়াত 186
তুমি আমাদের মত মানুষ বৈ তো নও। আমাদের ধারণা-তুমি মিথ্যাবাদীদের অন্তর্ভুক্ত।
فَأَسْقِطْ عَلَيْنَا كِسَفًا مِّنَ السَّمَاءِ إِن كُنتَ مِنَ الصَّادِقِينَ ۝١٨٧
📖 অনুবাদ আয়াত 187
অতএব, যদি সত্যবাদী হও, তবে আকাশের কোন টুকরো আমাদের উপর ফেলে দাও।
قَالَ رَبِّي أَعْلَمُ بِمَا تَعْمَلُونَ ۝١٨٨
📖 অনুবাদ আয়াত 188
শো’আয়ব বললেন, তোমরা যা কর, সে সম্পর্কে আমার পালনকর্তা ভালরূপে অবহিত।
فَكَذَّبُوهُ فَأَخَذَهُمْ عَذَابُ يَوْمِ الظُّلَّةِ ۚ إِنَّهُ كَانَ عَذَابَ يَوْمٍ عَظِيمٍ ۝١٨٩
📖 অনুবাদ আয়াত 189
অতঃপর তারা তাঁকে মিথ্যাবাদী বলে দিল। ফলে তাদেরকে মেঘাচ্ছন্ন দিবসের আযাব পাকড়াও করল। নিশ্চয় সেটা ছিল এক মহাদিবসের আযাব।
إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَآيَةً ۖ وَمَا كَانَ أَكْثَرُهُم مُّؤْمِنِينَ ۝١٩٠
📖 অনুবাদ আয়াত 190
নিশ্চয় এতে নিদর্শন রয়েছে; কিন্তু তাদের অধিকাংশই বিশ্বাস করে না।
وَإِنَّ رَبَّكَ لَهُوَ الْعَزِيزُ الرَّحِيمُ ۝١٩١
📖 অনুবাদ আয়াত 191
নিশ্চয় আপনার পালনকর্তা প্রবল পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।
وَإِنَّهُ لَتَنزِيلُ رَبِّ الْعَالَمِينَ ۝١٩٢
📖 অনুবাদ আয়াত 192
এই কোরআন তো বিশ্ব-জাহানের পালনকর্তার নিকট থেকে অবতীর্ণ।
نَزَلَ بِهِ الرُّوحُ الْأَمِينُ ۝١٩٣
📖 অনুবাদ আয়াত 193
বিশ্বস্ত ফেরেশতা একে নিয়ে অবতরণ করেছে।
عَلَىٰ قَلْبِكَ لِتَكُونَ مِنَ الْمُنذِرِينَ ۝١٩٤
📖 অনুবাদ আয়াত 194
আপনার অন্তরে, যাতে আপনি ভীতি প্রদর্শণকারীদের অন্তর্ভুক্ত হন,
بِلِسَانٍ عَرَبِيٍّ مُّبِينٍ ۝١٩٥
📖 অনুবাদ আয়াত 195
সুস্পষ্ট আরবী ভাষায়।
وَإِنَّهُ لَفِي زُبُرِ الْأَوَّلِينَ ۝١٩٦
📖 অনুবাদ আয়াত 196
নিশ্চয় এর উল্লেখ আছে পূর্ববর্তী কিতাবসমূহে।
أَوَلَمْ يَكُن لَّهُمْ آيَةً أَن يَعْلَمَهُ عُلَمَاءُ بَنِي إِسْرَائِيلَ ۝١٩٧
📖 অনুবাদ আয়াত 197
তাদের জন্যে এটা কি নিদর্শন নয় যে, বনী-ইসরাঈলের আলেমগণ এটা অবগত আছে?
وَلَوْ نَزَّلْنَاهُ عَلَىٰ بَعْضِ الْأَعْجَمِينَ ۝١٩٨
📖 অনুবাদ আয়াত 198
যদি আমি একে কোন ভিন্নভাষীর প্রতি অবতীর্ণ করতাম,
فَقَرَأَهُ عَلَيْهِم مَّا كَانُوا بِهِ مُؤْمِنِينَ ۝١٩٩
📖 অনুবাদ আয়াত 199
অতঃপর তিনি তা তাদের কাছে পাঠ করতেন, তবে তারা তাতে বিশ্বাস স্থাপন করত না।
كَذَٰلِكَ سَلَكْنَاهُ فِي قُلُوبِ الْمُجْرِمِينَ ۝٢٠٠
📖 অনুবাদ আয়াত 200
এমনিভাবে আমি গোনাহগারদের অন্তরে অবিশ্বাস সঞ্চার করেছি।
لَا يُؤْمِنُونَ بِهِ حَتَّىٰ يَرَوُا الْعَذَابَ الْأَلِيمَ ۝٢٠١
📖 অনুবাদ আয়াত 201
তারা এর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করবে না, যে পর্যন্ত প্রত্যক্ষ না করে মর্মন্তুদ আযাব।
فَيَأْتِيَهُم بَغْتَةً وَهُمْ لَا يَشْعُرُونَ ۝٢٠٢
📖 অনুবাদ আয়াত 202
অতঃপর তা আকস্মিকভাবে তাদের কাছে এসে পড়বে, তারা তা বুঝতে ও পারবে না।
فَيَقُولُوا هَلْ نَحْنُ مُنظَرُونَ ۝٢٠٣
📖 অনুবাদ আয়াত 203
তখন তারা বলবে, আমরা কি অবকাশ পাব না?
أَفَبِعَذَابِنَا يَسْتَعْجِلُونَ ۝٢٠٤
📖 অনুবাদ আয়াত 204
তারা কি আমার শাস্তি দ্রুত কামনা করে?
أَفَرَأَيْتَ إِن مَّتَّعْنَاهُمْ سِنِينَ ۝٢٠٥
📖 অনুবাদ আয়াত 205
আপনি ভেবে দেখুন তো, যদি আমি তাদেরকে বছরের পর বছর ভোগ-বিলাস করতে দেই,
ثُمَّ جَاءَهُم مَّا كَانُوا يُوعَدُونَ ۝٢٠٦
📖 অনুবাদ আয়াত 206
অতঃপর যে বিষয়ে তাদেরকে ওয়াদা দেয়া হত, তা তাদের কাছে এসে পড়ে।
مَا أَغْنَىٰ عَنْهُم مَّا كَانُوا يُمَتَّعُونَ ۝٢٠٧
📖 অনুবাদ আয়াত 207
তখন তাদের ভোগ বিলাস তা তাদের কি কোন উপকারে আসবে?
وَمَا أَهْلَكْنَا مِن قَرْيَةٍ إِلَّا لَهَا مُنذِرُونَ ۝٢٠٨
📖 অনুবাদ আয়াত 208
আমি কোন জনপদ ধ্বংস করিনি; কিন্তু এমতাবস্থায় যে, তারা সতর্ককারী ছিল।
ذِكْرَىٰ وَمَا كُنَّا ظَالِمِينَ ۝٢٠٩
📖 অনুবাদ আয়াত 209
স্মরণ করানোর জন্যে, এবং আমার কাজ অন্যায়াচরণ নয়।
وَمَا تَنَزَّلَتْ بِهِ الشَّيَاطِينُ ۝٢١٠
📖 অনুবাদ আয়াত 210
এই কোরআন শয়তানরা অবতীর্ণ করেনি।
وَمَا يَنبَغِي لَهُمْ وَمَا يَسْتَطِيعُونَ ۝٢١١
📖 অনুবাদ আয়াত 211
তারা এ কাজের উপযুক্ত নয় এবং তারা এর সামর্থ?451; রাখে না।
إِنَّهُمْ عَنِ السَّمْعِ لَمَعْزُولُونَ ۝٢١٢
📖 অনুবাদ আয়াত 212
তাদেরকে তো শ্রবণের জায়গা থেকে দূরে রাখা রয়েছে।
فَلَا تَدْعُ مَعَ اللَّهِ إِلَٰهًا آخَرَ فَتَكُونَ مِنَ الْمُعَذَّبِينَ ۝٢١٣
📖 অনুবাদ আয়াত 213
অতএব, আপনি আল্লাহর সাথে অন্য উপাস্যকে আহবান করবেন না। করলে শাস্তিতে পতিত হবেন।
وَأَنذِرْ عَشِيرَتَكَ الْأَقْرَبِينَ ۝٢١٤
📖 অনুবাদ আয়াত 214
আপনি নিকটতম আত্মীয়দেরকে সতর্ক করে দিন।
وَاخْفِضْ جَنَاحَكَ لِمَنِ اتَّبَعَكَ مِنَ الْمُؤْمِنِينَ ۝٢١٥
📖 অনুবাদ আয়াত 215
এবং আপনার অনুসারী মুমিনদের প্রতি সদয় হোন।
فَإِنْ عَصَوْكَ فَقُلْ إِنِّي بَرِيءٌ مِّمَّا تَعْمَلُونَ ۝٢١٦
📖 অনুবাদ আয়াত 216
যদি তারা আপনার অবাধ্য করে, তবে বলে দিন, তোমরা যা কর, তা থেকে আমি মুক্ত।
وَتَوَكَّلْ عَلَى الْعَزِيزِ الرَّحِيمِ ۝٢١٧
📖 অনুবাদ আয়াত 217
আপনি ভরসা করুন পরাক্রমশালী, পরম দয়ালুর উপর,
الَّذِي يَرَاكَ حِينَ تَقُومُ ۝٢١٨
📖 অনুবাদ আয়াত 218
যিনি আপনাকে দেখেন যখন আপনি নামাযে দন্ডায়মান হন,
وَتَقَلُّبَكَ فِي السَّاجِدِينَ ۝٢١٩
📖 অনুবাদ আয়াত 219
এবং নামাযীদের সাথে উঠাবসা করেন।
إِنَّهُ هُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ ۝٢٢٠
📖 অনুবাদ আয়াত 220
নিশ্চয় তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞানী।
هَلْ أُنَبِّئُكُمْ عَلَىٰ مَن تَنَزَّلُ الشَّيَاطِينُ ۝٢٢١
📖 অনুবাদ আয়াত 221
আমি আপনাকে বলব কি কার নিকট শয়তানরা অবতরণ করে?
تَنَزَّلُ عَلَىٰ كُلِّ أَفَّاكٍ أَثِيمٍ ۝٢٢٢
📖 অনুবাদ আয়াত 222
তারা অবতীর্ণ হয় প্রত্যেক মিথ্যাবাদী, গোনাহগারের উপর।
يُلْقُونَ السَّمْعَ وَأَكْثَرُهُمْ كَاذِبُونَ ۝٢٢٣
📖 অনুবাদ আয়াত 223
তারা শ্রুত কথা এনে দেয় এবং তাদের অধিকাংশই মিথ্যাবাদী।
وَالشُّعَرَاءُ يَتَّبِعُهُمُ الْغَاوُونَ ۝٢٢٤
📖 অনুবাদ আয়াত 224
বিভ্রান্ত লোকেরাই কবিদের অনুসরণ করে।
أَلَمْ تَرَ أَنَّهُمْ فِي كُلِّ وَادٍ يَهِيمُونَ ۝٢٢٥
📖 অনুবাদ আয়াত 225
তুমি কি দেখ না যে, তারা প্রতি ময়দানেই উদভ্রান্ত হয়ে ফিরে?
وَأَنَّهُمْ يَقُولُونَ مَا لَا يَفْعَلُونَ ۝٢٢٦
📖 অনুবাদ আয়াত 226
এবং এমন কথা বলে, যা তারা করে না।
إِلَّا الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ وَذَكَرُوا اللَّهَ كَثِيرًا وَانتَصَرُوا مِن بَعْدِ مَا ظُلِمُوا ۗ وَسَيَعْلَمُ الَّذِينَ ظَلَمُوا أَيَّ مُنقَلَبٍ يَنقَلِبُونَ ۝٢٢٧
📖 অনুবাদ আয়াত 227
তবে তাদের কথা ভিন্ন, যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম করে এবং আল্লাহ কে খুব স্মরণ করে এবং নিপীড়িত হওয়ার পর প্রতিশোধ গ্রহণ করে। নিপীড়নকারীরা শীঘ্রই জানতে পারবে তাদের গন্তব্যস্থল কিরূপ।
← 25 আশ-শুআরা (26/114) 27 →
পড়ুন সূরা আশ-শুআরা বাংলা অনুবাদ – আরবি পাঠ, অনুবাদ ও অডিও

26الشعراء Ash-Shu'ara 📚 227 আয়াত مكية

সূরা আশ-শুআরা আয়াত অনুযায়ী অনুবাদ — 227 আয়াত




পবিত্র কুরআন


Tuesday, August 18, 2026

আপনার নেক দোয়ায় আমাদের ভুলে যাবেন না